এশিয়ান টাইগার এখন ৬ টাকায়!

mutualস্টকমার্কেট ডেস্ক :

সম্প্রতি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এশিয়ান টাইগার সন্ধানী গ্রোথ ফান্ডের ইউনিট প্রতি মূল্য হয়েছে ৬.১০ টাকা। ইস্যুমূল্য ১০ টাকার ফান্ডটি বৃহস্পতিবার ৫.৯০ টাকা থেকে ৬.২০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। ডিএসই ওয়েবসাইট সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

বাজার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, তালিকাভুক্তির পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি দর কমেছে। ১০ টাকার ইউনিট প্রতি সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ৭.৪০ টাকা থেকে নেমে হয়েছে ৬.১০ টাকা। ফান্ডটির মূল্য কমায় বিনিয়োগকারীদের বেশ ভাবিয়ে তুলেছে।

লেনদেনের প্রথম দিন ও দ্বিতীয দিনে অভিহিত মূল্যের চেয়েও কম দামে লেনদেন হয়েছে। এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের প্রতি ইউনিট প্রতি দ্বিতীয় দিন ১ এপ্রিল প্রতিটি ইউনিট সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৬.৯০ টাকায়।
প্রথম দিনে লেনদেন হয়েছে ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিট ৭ টাকা ৪০ পয়সায়। অথচ প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ছিল ১০ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এএআর

আইপিওতে আসতে রাণী স্টিল মিলসের চুক্তি স্বাক্ষর

rani steel-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের বৃহত্তম স্টিল এবং রি-রোলিং মিল রাণী রি-রোলিং মিলস লিমিটেড (আরআরএম) তার বহুমুখীনতা এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রমে অর্থায়নের লক্ষ্যে আইপিও-র মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্যে বাজারে সাধারণ শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আল-আরাফাহ ইসলামি ব্যাংকের সহযোগী পূর্ণাঙ্গ মার্চেন্ট ব্যাংক এআইবিএল ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ব্যবস্থাপক হিসেবে এই আইপিও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে।

আল আরাফাহ ইসলামি ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে সম্প্রতি দুটি কোম্পানির মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর হয় এ বিষয়ে। এআইবিএল সিএমএল এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ গোলাম সরোয়ার ভূঁইয়া এবং রাণী রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমন চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর প্রদান করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আল আরাফাহ ইসলামি ব্যাংকের চেয়ারম্যান বদিউর রহমান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এএআর

গত সপ্তাহে ৫ বীমাসহ ৮ কোম্পানির লভ্যাংশ

dividendনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৫ বীমা কোম্পানিসহ মোট ৮ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

লভ্যাংশ ঘোষণা আসা কোম্পানিগুলো হল— এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, শাশাঁ ডেনিমস, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ও পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি।

এবি ব্যাংক :
এবি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২.৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে, যার পরিমাণ আগের বছর ছিল ৫ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ বোনাস শেয়ার।

আইএফআইসি ব্যাংক :
আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে, যার পরিমাণ আগের বছরও একই পরিমাণ ছিল।

মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স :
মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, যার পরিমাণ আগের বছরও একই পরিমাণ ছিল।

নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স :
নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে, যার পরিমাণ আগের বছরও একই পরিমাণ ছিল।

সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স :
সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে, যার পরিমাণ আগের বছরও একই পরিমাণ ছিল।

শাশাঁ ডেনিমস :
চলতি বছরে তালিকাভুক্ত হওয়া শাশাঁ ডেনিমসের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে। আর এটি তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রথম লভ্যাংশ ঘোষণা।

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স :
বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, যার পরিমাণ আগের বছরও একই পরিমাণ ছিল।

পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স :
পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে, যার পরিমাণ আগের বছরও একই পরিমাণ ছিল।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এএআর

স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচা জুন থেকে

smart-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

শিগগির মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ লক্ষ্যে নতুন মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপ করেছে। গত সোমবার থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক লেনদেন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে অন্য শেয়ারবাজার সিএসই এরই মধ্যেই এটি চালু করেছে। তবে তা এখনও জনপ্রিয় হয়নি।

ডিএসইর ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী জুনের মধ্যে এ সুবিধা পুরোপুরি চালু করা যাবে। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা নিজেদের স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে নিজেই শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন। এ ছাড়া নিজের পোর্টফোলিওর অবস্থা জানতে এবং বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারদর পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

এমনকি পছন্দের শেয়ার ক্রয়ের মনস্থির করলে যে দরে শেয়ারটি কিনতে চান তা নির্ধারণ করে দিলে নির্দিষ্ট ওই দরে শেয়ারদর উঠলে স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ট বার্তা পাবেন তিনি। একইভাবে বিক্রির সময় দর নির্ধারণ করে দিলে শেয়ারটির বাজার মূল্য ওই মূল্যে পৌঁছাতেই বার্তা পেয়ে যাবেন বিনিয়োগকারী।

ডিএসইর কর্মকর্তারা জানান, লেনদেন চলাকালীন বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট শেয়ারের বেস্ট বাই অফার (বিড প্রাইস) ও বেস্ট সেল অফার (আস্ক প্রাইস) দেখতে পারবেন। অবশ্য ডিএসইর ডেস্কটপ ভিত্তিক ওয়েবসাইটে সর্বোচ্চ ১০টি করে বিড প্রাইস ও আস্ক প্রাইস প্রদর্শন করা হয়।

গত জানুয়ারিতে বিশ্বখ্যাত ডিএসই নাসডাক স্টক এক্সচেঞ্জের সহযোগী আইপি কোম্পানি নাসডাক ওএমএক্স এবং অপর এক বিশ্বখ্যাত কোম্পানি ফ্লেক্সট্রেড থেকে শেয়ার কেনাবেচার আধুনিক ট্রেডিং প্লাটফর্ম কিনেছে। ইন্টারনেটভিত্তিক এ ট্রেডিং প্লাটফর্মে ডেস্কটপ ছাড়াও মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমেও শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ রয়েছে। ডিএসই সে সুবিধাটিই নিতে যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালা বলেন, শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের সিংহভাগই চাকরিজীবী। ফলে অনেকেই মোবাইল বা টেলিফোনের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচা করেন। এতে নির্দিষ্ট দরে শেয়ার কেনাবেচায় অনেকে সমস্যায় পড়েন। মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন তারা।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ইতিমধ্যে এ সুবিধা চালু করেছে। তবে দেশের স্টক এক্সচেঞ্জের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচা তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এএআর

ডিএসইতে পিই বেড়েছে ০.৯৬%

PEনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে ০.৯৬ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সপ্তাহ শেষে ডিএসইর পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৬.১৫ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহ শেষে ছিল ১৬.০০-এ। অর্থাৎ সপ্তাহ শেষে ডিএসইর পিই রেশিও বেড়েছে ০.৯৬ শতাংশ বা ০.১৫ পয়েন্ট।

সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক পিইর হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ৬.৫৭ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ১০.৫৬, প্রকৌশল খাতের ২০.৯৫, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ২৬.৫৬, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১৩.৩৮, পাট খাতের ১৯০.০৯, বস্ত্র খাতের ১১.২২, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২৩.৫২, সেবা ও আবাসন খাতের ৩৮.৪১, সিমেন্ট খাতের ১৬.১৩, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১৪.৭৪, চামড়া খাতের ২৪.৪৯, সিরামিক খাতের ৩৪.৪১, বীমা খাতের ১৭.৬৫, বিবিধ খাতের ৩৫.৯৮, পেপার ও প্রকাশনা খাতের ১১.২৪, টেলিযোগাযোগ খাতের ২৪.০৬, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ১৪.০২।

আগের সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক পিইর হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিইর অবস্থান ছিল ৬.৪৮ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ১০.১৫, প্রকৌশল খাতের ২০.০৫, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ২৯.৫২, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১২.৩৪, পাট খাতের ১৭১.৪৬, বস্ত্র খাতের ১১.১৯, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২৩.৯৪, সেবা ও আবাসন খাতের ৩৫.৬৬, সিমেন্ট খাতের ২০.৯১, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১৪.৫৭, চামড়া খাতের ২৪.৭৫, সিরামিক খাতের ২৯.৮৭, বীমা খাতের ১৭.৪৮, বিবিধ খাতের ৩৫.১৯, পেপার ও প্রকাশনা খাতের ১০.৫৪, টেলিযোগাযোগ খাতের ২৪.৫৮, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ১৩.৮৩।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এএআর