ব্যাংক এশিয়ার ১৫% লভ্যাংশ ঘোষণা

asia.smbdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি ব্যাংক এশিয়ার পরিচালনা পর্ষদের সভায় ১০ শতাংশ বোনাস এবং ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকালে কোম্পানির পর্ষদ সভায় এই লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

এই বৈঠকে ব্যাংকটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়।

ব্যাংক এশিয়ার বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)  আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১০ মার্চ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ

লিন্ডেবিডির ১১০% লভ্যাংশ ঘোষণা

lindeস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদের সভায় ১১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকালে কোম্পানির পর্ষদ সভায় এই লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

এই বৈঠকে কোম্পানির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়।

এ বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ৪০ টাকা ৭৫ পয়সা।

এই কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)  আগামী  ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১০ মার্চ।

গত বছরের আগস্ট মাসে কোম্পানিটি একই হিসাব বছরের জন্য ২০০ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। চূড়ান্ত লভ্যাংশের ফলে মোট লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়াল ৩১০ শতাংশ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ

সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংকের বোর্ড সভা শনিবার

siblস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠান সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংক লিমিটেডের বোর্ড সভা আহ্বান করা হয়েছে। আগামীকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার এ বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বোর্ড সভায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হতে পারে বলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ সভায় সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংকের বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হতে পারে।

আগের বছর ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছিল ১ টাকা ৭৮ পয়সা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ

রেল বাজেটে হতাশ ভারতের শেয়ারবাজার

sensexস্টকমার্কেট ডেস্ক :

রেল বাজেটে তেমন কিছু না-থাকার হতাশা। এবং শনিবার পেশ হতে চলা কেন্দ্রীয় বাজেটে কী থাকতে চলেছে, তা নিয়ে সংশয়। মূলত এই জোড়া চাপের জাঁতাকলেই বৃহস্পতিবার এক ধাক্কায় সেনসেক্স পড়ে গেল ২৬১.৩৪ পয়েন্ট। বাজার বন্ধের সময়ে দাঁড়াল ২৮,৭৪৬.৬৫ অঙ্কে।

এ দিন অবশ্য টাকার দাম ফের বেড়েছে। ডলারে লেনদেনের সাপেক্ষে তা বাড়ে ২২ পয়সা। দিনের শেষে এক ডলার থিতু হয় ৬১.৭৫ টাকায়। এই নিয়ে টানা তিন দিন বাড়ল টাকা।

সূচকের পতনের কারণে হিসেবে অনেকে এ দিন রেল বাজেটকে কাঠগড়ায় তুলেছেন ঠিকই। তবে শুধু এর জন্য বাজার পড়েছে বলে মানতে নারাজ বেশ কিছু বিশেষজ্ঞ। তাঁদের ধারণা, আগামী কাল কেন্দ্রীয় বাজেটের কথা মাথায় রেখেই লগ্নিকারীরা এ দিন হাতে থাকা শেয়ারের থলে অনেকটা হাল্কা করেছেন। কারণ, এই বাজেট কতটা কী মনের মতো হয়, তা দেখে নিয়ে তবেই তাঁরা আবার লগ্নির পথ ধরতে চান।

বৃহস্পতিবার ছিল ডেরিভেটিভ লেনদেনে শেয়ার হস্তান্তরের দিন। এটাও পতনের অন্যতম কারণ বলে বিশেষজ্ঞদের অনেকেরই ধারণা। প্রবীণ বাজার বিশেষজ্ঞ অজিত দে বলেন, “বেশ কয়েক দিন ধরেই বাজার পড়ছিল। তার উপর ডেরিভেটিভ লেনদেনে শেয়ার হস্তান্তরের দিন এসে যাওয়ায় লগ্নিকারীদের মধ্যে বিক্রির ধুম পড়ে। সূচকের পতনে ওই বিষয়টি ভাল রকম ইন্ধন জুগিয়েছে।”

অবশ্য রেল বাজেট খারপ হয়েছে বলে মানতে নারাজ ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রাক্তন সভাপতি এবং স্টুয়ার্ট সিকিউরিটিজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কমল পারেখ। তিনি বলেন, “যাঁরা বলছেন, রেল বাজেট ভাল হয়নি, আমি তাঁদের সঙ্গে একমত নই। বাজেটে আপাতদৃষ্টিতে চমক দেওয়ার মতো কিছু না-থাকতে পারে। কিন্তু ভাল করে খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে, দীর্ঘ মেয়াদে এই বাজেটে রেলের উন্নতির জন্য অনেক পরিকল্পনার কথাই বলা হয়েছে।” তাঁরও অভিমত, এ দিন শেয়ার বাজারের পতন পুরোপুরি রেল বাজেটের ফলে হয়নি। তিনি বলেন, “প্রথমত বাজার গত কয়েক দিন ধরেই পড়ছে। তার উপর সাধারণ বাজেটে কী থাকবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়ছে। তাই বাজেটের আগে সকলেই শেয়ার বেচে হাত খালি করে রাখতে চাইছেন। তাঁদের পরিকল্পনা, বাজেট দেখে ফের লগ্নি শুরু করা।”

অবশ্য শেয়ার বাজার মহলের একটা অংশ কিন্তু দিশাহীন রেল বাজটকেই সূচকের পতনের জন্য দায়ী করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এ দিনের বাজেটে রেল পরিষেবা এবং পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য লগ্নির ব্যাপারে অনেক বড় বড় পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেগুলি কী ভাবে রূপায়িত হবে, তার রূপরেখা স্পষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছেন রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু। তা ছাড়া রেলের যে ২৬ হাজার কোটি টাকার মতো ঋণ আছে, তা শোধ নিয়েও কোনও উল্লেখ নেই। প্রধানত এই সব কারণেই এটি খুশি করতে পারেনি শেয়ার বাজারকে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/টি/এএআর

ন্যাশনাল টিউবসের দর বাড়ার কারণ নেই

natস্টকমার্কেট ডেস্ক :

সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ন্যাশনাল টিউবস। দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে ২৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির পক্ষ থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে(ডিএসই) এ কথা জানানো হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে,  চলতি মাসের ২২ তারিখ থেকে শুরু করে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শেয়ারটিতে দর বেড়েছে। এরমধ্যে ২৩ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি অস্বাভাবিকহারে দর বেড়েছে শেয়ারটির। ২২ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত ৪ দিনে শেয়ারটির দর প্রায় ১২ টাকা বেড়ে প্রায় ১০০.৪০ টাকা থেকে ১১২.৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আবার, ২৩ ও ২৫ তারিখ উভয়দিনে প্রায় ৫ টাকা করে দর বেড়েছে শেয়ারটিতে। এর ফলে ২৩ ফেব্রুয়ারি শেয়ারটির দর প্রায় ১০১ টাকা থেকে প্রায় ১০৬ টাকা এবং ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রায় ১০৭ টাকা থেকে প্রায় ১১২ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এএআর

  1. শাহজিবাজার পাওয়ার
  2. আইডিএলসি
  3. ইউসিবিএল
  4. এসিআই
  5. লাফার্জ সুরমা
  6. এমজেএলবিডি
  7. সামিট এ্যালায়েন্স পোর্ট
  8. বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল
  9. স্কয়ার ফার্মা
  10. বঙ্গজ।

তৃতীয় প্রান্তিকে জিপিএইচ ইস্পাত মুনাফা কমেছে

gphস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্পাত শিল্প খাতের কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাত তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

এই প্রান্তিকে জিপিএইচ ইস্পাতের নীট মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৯৭ লাখ বা শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৭২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯ কোটি ৯৪ লাখ বা ০.৮০ টাকা। তবে কোম্পানিটির এসময়ে বা ৯ মাসে নীট মুনাফা হয়েছে ২৪ কোটি ৭১ লাখ বা ইপিএস ১.৯৮ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এএআর

ভ্যানগার্ডের ৪০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি

sonaliস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি ভ্যানগার্ড এএমএলকে ঋণ দিতে মিথ্যা তথ্যের আশ্রয় নিয়েছে সোনালী ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ও শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বর্তমান বিনিয়োগের তথ্য গোপন করে পরিচালনা পর্ষদ থেকে প্রতিষ্ঠানটির নামে ৪০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য পাঠানোর পর এ জালিয়াতি ধরা পড়েছে। জালিয়াতির দায়ে ব্যাংকের এমডিসহ স্বাক্ষরকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান বলেন, পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে ভুল তথ্য দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ায় সোনালী ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এখনও তাদের ব্যাখ্যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসেনি। ব্যাখ্যা আসার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে সিদ্ধান্ত হবে।

গত জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৪০৯তম সভায় ভ্যানগার্ডের ঋণপ্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য আলাদা দুটি স্মারকের মাধ্যমে উত্থাপন করা হয়। স্মারক প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্তসহ ঊর্ধ্বতন চারজন কর্মকর্তা।

প্রতিষ্ঠানটির আবেদন বিবেচনা করে ঋণ অনুমোদনের পক্ষে মত দিয়ে এতে বলা হয়, ব্যাংক তার মূলধনের ৫০ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। বর্তমানে ব্যাংকের নিজস্ব বিনিয়োগ রয়েছে ৩৩ দশমিক ২৯ শতাংশ। এ অবস্থায় ভ্যানগার্ডের ঋণপ্রস্তাবটি অনুমোদন করা যায়।

ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পরিচালনা পর্ষদ ঋণপ্রস্তাব অনুমোদন দেয়। এর পর অনুমতির জন্য পাঠানো হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে। মূলত জালিয়াতির তথ্য সেখানেই ধরা পড়ে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানতে পারে, আসলে সোনালী ব্যাংকের বর্তমানে শেয়ারবাজারে নিজস্ব বিনিয়োগ রয়েছে মূলধনের ৬৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আর ওই ঋণপ্রস্তাবে পর্ষদকে ৫০ শতাংশ বিনিয়োগ করা যায় বলা হয়েছে, আসলে তা হবে ২৫ শতাংশ। জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ার পর ঋণছাড় স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে জালিয়াতি করে ভ্যানগার্ডকে ঋণ দেওয়ার চেষ্টার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ব্যাংকের এমডিসহ স্মারকে স্বাক্ষরকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১০৯ ধারার আওতায় কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এই ধারার আওতায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের অপসারণ, জরিমানাসহ বিভিন্ন শাস্তি দেওয়া যেতে পারে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এএআর

  1. শাহজিবাজার পাওয়ার
  2. আইডিএলসি
  3. সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট
  4. ইউসিবিএল বাংলাদেশ
  5. সাবমেরিন ক্যাবল
  6. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট
  7. এসিআই
  8. এমজেএলবিডি
  9. ন্যাশনাল পলিমার
  10. এসিআই ফর্মুলেশন।

২৪ মার্চ থেকে তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও জমা

tasrifস্টকমার্কেট ডেস্ক :

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আবেদন শুরু হবে আগামী ২৪ মার্চ মঙ্গলবার। এই আবেদন চলবে ৩১ মার্চ মঙ্গলবার পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সুযোগ রয়েছে ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এছাড়াও আজ প্রত্রিকায় কোম্পানির PROSPECTUS ছাপা হয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৩৮তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি ৪৫ লাখ ৬৬ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৬ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৬ টাকায় কোম্পানিটিকে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৪৯ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৩৪  টাকা ৪১ পয়সা ।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এএআর