1. আমরা টেকনোলজিস
  2. বেক্সিমকো লিমিটেড
  3. ইফাদ অটোস
  4. গ্রামীণফোন
  5. এমজেএলবিডি
  6. বেক্সিমকো ফার্মা
  7. বাংলাদেশে সাবমেরিন
  8. সিভিও পেট্রো
  9. ফু-ওয়াং ফুড
  10. বরকতুল্লাহ ইলেকট্রো।

সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন

dseনিজস্ব প্রতিবেদক :

আগের দিনের ধারাবাহিকতায় দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচক বেড়েছে। তবে বৃহস্পতিবার আগের দিনের চেয়ে টাকার অঙ্কে লেনদেন কমেছে।

দিনশেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৩১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৮৪১ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ৩২৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আগের দিন বুধবার লেনদেন হয়েছিল ৩৪৬ কোটি ৯ লাখ ৮২ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩০৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২১৯টির, কমেছে ৫৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ার দর।

এ দিন ডিএসইতে সবচেয়ে বেশী শেয়ার লেনদেন হয়েছে আমরা টেকনোলজিস, বেক্সিমকো লিমিটেড, ইফাদ অটোস, গ্রামীণফোন, এমজেএলবিডি, বেক্সিমকো ফার্মা, বাংলাদেশে সাবমেরিন ক্যাবলস, সিভিও পেট্রো, ফু-ওয়াং ফুড ও বরকতুল্লাহ ইলেকট্রো।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৯৭৯ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৪৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৭টির, কমেছে ৪২টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির।

এদিন লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এলকে

অস্থিরতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে শেয়ারবাজার

index upনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় শেয়ারবাজারের পতন দীর্ঘায়িত হয়েছে। এ সময় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তায় মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর পাশাপাশি কমেছে বাজারের প্রায় ৮০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর। বিভিন্ন ইস্যুতে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিলেও বারবার হোঁচট খাচ্ছিল বাজার।

রাজনৈতিক বৈরী পরিবেশকে উপেক্ষা করে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় কার্যদিবসের পর থেকে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেনে ইতিবাচক অবস্থায় ফিরেছে। এ ধারাবাহিকতায় গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন টানা ১৮ কার্যদিবস পর ৩০০ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করেছে। এ ছাড়াও গত ৫ কার্যদিবসের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর বাড়ার গতি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, শেয়ার দর বাড়ার ধারাবাহিকতায় গড়ে প্রায় ৫৫ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে। যদিও

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ব্যতীত বাজারের জন্য নেগেটিভ কোনো ইস্যু না থাকায় টানা দরপতনের পর সক্রিয় হচ্ছে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। তাদের ইতিবাচক বিনিয়োগে সক্রিয় হবেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বাজারের সার্বিক লেনদেন ইতিবাচক অবস্থানে পৌঁছবে বলে মনে করছেন তারা।

রাজনৈতিক অস্থিরতায় বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও ফান্ডগুলোর মধ্যে প্রায় ৩৩ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর বিগত এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থায় নেমে এসেছিল।

ডিভিডেন্ড মৌসুম ও বাজার ইস্যুতে বিএসইসির সঙ্গে ডিএসইর বৈঠক, শেয়ারবাজার ইস্যুতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিবাচক ইঙ্গিতেও ইতিবাচক প্রবণতায় ফিরছিল না বাজার। তবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে সক্রিয় ভূমিকা পালন করায় আবারো বাজারের মোড় ঘুরেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রায় ২ মাস যাবৎ বাজারের সার্বিক লেনদেন নিম্নমুখী রয়েছে। এ সময় বাজারের সার্বিক লেনদেন সর্বনিম্ন ১৩৬ কোটি টাকায় নেমে এসেছিল। এদিকে, ৫ জানুয়ারির পর থেকে ২০ দলীয় জোটের টানা অবরোধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় ক্রম নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল উভয় পুঁজিবাজারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিকিউরিটিজের এক কর্মকর্তা বলেন, বাজারের লেনদেনের নিম্নমুখী প্রবণতায় উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা লেনদেনের মন্দাকে দীর্ঘায়িত করেছে। তবে, সম্প্রতি বিএসইসির সঙ্গে ডিএসইর বৈঠককে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। যদিও বাজার ইস্যুতে ডিএসইর পক্ষ থেকে তেমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

গেল দুই মাসের বাজার পতনের নেপথ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নতুন ট্রেডিং সফটওয়্যারই দায়ী করে আসছিল সিকিউরিটিজরা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এএআর

ফারইস্ট ফিন্যান্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

farestস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ফারইস্ট ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড বিনিয়োগকারী জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ২.৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বুধবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পর্ষদ সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।

এবছরে এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৩ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৩ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এএআর