সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে আইডিএলসি

idlcস্টকমার্কেট ডেস্ক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহ জুড়ে লেনদেনের শীর্ষে ছিল আইডিএলসি ফিন্যান্স।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহ জুড়ে আইডিএলসি ৭১ লাখ ৮৯ হাজার ৫৪৮টি শেয়ার ৫৮ কোটি ৪৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় লেনদেন করেছে।

এদিকে গত সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে তালিকায় থাকা আরও ৬ কোম্পানির। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের (বিবিএস) লেনদেন বেড়েছে ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এই কোম্পানির ১ কোটি ৩৪ লাখ ৩ হাজার ৮৯১টি শেয়ার ৫৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় লেনদেন হয়েছে।

সাইফ পাওয়ারটেকের লেনদেন বেড়েছে ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে এই কোম্পানি ৬৮ লাখ ৬২ হাজার ৭৩৯টি শেয়ার ৫১ কোটি ৪৩ লাখ টাকায় লেনদেন করেছে।

এছাড়া লেনদেনের তালিকায় থাকা ডেসকোর দশমিক ৫৫ শতাংশ, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং ফু-ওয়াং ফুডের ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ লেনদেন বেড়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এলকে

সপ্তাহ শেষে সূচক পতন টোকিও শেয়ারবাজারে

japanস্টকমার্কেট ডেস্ক :

গতকাল শুক্রবার বড় ধরনের সূচক পতনের মধ্যদিয়ে সপ্তাহের লেনদেন শেষ হয়েছে টোকিও শেয়ারবাজারে। গতকাল একদিনেই সূচক পতন হয়েছে ২৪৪.৫৪ পয়েন্ট।

দিন শেষে নিক্কেই ইন্ডেক্স দাঁড়িয়েছে ১৬,৮৬৪.১৬ পয়েন্টে। সপ্তাহের শুরুতেই সূচক বেশ ভালো থাকলেও সপ্তাহ শেষে তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হল এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই শেয়ারবাজারটি।

এদিকে সূচক পতনের সুনির্দিষ্ট কারন জানা না গেলেও আমেরিকার শেয়ার সূচকের পতনে প্রভাব জাপানের বাজারেও পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট অনেকে মনে করছেন।

উল্লেখ্য, জাপানের ব্যাবসা-বানিজ্যের বিশেষ করে রপ্তানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ আমেরিকার সাথে সম্পাদিত হয়ে থাকে।গত কিছুদিন যাবৎ সূচক পতন অব্যহত ছিল মার্কিন শেয়ারবাজারে, যদিও গতকাল তা কিছুটা কাটিয়ে উঠেছে ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/তরি/এলকে

স্বস্তি ফিরছে ইউরোপের শেয়ারবাজারে

euস্টকমার্কেট ডেস্ক :

সপ্তাহ জুড়ে অস্থিরতার পর শুক্রবার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের শেয়ার বাজার। এদিন ইউরোপের সবগুলো সূচক ছিল উর্দ্ধগামী। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

গতকাল লন্ডন FTSE 100 Index ৫১.৪৯ পয়েন্ট বেড়ে ৬,৫৫০.২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া CAC 40 Index ৫৬.৪২ পয়েন্ট বেড়ে ৪,৩৭৯.৬২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে জার্মান DAX Index ১৩৫.১৬ পয়েন্ট বেড়ে ১০,১৬৭.৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে ।সপ্তাহ শেষে বেড়েছে মোট লেনদেনের পরিমানও। বাজারে স্থিতিশিলতা ফিরিয়ে আনতে গত বছর কেন্দ্রিয় ব্যাংকের নেওয়া পদক্ষেপের প্রভাব ইতিমধ্যে বাজারে পড়তে শুরু করেছে এবং আগামী মাস গুলোতে এর প্রভাবে বাজার আরও উর্দ্ধমুখী হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সূত্র- সিএনএন

স্টকমার্কেটবিডি.কম/তরি/এলকে

  1. বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস
  2. আইডিএলসি ফিন্যান্স
  3. সাইফ পাওয়ারটেক
  4. তিতাস গ্যাস
  5. ওয়েষ্টার্ণ মেরিণ
  6. গ্রামীণফোন
  7. ডেসকো
  8. এনভয় টেক্সটাইল
  9. স্কয়ার ফার্মা
  10. অগ্নি সিস্টেমস।

      1. বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস
      2. আইডিএলসি ফিন্যান্স
      3. সাইফ পাওয়ারটেক
      4. তিতাস গ্যাস
      5. ওয়েষ্টার্ণ মেরিণ
      6. গ্রামীণফোন
      7. ডেসকো
      8. এনভয় টেক্সটাইল
      9. স্কয়ার ফার্মা
      10. অগ্নি সিস্টেমস

ইউপিজিডির আইপিও আবেদন ১৮-২২ জানুয়ারি

upgdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ইউপিজিডিসিএল) আইপিও আবেদন গ্রহণ আগামীকাল ১৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে চলবে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা এই আবেদন জমা দিতে পারবেন আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র থেকে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১২টি ব্যাংক ও অনুমোদিত ২৭৫টি হাউজে আইপিওর অর্থ জমা দেওয়া যাবে। যেসব ব্যাংকে আইপিও জমা নেওয়া হবে – ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ইষ্টার্ণ ব্যাংক, আইসিবি, আইএফআইসি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, মিউচুয়াল ট্রাষ্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, ট্রাষ্ট ব্যাংক লিমিটেড ও প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড।

এসব ব্যাংকের ঢাকা ও ঢাকার বাইরের নির্ধারিত কিছু শাখায় আইপিওর টাকা জমা দিতে পারবে বিনিয়োগকারীরা। এছাড়ার ৩৮টি মার্চেন্ট ব্যাংক কোম্পানির আইপিও জমা নিবে।

ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বুক বিডিং পদ্ধতির আওতায় শেয়ারবাজারে ৩ কোটি ৩০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ২৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। এ জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ৬২ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭২ টাকা। কোম্পানির ১০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউপিজিডিসিএলের প্রতিটি শেয়ারের ইনডিকেটিভ মূল্য ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা ৬ ক্যাটাগরির ২৮টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী দ্বারা সমর্থিত হয়। পরবর্তীতে ৬৮ জন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর বিডিং এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইনডিকেটিভ মূল্য ৭২ টাকা (২০ শতাংশ আপার ব্যান্ডসহ) নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১১তম কমিশন সভায় ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ইউপিজিডিসিএল) আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এএআর/এলকে

ব্রোকারেজ হাউজের জন্য পিছিয়ে নতুন ট্রেডিং

houseনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত ডিসেম্বরে নতুন সফটওয়্যার চালু হওয়ার পর থেকে লেনদেন কম হচ্ছে। লেনদেনে মন্দার জন্য ডিএসইর সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে ওই সফটওয়্যার অপারেটিং করার জন্য উইন্ডোজ-৮-এর লাইসেন্স কপি কম্পিউটারে ইনস্টল না করাকে দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

একই সঙ্গে অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউজ দক্ষ অনুমোদিত প্রতিনিধিকে বাদ দিয়ে কম বেতনে নতুন প্রতিনিধি নিয়োগ করছে। যার কারণে এ সফটওয়্যার অপারেটিং করার জন্য যে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন তা নতুন প্রতিনিধিদের না থাকায় অনেক বিনিয়োগকারী কম লেনদেন করছেন।

ডিএসইতে গত ১১ ডিসেম্বর নতুন স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ব্যবস্থার (অটোমেশন ট্রেডিং সিস্টেম) উদ্বোধন করা হয়। ওইদিন এর আগের সাড়ে ১৩ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়। ওইদিন ডিএসইতে লেনদেন হয় মোট ১৩৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ডিসেম্বরে ডিএসইতে নতুন সফটওয়্যার চালু হওয়ার পর লেনদেন ৫০০ কোটি টাকার নিচে নেমে গেছে।

সর্বশেষ গত বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হয় ৩৯০ কোটি টাকা। অথচ গত অক্টোবরেও হাজার কোটি টাকা লেনদেন হতো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিএসইর নতুন সফটওয়্যারটি অপারেটিং করতে প্রতিটি ব্রোকারেজ হাউজকে উইন্ডোজ-৮-এর লাইসেন্স কপি সংযোজন করতে বলা হয়। একই সঙ্গে জানানো হয় এ সফটওয়্যারটি কোনো কম্পিউটারে যদি না ইনস্টল করা হয় তবে ডিএসইর স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ব্যবস্থার ডিএসই ডিএসই- ফ্লেক্সটিপি নতুন সফটওয়্যার কাজ করবে না।

ডিএসইর এ নির্দেশনা থাকার পরো অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউজ উইন্ডোজ-৮- এর লাইসেন্স কপি সংযোজন করেনি। তাই ডিএসইর নতুন সফটওয়্যারটি অপারেটিং করতে পারছেন না অনুমোদিত প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে অদক্ষ ট্রেডাররা সফটওয়্যারটির অনেক কমান্ড এখনো বুঝতে পারছেন না।

সরেজমিন দেখা গেছে, অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউজের কম্পিউটারে উইন্ডোজ-৮-এর লাইসেন্স কপি নেই। তাই ডিএসইর নতুন সফটওয়্যারটি ঠিকমতো কাজ করছে না। কারণ ডিএসই-ফ্লেক্সটিপি নতুন সফটওয়্যার একটি উন্নতমানের সফটওয়্যার। তাই এটা অপারেটিং করতে হলে উইন্ডোজ-৮-এর লাইসেন্স কপির বিকল্প নেই।

হাউজগুলোর দাবি, অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউজ তাদের ব্যয় কমাতে নতুন অনুমোদিত প্রতিনিধি নিয়োগ করছেন। যার কারণে তারা বাজারে এসেই নতুন একটি লেনদেন পদ্ধতির মুখোমুখি হচ্ছেন। এ কারণে সমস্যা হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের। আর ট্রেডাররা সফটওয়্যারটির কমান্ড সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা না নিতে পারলে এখনই বিনিয়োগে ফিরতে চান না তারা।

ডিএসইর সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বর্তমান পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, ডিএসইর নতুন সফটওয়্যারটি চালু করার জন্য উইন্ডোজ-৮-এর লাইসেন্স কপি সংযোজন করতে বলা হয়েছে। এমনকি আমরা ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে দুটি করে সফটওয়্যার দিয়েছি। তবে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর শাখা অফিসে এ সফটওয়্যার সংযোজন না করলে তাতে তো সমস্যা হবেই।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এএআর

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে কমেছে পিই

peস্টকমার্কেট ডেস্ক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারের সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই) কমেছে।

সপ্তাহ শেষে ডিএসইর পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৮.১০ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহ শেষে অবস্থান করে ১৮.১৩ পয়েন্টে। অর্থাৎ সপ্তাহ শেষে ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে ০.১৪ শতাংশ বা ০.০৩ পয়েন্ট।

গত সপ্তাহে দেশের কার্যদিবস উভয় বাজারে সূচক বেড়েছে। সূচক বাড়ার কারণে বাজার পিইও কিছুটা বেড়েছে। পিই রেশিও ১৫ এর নিচে থাকাকে নিরাপদ বিবেচনা করা হয়। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পিই রেশিও একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। কারণ কোম্পানির শেয়ার দর কমা বা আয় বাড়লেই পিই কমে। তবে গত সপ্তাহে পিই কিছুটা বাড়লেও বাজারে বিনিয়োগের পরিবেশ রয়েছে বলেন মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এএআর