ডিএসই-৩০ সূচকে ১০ মাসে ৩৫% রিটার্ন

dseস্টকমার্কেট প্রতিবেদক :

বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারের চাহিদা বাড়ায় মাত্র ১০ মাসে ডিএসই-৩০ সূচকে ৩৫ শতাংশ পয়েন্ট যোগ হয়েছে। সূচকটিতে স্থান পাওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর এ সময় বেড়েছে।

সূচকটিতে স্থান পাওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। মূলত যেসব কোম্পানির লেনদেনযোগ্য শেয়ারের সমন্বিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা, গত তিন মাসে দৈনিক গড়ে ৫০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে এবং গত চার প্রান্তিকে মুনাফা করেছে সেসব কোম্পানিকে এ সূচকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ডিএসই-৩০ সূচক ছিল ১৪৭৮ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে। সূচকটিতে স্থান পাওয়া কোম্পানিগুলোর শেয়ারের অব্যাহত দরবৃদ্ধিতে বুধবার তা ২০০২ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। এ হিসেবে চলতি বছরের ১০ মাসে এ সূচকে স্থান পাওয়া কোম্পানিগুলো থেকে বিনিয়োগকারীরা গড়ে ৩৫ শতাংশের বেশি মুনাফা পেয়েছেন।

এ সূচকে জ্বালানি খাতের সাতটি কোম্পানি, ওষুধ খাতের পাঁচটি, ব্যাংকিং খাতের পাঁচটি কোম্পানি ছাড়াও সিমেন্ট, টেলিযোগাযোগ, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সেবা, খাদ্য ও অনুষঙ্গ, প্রকৌশল ও জীবন বীমা খাতের জায়ান্ট কোম্পানিগুলো রয়েছে।

বাজার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সিমেন্ট খাতের জায়ান্ট লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কোম্পানি থেকে সর্বাধিক মুনাফা পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এ কোম্পানির শেয়ার দর ৩৫ টাকায় থাকলেও গতকাল সেটি ১৩৬ টাকায় কেনাবেচা হয়েছে। এ সময় এ শেয়ারটির দর ৩৭০ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে এসিআই লিমিটেডের শেয়ার দর ১৮২ শতাংশ ও গ্রামীণফোনের শেয়ার দর প্রায় ১০০ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া উল্লিখিত সময়ে বিএটিবিসি ৭৩ শতাংশ, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট ৬০, বিএসআরএম স্টিলস ৬০, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজে ৬৯, স্কয়ার ফার্মায় ৪৫ ও রেনাটার শেয়ার দর ৪২ শতাংশ বেড়েছে।

 

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *