শাস্তির আওতায় আসছেন শেয়ার কেলেঙ্কারির হোতারা

bsecনিজস্ব প্রতিবেদক :

শাস্তির আওতায় আসছেন ২০১০ সালের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির হোতারা। ইতোমধ্যেই মোসাদ্দেক আলী ফালু ও স্টার শেয়ারবাজারের মালিক গোলাম মোস্তফাকে অর্থদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

অভিযুক্ত অন্য ১০ ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠানকেও শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

বিএসইসির কমিশনার প্রফেসর মো. হেলাল উদ্দিন নিজামী বলেন, শেয়ার কেলেঙ্কারি সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তিকে শাস্তি পেতে হবে। এ লক্ষ্যে বিএসইসি নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার বিরুদ্ধেই অভিযোগ চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হবে তাকেই শাস্তির আওতায় আনা হবে। এতে শেয়ারবাজারে আর এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না। সবাইকে শাস্তির আওতায় আনতে পারলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে।

শেয়ারবাজার কেরেঙ্কারীর সাথে প্রমানিত অভিযুক্তরা হলেন – ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বাদল, বাদলের স্ত্রীর বড় ভাই আহসান ইমাম ও তার স্ত্রী মেহজাবীন মোস্তফা ইমাম, আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. এইচবিএম ইকবাল, তার স্ত্রী সোমা আলম রহমান, বিনিয়োগকারী ইয়াকুব আলী খোন্দকার ও তার মেয়ে সারাহ খোন্দকার, ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা ও তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার, সাবেক সেনা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন ফকির ও তার স্ত্রী রোকসানা আমজাদ এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ব্যবসায়ী মনির উদ্দিন আহমেদ। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো, আওয়ামী লীগ সমর্থক ব্যবসায়ী নূর আলীর মালিকানাধীন ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস ও লুৎফর রহমান বাদলের মালিকানাধীন নিউ ইংল্যান্ড ইক্যুইটি।

গোলাম মোস্তফা ও তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার লতার বিরুদ্ধে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ১৭(ই) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধে বুধবার মোসাদ্দেক আলী ফালুকে ১ কোটি টাকা ও গোলাম মোস্তফাকে ৩ কোটি টাকা জরিমানা করেছে বিএসইসি।

শেয়ারবাজারে যাতে ২০১০ সালের পুনরাবৃত্তি না হয় সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সচেতন। শেয়ার কেলেঙ্কারির পুনরাবৃত্তি রোধেই অভিযুক্তদের শাস্তির আওতায় আনছে বিএসইসি। দোষীরা শাস্তি পেলে ভবিষ্যতে আর কেউ একাজ করার সাহস পাবে না বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/সি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *