মন্ত্রীদের জন্য আচরণবিধি তৈরির সুপারিশ

pmবিশেষ প্রতিনিধি :
বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র নেতা সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত মন্ত্রীসভার সদস্যদের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন মন্ত্রীদের বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে যাতে সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে না হয় সেজন্য একটি আচরণ বিধির প্রয়োজন রয়েছে। সম্প্রতি হজ নিয়ে মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকির বিতর্কিত মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এ কথা বললেন।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, আচরণ বিধি প্রণয়ন হলে সেটি মন্ত্রীদের জন্য সহায়ক হবে। তিনি বলেন আচরণ বিধি থাকলে মন্ত্রীরা তাদের সীমারেখা সম্পর্কে সচেতন থাকবে ।

সম্প্রতি আব্দুল লতিফ সিদ্দিকির বিতর্কিত মন্তব্য ছাড়াও ওর আগে বিভিন্ন সময় নানা ইস্যুতে মন্ত্রীদের বক্তব্য সরকারের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করেছিল ।

তবে ক্ষমতাসীন দলের আরেক সিনিয়র নেতা ও মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ অবশ্য মনে করেন আচরণ বিধি প্রণয়নের চেয়ে মন্ত্রীদের নিজের দায়িত্বশীলতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন যে কোন ব্যক্তির সীমারেখা তার নিজেকেই নির্ধারণ করা উচিত । “আচরণবিধি করে কোন লাভ হয় না।”

কিন্তু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মনে করেন দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার জন্যই আচরণবিধির প্রয়োজন । তিনি বলেন, ভারত ও ইংল্যান্ডে মন্ত্রীদের জন্য আচরণবিধি রয়েছে ।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, আচরণবিধি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তিনি দলীয় ফোরামে এবং সংসদে তুলে ধরার চেষ্টা করবেন ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এআর

ঈদের যানজটে পড়ে ১৯ ঘণ্টার দুঃসহ যন্ত্রণা

bbcনিজস্ব প্রতিবেদক :
ভোর সাড়ে ছটায় বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে রাজধানী ঢাকা থেকে দুশ মাইল দুরের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুর রওয়ানা হয়েছিলেন লীনা পারভিন। দুঃসহ যানজট পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছেছেন রাত একটারও পর।

এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, স্বজনদের সাথে ঈদ করার যে উৎসাহ নিয়ে বেরিয়েছিলেন, একসময় তা চরম হতাশা ছাপিয়ে দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছিলো। যানজট এড়াতে শুক্রবার ভোর সাড়ে ছ’টার মাইক্রো বাসে করে ঢাকা ছাড়েন লীনা পারভিন। কিন্তু লাভ হয়নি।

সাভারের আশুলিয়া গিয়েই ঐ সাত সকালেই যানজটে পড়ে যান। রীনার কথায়, “আশুলিয়া থেকে অল্প দুরের পথ গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত পৌছুতেই চার-পাঁচ ঘণ্টা লেগে যায়।”

সেই যানজট থেকে তারপর কোনো মুক্তি ছিলনা। গাড়ি যখন ঢাকা থেকে মাত্র ৬০ মাইল দুরের টাঙ্গাইল পৌঁছে তখন বেলা সাড়ে তিনটা। কিছু দুরের যমুনা ব্রিজ যেতে বিকলে সাড়ে পাঁচটা।

বাসা থেকে পথে খাওয়ার জন্য কিছু খাবার রান্না করে এনেছিলেন। গরমে একসময় সেসব নষ্ট হয়ে যায়।

“আমি একসময় চরম মাসসিক চাপের মধ্যে পড়ে যাই। বাচ্চারা অস্থির হয়ে পড়ছিলো। গরমে খাবার নষ্ট হয়ে গেল। গাড়ির ড্রাইভারকে অসুস্থ দেখাচ্ছিল। বুঝতে পারছিলাম কি করবো। কতক্ষণে যেতে পারবো। বাড়ি যাওয়ার সব উৎসাহ শেষ হয়ে গিয়েছিলো।”

তিনি বলেন, যারা বাসে, ট্রাকে করে যাচ্ছিলেন, তাদের দুর্ভোগ ছিল অবর্ণনীয়। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের।

কেন এই যানজট তা বোধগম্য হয়নি লীনা পারভিনের। জট ছাড়ানোর কোনো উদ্যোগও তিনি দেখেননি।

ঈদ উৎসবের জন্য বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন এখন লক্ষ লক্ষ মানুষ, কিন্তু এদের বেশিরভাগই বিভিন্ন মহাসড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে পড়ে মারাত্মক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, প্রায় সব কটি মহাসড়কেই এখন তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে, ফলে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে কোন কোন ক্ষেত্রে দ্বিগুণ-তিনগুণ সময় লাগছে।
স্টকমার্কেটবিডি.কম/এআর/

ভারতের শেয়ারবাজার ২-৬ অক্টোবর বন্ধ

bseস্টকমার্কেট ডেস্ক :
দেশের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গাপুজার জন্য ভারতের শেয়ারবাজার ২ অক্টোবর থেকে ৬ অক্টোবর বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী ৭ অক্টোকর থেকে যথারীতি লেনদেন হবে।

এদিকে দেশের সবচেয়ে বড় শেয়ারবাজার মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জে বিএসই সূচক ২৬ হাজার ৫৬৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সর্বশেষ কার্যদিবসে এই সূচক ২৩ শতাংশ হারে ৬২ পয়েন্ট কমে। অন্যদিকে এনএসই সুচক ২৪ শতাংশ বা ১৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৭ হাজার ৯৪৫ পয়েন্টে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/সি

স্বস্তিতে রাজধানী ছেড়েছে বিনিয়োগকারীরা

dseনিজস্ব প্রতিনিধি :
এবারের ঈদুল আযহা ও পুজার ছুটিতে কিছুটা হলেও স্বস্তি নিয়ে শিকড়ের টানে রাজধানী ছেড়েছে বিনিয়োগকারীরা। চলতি সপ্তাহে শেয়ারবাজারে লেনদেন উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করায় বিনিয়োকারীরা আনন্দের চাদর জড়িয়ে ঈদ করতে গ্রামে ছুটতে ব্যস্ত রয়েছেন। এভাবেই সাংবাদিকদের কাছে অভিমত ব্যক্ত করেন শেষদিন স্বপরিবারের গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য পরিবহেনর অপেক্ষায় থাকা এক বিনিয়োগকারীরা।

দেশের উভয় শেয়ারবাজারে ঈদের আগে মাসব্যাপি লেনদেন ও সূচক বেড়েছে। সূচক ও গড় লেনদেন বাড়ায় স্বস্তিতে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এর ফলে বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শেষে শিকড়মুখী বিনিয়োগকারী সহ বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের ভিড় জমে গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, গুলিস্থান বাসস্ট্যান্ডেগুলোতে। অন্যদিকে কমলাপুরে রেলস্টেশনে মানুষের ভির ছিল লক্ষ্য করার মত। দিকভ্রান্ত বহু মানুষ ছোটাছুটি করে বাসের কাউন্টার থেকে কাউন্টারে। মুহূর্তেই ভরে যাচ্ছে উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের রুটে চলাচল করা বাসগুলো। এ যেন চলছে ঘরেফেরা মানুষের প্রতিযোগিতা। তবে আজ ঈদের আগেরদিন বলেই এ ভিড় এতটা নয়।

ঢাকার মতিঝিল এলাকায় কয়েক সিকিউরিটিজ হাউজের ঊর্ধ্বন কর্মকর্তারা জানান, এবারে ঈদে অনেক কর্মচারীদের বোনাস দেয়া হয়েছে। মুখ বুজে কাজ করে বেতনের আশায়। আর সেই বেতন সাথে বোনাস তাদের খুশির মাত্রাটা বাড়িয়ে দেয়।
কথাপকথনের এক পর্যায়ে বিনিয়োগকারী আবদুর রশিদ প্রামানিক বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ ঈদ মানে খুশি। কিন্তু বিগত মন্দা বাজারের কারণে কয়েকটা ঈদ কেটেছে কষ্টের যন্ত্রনায়।

তিনি আরো বলেন, এবারের ঈদ আমাদের কাছে ব্যতিক্রম। পরিবারের সকলের জন্য নতুন নতুন জামা কাপড় নিয়ে যাচ্ছি গ্রামে। তাই আগামী বছরগুলোতে এবাবে ভালোভাবে ঈদ করার আশা প্রকাশ করে তিনি।

এদিকে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, দেশের উভয় শেয়ারবাজারে মাসব্যাপি লেনদেন ও সূচক বেড়েছে। সূচক ও গড় লেনদেন বাড়ায় স্বস্তিতে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। ডিএসই ও সিএসই গড় লেনদেন এবং সূচক বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। গেল সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে গড় লেনদেন না বাড়লেও সূচক বেড়েছে। তবে চট্টগ্রাম স্টক সিএসই লেনদেনসহ সূচক বেড়েছে। এ সপ্তাহজুড়ে ডিএসই সূচক বেড়েছে ২১১ পয়েন্ট। এ সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছে ৯৫৯ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের গড় লেনদেন হয়েছে ১১০৩ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহে গড় লেদেন হয়েছে ৯১৯ কোটি টাকা। এরও আগের সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছে ৫৭৩ কোটি টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এআর/সি