পাইলট প্রজেক্টে হাউজগুলোতে কারিগরি ত্রুটি

ipoনিজস্ব প্রতিবেদক :
পাইলট প্রজেক্ট বাস্তবায়নে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের বিভিন্ন সিকিউরিটিজ হাউজগুলোতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট হাউজগুলো বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ করছে না।

প্রজেক্ট বাস্তবায়নে স্বেচ্ছায় নিজেদের নাম তালিকায় লিপিবদ্ধ করে এখন সেবা দিতে পারছে না বেশকিছু সিকিউরিটিজ হাউজ। যার ফলে বিনিয়োগকারীদের পূর্বের নিয়মেই ব্যাংক লাইনের মাধ্যমে আইপিও জমা দিচ্ছেন।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া পাইলট প্রজেক্টের প্রথম দিন থেকে গতকাল পর্যন্ত হামিদ ফেব্রিক্সের আইপিও প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন সিকিউরিটিজ হাউজ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে জানা যায়, চলতি বছরে ১৫ জুলাইয়ের পর থেকে হাউজের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আইপিও আবেদন করার কথা থাকলেও সিকিউরিটিজ হাউজগুলোর কারিগরি ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে পাইলট প্রজেক্ট শুরু হয়নি। সফটওয়্যার স্থাপন না করা, এ সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক কাজ সম্পাদান না করার কারণে প্রথম দিকে বেশিরভাগ হাউজেই আইপিও আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়নি।

পাইলট প্রজেক্টের প্রথম দিকে ডিএসই ৬৬টি, সিএসই ৩৬টি এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) ১৬টি মার্চেন্ট ব্যাংকের তালিকা প্রকাশ করে। কিন্তু গত ১ সেপ্টেম্বর মাত্র অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে ডিএসই ১৭৪টি, সিএসই ৭৩টি এবং বিএমবিএ ৩৭টি মার্চেন্ট ব্যাংকের তালিকা প্রকাশ করে।

অন্যদিকে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা হাউজের মাধ্যমে আইপিওর আবেদন জমা করতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। পূর্বের নিয়মেই তাদের ভোগান্তি আর কষ্ট সহ্য করে ব্যাংকের মাধ্যমে আইপিওর আবেদন করতে হচ্ছে।

পরবর্তী আইপিওতে বিনিয়োগকারীরা পাইলট প্রজেক্টের আওতায় থাকতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট হাউজগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *