দরবৃদ্ধির শীর্ষে জেড ক্যাটাগরির ঝিল-বাংলা

millস্টকমার্কেট ডেস্ক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল দরবৃদ্ধিতে এগিয়ে থাকা কোম্পানির তালিকায় শীর্ষে ছিল খাদ্য খাতের ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানি ঝিল-বাংলা সুগার মিলস। এ কোম্পানির লেনদেন ও শেয়ারের দরবৃদ্ধিকে অযৌক্তিক বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির কর-পরবর্তী লোকসান হয়েছে ৬ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ১০ টাকা ৪৩ পয়সা। তবে আগের হিসাব বছরের এ তিন মাসে মুনাফা হয় ৩৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৬৭ পয়সা।

১৯৮৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানি গত এক যুগে কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। বর্তমানে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৬ কোটি টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১৩৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এআর/সি

সাপ্তাহিক হিসাবে শেয়ারবাজার লেনদেন বৃদ্ধি

DSE-UP-4400-728x387নিজস্ব প্রতিবেদক :

সাপ্তাহিক হিসাবে দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) গড় লেনদেন ও সূচক দুটোই বৃদ্দি পেয়েছে।

সমাপ্ত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে দশমিক ২৬ শতাংশ। আর সিএসইতে বেড়েছে ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। লেনদেনের সঙ্গে সব ধরনের সূচকও বেড়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আগের সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ৭৯৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার। আর সমাপ্ত সপ্তাহে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৮১০ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার। এ হিসাবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে দশমিক ২৬ শতাংশ।

এই লেনদেনের মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯০ দশমিক ১৮ শতাংশ; ‘বি’ ক্যাটাগরির ২ দশমিক ০৯ শতাংশ; ‘এন’ ক্যাটাগরির ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ২ দশমিক ০৩ শতাংশ।

ডিএসইর প্রধান সূচক সপ্তাহের ব্যবধানে ০ দশমিক ৯২ শতাংশ বা ৪৮ দশমিক ১২ পয়েন্ট বেড়েছে। আর ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে ০ দশমিক ২৩ শতাংশ বা ৪ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩১৫টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৯টির, কমেছে ১০৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টির। আর লেনদেন হয়নি ৩টি কোম্পানির।

এদিকে গত সপ্তাহে সিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ১৩ শতাংশ বা ১৮৩ পয়েন্ট।

গত সপ্তাহে সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৬৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৬৬টির, কমেছে ৯৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/সি

বিএসইসির নিরীক্ষায় শাহজিবাজারের মুনাফা কম

sahjibazerনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে প্রথমবারের মতো কোনো কোম্পানির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদেনের ওপর এমন নিরীক্ষা করল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি)।

কোম্পানিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে বিশেষ নিরীক্ষকের সুপারিশ অনুসারে আর্থিক প্রতিবেদন সংশোধন করে প্রকাশ করতে নির্দেশনা দিয়েছে বিএসইসি।

বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে করা বিশেষ নিরীক্ষায় সদ্য তালিকাভুক্ত শাহজিবাজার পাওয়ারের তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা কমেছে ১৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে কোম্পানির জবাব পাওয়ার পর স্টক এক্সচেঞ্জে এ শেয়ারের লেনদেন চালু হতে পারে।

এ বিষয়ে শাহজিবাজার পাওয়ারের কোম্পানি সচিব ইয়াসিন আহমেদ বলেন, এরই মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জে সংশোধিত আর্থিক প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। তবে স্টক এক্সচেঞ্জ এখনো তা প্রকাশ করেনি।

শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন বিষয়ে ১২ অক্টোবর বিএসইসির সহকারী পরিচালক মো. বনি ইয়ামিন খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমনটিই দেখা গেছে।

ওই চিঠিতে বলা হয়, কমিশনের নির্দেশনা অনুসারে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান এ কাশেম অ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস শাহজিবাজারের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে বিশেষ নিরীক্ষা চালায়। যেখানে বিশেষ নিরীক্ষক জানায় বকেয়া খরচ (ডেফার্ড রেভিনিউ এক্সপেন্ডিচার) ১৩ কোটি ২৬ লাখ ১৭ হাজার টাকা ও প্রাথমিক ব্যয় ৪৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকা বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড (বিএএস) অনুসারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/সি

একমি ল্যাবরেটরিজের প্রাথমিক নির্দেশক মূল্য

acmeeস্টকমার্কেট ডেস্ক :
বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে একমি ল্যাবরেটরিজের প্রাথমিক নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব দাখিলের সময় বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। দাখিল করা দর প্রস্তাব পর্যালোচনা করে একমির নির্দেশক মূল্য ৭৫ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

পরবর্তী সময়ে একমি ল্যাবরেটরিজের বিডিংকৃত নির্দেশক মূল্য অনুমোদনের জন্য শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) জমা দেওয়া হবে। কমিশন সার্বিক দিক বিবেচনা করে তা চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে। এর পর কোম্পানিটির শেয়ার কত টাকায় লেনদেনযোগ্য তা নির্ধারণের জন্য বিডিং শুরু হবে।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে রোড শো অনুষ্ঠিত হয়। ওই রোড শো শেষ হওয়ার পর ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ইস্যু ম্যানেজার আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট ও একমি ল্যাবরেটারিজের কাছে এ সব অফার লেটার জমা দেওয়া হয়।
স্টকমার্কেটবিডি.কম/এআর/সি