1. এমজেএল বিডি
  2. ইফাদ অটোস
  3. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট
  4. স্কয়ার ফার্মা
  5. গ্রামীণফোন
  6. বেক্সিমকো ফার্মা
  7. বেক্সিমকো লিমিটেড
  8. সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল
  9. সামিট এলায়েন্স পোর্ট
  10. ডেসকো।

ডিএসইতে সূচক বেড়েছে ৭৪ পয়েন্ট

dseনিজস্ব প্রতিবেদক :

টানা ছয় দিন দেশের উভয় শেয়ারবাজারের মূল্য সূচক বেড়েছে। এদিন টাকার অংকে লেনদেনও আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে। আজ মঙ্গলবার দিনের শুরুর দিকে সূচকে উন্নতির মাত্রা কম থাকলেও শেষভাগে সুচক তুলনামুলক বেশি বাড়ে।

এদিন দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৭৪ পয়েন্ট অর্থ্যাৎ ১.৫৭ শতাংশ বেড়েছে। যা চলতি বছরের মধ্যে সূচকের সর্বোচ্চ উত্থান। দিনশেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করছে ৪৭৮৬ পয়েন্টে। গত ছয় কার্যদিবসে ডিএসইর সূচক বেড়েছে ১৬৮ পয়েন্ট।

এদিন লেনদেন হওয়া ৩০৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৪টির, কমেছে ৩৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কোম্পানির শেয়ার দর। লেনদেন হয়েছে ২৯৯ কোটি ৪১ লাখ ৭৭ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

আগের দিন সোমবার ডিএসইতে ২৬৮ কোটি ১ লাখ ১৬ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এ দিন ডিএসইতে সবচেয়ে বেশী শেয়ার লেনদেন হয়েছে এমজেএল বিডি, ইফাদ অটোস, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, স্কয়ার ফার্মা, গ্রামীণফোন, বেক্সিমকো ফার্মা, বেক্সিমকো লিমিটেড, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, সামিট এলায়েন্স পোর্ট ও ডেসকো।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক ১৪৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৮৯১ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৩৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৪টির, কমেছে ৩৭টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির।

এদিন সেখানে লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ২২ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এলকে

পিছালো প্রাইম মিউচ্যুয়ালের রেকর্ড ডেট

mutualস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়্যাল ফান্ডের রেকর্ড ডেট স্থগিত করে এক দিন পিছিয়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, মিউচ্যুয়াল ফান্ডটির পরিবর্তিত রেকর্ড ডেট আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি বুধবার নির্ধারণ করেছে কোম্পানিটি।

এর আগে আজ ১০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়্যাল ফান্ডের রেকর্ড ডেট নির্ধিরণ করা হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এলকে

জিএসপি ফিন্যান্সের ইপিএস বেড়েছে

GSPFINANস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জিএসপি ফিন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে। গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরে এই কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭২ পয়সা যা ২৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেশি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আলোচ্য বছরে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭২ পয়সা। ২০১৩ সালে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ১ টাকা ৩৪ পয়সা।

কোম্পানিটির ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে ঘোষিত ৫৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার বিবেচনা করলে শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়ায় ১ টাকা ১১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৮৬ পয়সা।

সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানির কনসোলিডেটেড মুনাফার পরিমাণও বেড়েছে। কোম্পানিটি কর পরিশোধের পর মুনাফা করেছে ১১ কোটি ৫৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি কনসোলিডেটেড মুনাফা করেছিল ৯ কোটি ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

এদিকে ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানির রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর রিটেইন আর্নিংস বা অবন্টিত মুনাফা ৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এলকে

ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনে বাড়ছে ডিএসইর আয়

dseনিজস্ব প্রতিবেদক :

ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন (মালিকানা থেকে প্রশাসন পৃথকীকরণ) পরবর্তী প্রথম বছরেই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্চের (ডিএসই) আয়ে। সর্বশেষ বছরে (২০১৩-১৪) প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন আয় বেড়েছে সাড়ে ৯ কোটি টাকার উপরে। আর নিট মুনাফা বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা। অথচ এর আগের তিন বছর টানা আয় কমে ডিএসইর।

সর্বশেষ হিসাব বছর (২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত) শেষে ডিএসইর পরিচালন আয় হয়েছে ৭৩ কোটি ৭ লাখ ১৮ হাজার টাকা। যা আগের বছর (২০১২-১৩) ছিলো ৬৩ কোটি ৫০ ৬৯ হাজার টাকা। ২০১১-১২ অর্থবছরে এ আয়ের পরিমাণ ছিলো ৭৮ কোটি ৫০ লাখ ২৮ হাজার টাকা। আর ২০১০-১১ অর্থবছরে ছিলো ১৭৪ কোটি ৬০ লাখ ১৮ হাজার টাকা। অর্থাৎ ২০১০-১১ অর্থবছরের পর থেকে আগের বছরের তুলনায় ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা ডিএসইর আয় তিন বছর পর ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

ডিএসইর আয়ের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে ডিএসইর মোট আয় হয়েছে ১৯২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এর বিপরীতে পরিচালন ব্যয় হয়েছে ৫৪ কোটি ১২ লাখ টাকা। মোট আয় থেকে সার্বিক ব্যয় বাদ দিয়ে নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১৩৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এতে ডিএসইর শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ৭৪ পয়সা।

আগের বছর ডিএসইর মোট আয় ছিলো ১৭১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এর বিপরীতে পরিচালন ব্যয় হয় ৫৬ কোটি ২১ লাখ টাকা। মোট আয় থেকে সার্বিক ব্যয় বাদ দিয়ে নিট মুনাফা দাঁড়ায় ১১৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এতে শেয়ার প্রতি আয় হয় ৬৪ পয়সা।

বরাবরের মতো ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে ডিএসইর মোট আয়ের সিংহভাগ এসেছে সুদ আয় থেকে। এ খাতে আয় হয়েছে ১১৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা। যা ২০১২-১৩ সময়ে ছিলো ১০৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

সর্বশেষ বছরে আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে সদস্যদের চাঁদা, তথ্য বিক্রয়, ওটিসি মার্কেট, লাগা ও হাওলা চার্জ থেকে আয়। লাগা চার্জ ৩৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। হাওলা চার্জ ৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১০ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

সদস্যদের চাঁদা থেকে আয় ১১ লাখ ৩৭ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ১১ লাখ ৭২ হাজার টাকা। তথ্য বিক্রয় আয় ৩২ লাখ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫১ লাখ টাকা। আর ওটিসি মার্কেট থেকে আয় ৮ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৯ হাজার টাকা।

আয়ের অন্য খাতগুলোর মধ্যে তালিকাভুক্তির আয় আগের বছরের ১১ কোটি ২৮ লাখ টাকার তুলনায় কিছুটা কমে হয়েছে ১১ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ট্রেকহোল্ডার (নতুন সদস্য) প্রবেশ ফি ৯০ লাখ থেকে কমে হয়েছে ৮০ লাখ। লেনদেন বহির্ভূত আয় ১ কোটি ৯ লাখ থেকে কমে হয়েছে ৩৮ লাখ টাকা। টিভি থেকে সাবস্ক্রিপশন আয় ৭২ লাখ টাকা থেকে কমে হয়েছে ২৮ লাখ টাকা।

লভ্যাংশ আয় ৪ কোটি ৮ লাখ টাকা থেকে কমে হয়েছে ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ডিপি আয় ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা থেকে কমে হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা। ভাড়া বাবদ আয় আগের বছরের মতো ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকায় রয়েছে।

ট্রেডিং ওয়ার্ক স্টেশন চার্জ থেকে আয় হয়েছে ৩২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। আগের বছর এ খাতে কী পরিমাণ আয় হয়েছিলো তার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আর বিবিধ খাতের আয় ১ কোটি ২২ লাখ থেকে কমে হয়েছে ৫৫ লাখ টাকা।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ডিএসইর পর্ষদ সভার অনুমোদন নিয়ে ২০১৩-১৪ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ না দেওয়ারও বিষয়টিও অনুমোদন দিয়েছে পর্ষদ। যা আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি বার্ষিক সধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। ওই দিন সন্ধ্যায় একটি পাঁচতারা হোটেলে এজিএমটি অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র জানায়, ডিএসইর বছর হিসাব করা হয় অর্থবছর ধরে। অর্থাৎ এক বছরের জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের জুন মাস শেষে ডিএসইর আয় ব্যয় হিসাব করা হয়।

আগের বছরের তুলনায় মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়াকে ইতিবাচক উল্লেখ করে ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, কৌশলগত বিনিয়োগকারীর কাছে স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার মূল্যকে আকর্ষণীয় করতে রিজার্ভ বড় রাখা প্রয়োজন। এ জন্য ডিএসইর আর্থিক ভিত আরও শক্তিশালী করতে হবে। এটি করা সম্ভব হলে ভবিষ্যতে শেয়ারহোল্ডাররা অনেক বেশি লাভবান হবেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এলকে

সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শুরু

index upনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের দুই শেয়ারবাজারে আজ মঙ্গলবার সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শুরু হয়েছে। দিনের এ সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৩৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে ।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ৩০ মিনিটে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৭৪৮ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৩০ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ২১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৭৭১ পয়েন্টে।

ডিএসইতে এসময়ে ৩২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ১৮৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩২টির, কমেছে ৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টির শেয়ার দর।

টাকার পরিমাণে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হচ্ছে- এমজেলবিডি, বেক্সিমকো লিমিটেড, ইফাদ অটোস, আরকে সিরামিকস, বেক্স-ফার্মা স্কয়ার ফার্মা, এসিআই, এসিআই ফরমুলেশন, সাপোর্ট ও ডেসকো।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এসময়ে ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক ৯৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৫১৬ পয়েন্টে। সিএসইতে প্রথম ৩০ মিনিটে মোট লেনদেন হয়েছে ৯৫টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬৪টির, কমেছে ১৬টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ

অকারণে দর বেড়েছে এসিআই ফরমুলেশনসের

aciস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার দর বাড়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে। দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে ৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার কোম্পানিটির পক্ষ থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে(ডিএসই) এ কথা জানানো হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১ ও ৮ ফেব্রুয়ারি ছাড়া গত ২৬ জানুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শেয়ারটির দর বেড়েছে। এ সময় শেয়ারটির দর ২৪ টাকা ১০ পয়সা বেড়ে ১১০ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১৩৫ টাকায় উন্নীত হয়েছে। ২৬ জানুয়ারি থেকে দরের উত্থান শুরু হলেও ৩, ৪ ও ৯ ফেব্রুয়ারি শেয়ারটির দর অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এস/এএআর

স্পট মার্কেটে এইচআর টেক্স ও পেনিনসুলা

spot..-2স্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে স্পট মার্কেটে যাচ্ছে। কোম্পানি দুটি হলো- এইচ আর টেক্সটাইল ও পেনিনসুলা।

রেকর্ড ডেটের আগে আগামী বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোম্পানিগুলোর লেনদেন স্পট মার্কেটে চলবে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিগুলোর বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এস/এএআর

নির্বাচনের নেতিবাচক প্রভাবে ভারতের শেয়ারবাজার

indiaস্টকমার্কেট ডেস্ক :

বুথ ফেরত জরিপ অনুসারে দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপি পরাজিত হতে পারে। বিশাল ম্যান্ডেটে কেন্দ্র শাসন করা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অর্থনীতি এগিয়ে নিতে মোদির প্রতিশ্রুত কাঠামোগত সংস্কারের পথেও একটি নৈতিক বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে এ নির্বাচন। বিনিয়োগকারীরাও কিছুটা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

সোমবার টানা সপ্তম দিনেও বিক্রয় চাপ অব্যাহত ছিল মুম্বাইয়ের শেয়ারবাজারে। খবর পিটিআই।

আজ আনুষ্ঠানিকভাবে দিল্লির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করবে ভারতের নির্বাচন কমিশন। সব জরিপেই এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি।

সোমবার টানা সপ্তম কার্যদিবসের মতো কমে ভারতের প্রধান শেয়ারসূচক বিএসই সেনসেক্স। দিন শেষে ১ দশমিক ৭১ শতাংশ বা ৪৯০ দশমিক ৫২ পয়েন্ট কমে সূচকটি ২৮ হাজার ২৩০-এর নিচে নেমে আসে, যা গত ১৬ জানুয়ারির পর সর্বনিম্ন।
ভারতের শীর্ষ ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যানুসারে, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা

ভারতের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়ানোর তুলনায় সিকিউরিটিজ বিক্রি করেছে বেশি, যা রুপির ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে। সোমবার ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রাটির মান ৬২ দশমিক ২০-এ নেমে যায়, যা গত তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন।

অবশ্য কেবল দিল্লির নির্বাচনকেই বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমার কারণ বলে মনে করছেন না বাজারসংশ্লিষ্টরা। সাম্প্রতিক করপোরেট আয় চিত্রটিও বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছে। ডিসেম্বর প্রান্তিকের প্রকাশিতব্য জিডিপি উপাত্ত নিয়েও কিছুটা আশঙ্কায় আছেন তারা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এস/এএআর