দর বাড়ার শীর্ষে ইউনাইটেড এয়ার

dseস্টকমার্কেট ডেস্ক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার দর বাড়ার শীর্ষে ওঠে এসেছে ইউনাইটেড এয়ার। এদিন কোম্পানির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শেয়ার দর ৮.৬৯ শতাংশ বেড়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক লিমিটেড।  শেয়ার দর ৬.৭৮ শতাংশ বেড়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিল ইফাদ অটোস লিমিটেড।

এছাড়া দর বাড়ার শীর্ষ তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে- ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, ওরিয়ন ইনফিউশন, এসিআই ফরমুলেশন, সাইফ পাওয়ারটেক এবং বার্জার পেইন্টস দর বেড়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএজে

জাহিন স্পিনিংয়ের এজিএম ২৩ জুন

zahinস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত শিল্প খাতের প্রতিষ্ঠান জাহিন স্পিনিংয়ের ৮তম এজিএম আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ২৩ জুন সকাল ১০ টায় সুগন্ধা কমিউনিটি সেন্টার,  প্লট-৭৫/এ, রোড-৫/এ, সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯ এ এজিএমটি অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫  শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএজে

লাফার্জ সুরমার শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমছে

Lafarge-Surma-Cement smbdনিজস্ব প্রতিবেদক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি লাফার্জ সুরমা ‘জেড’ ক্যাটাগরি থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হতে যাচ্ছে। কোম্পানিটির ক্যাটাগরি উন্নতি হওয়ায় শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমে আসবে।

জানা যায়, কোম্পানিটির বোর্ড সভা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১১ জুন অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) বোর্ড সভা ঘোষিত লভ্যাংশে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি পাওয়া গেলে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হবে কোম্পানিটি।

বর্তমানে এ কোম্পানির শেয়ার নিষ্পত্তিতে সময় লাগছে ৯ কার্যদিবস। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হলে লাফার্জ সুরমার শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তিতে সময় লাগবে দুই কার্যদিবস।

২০০৩ সালে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে একমাত্র গ্রিনফিল্ড কোম্পানি হিসেবে তালিকাভুক্ত হয় লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। কোম্পানিটি ‘জি’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত হয়। তালিকাভুক্তির পর থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত লাফার্জ সুরমা তার শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ প্রদান করেনি। এ কারণে তালিকাভুক্তির দ্বিতীয় বছর থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে কোম্পানিটি। ২০১৪ সালের জন্য মধ্যবর্তীকালীন ৫ শতাংশসহ মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্তে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নতি হতে যাচ্ছে কোম্পানিটি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএজে

এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ১৩ জুন

Asia-Insurance-Limited SMBDস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের প্রতিষ্ঠান এশিয়া ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের বোর্ড সভা আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ১৩ জুন সকাল ১১ টায় এ বোর্ড সভাটি অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বোর্ড সভায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হবে। এছাড়া বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হতে পারে বলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের আগের বছর ২০১৩ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এএআর
স্টকমার্কেটবিডি.কম/এনএ

ডেল্টা লাইফের এজিএমের স্থান নির্ধারণ

deltaস্টকমার্কেট ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের প্রতিষ্ঠান ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) স্থান নির্ধারণ করেছে। আগামী ২১ জুনে এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও কোম্পানিটি পরবর্তীতে স্থান নির্ধারণ করবে বলে জানানো হয়। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২১ জুনের এজিএমটির ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে খুলনায় সোনাডাঙ্গায় অবস্থিত ডেল্টা লাইফ টাওয়ারে। এছাড়া এজিএমের অন্যান্য বিষয়গুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

২০১৪ সালের সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য এই ৩২তম এজিএমটি অনুষ্ঠিত হবে। গত ২৪ মে বোর্ড সভায় এই এজিএমের সময় ও তারিখ ঘোষণা করা হলেও স্থান নির্ধারণ করে পরবর্তীতে জানানো হবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এনএ

সিটি ব্যাংকের এজিএমের ভেন্যু পরিবর্তন

citi bankস্টকমার্কেট ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠান সিটি ব্যাংক লিমিটেড ৩২ তম বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) ভেন্যু পরিবর্তন করেছে। আগামী২৮ জুনে এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরি নতুন ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সিটি ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অনিবার্যকারণবশত ২৮ জুনের এজিএমটির ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে। এছাড়া এজিএমের সময়ও পরিবর্তন করা হয়েছে। বাকি অন্যান্য বিষয়গুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

২০১৪ সালের সমাপ্ত অর্থবছরের এই ৩২তম এজিএমটি রাজধানীর সেনানিবাসে অবস্থিত গোলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এনএ

সিএসইতে ৬৫ কোটি টাকার লেনদেন

cseস্টকমার্কেট ডেস্ক:

চট্রগাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মঙ্গলবার দিন শেষে সিএসইতে ৬৫ কোটি টাকার লেদেন হয়েছে। সিএএসপিআই সূচক কমেছে ৪৪.২৬ পয়েন্ট। সিএসই সূত্র এ তথ্য জানা গেছে।

সিএসইর তথ্য অনুযায়ী, এদিন সিএসইতে ৬৫ কোটি ৮৫ লাখ ১০ হাজার ৮০৯ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিন সোমবার হয়েছিল  ৮৩ কোটি ৩৭ লাখ ৬৩ হাজার ৯১৮ টাকার লেনদেন।

দিনভর সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয় ২৩৩ টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৩ টির, কমেছে ১২৭ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩ টির শেয়ার দর।

চট্রগাম স্টক এক্সচেঞ্জে সিএএসপিআই সূচক ৪৪.২৬ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৯৩৪ দশমিক ৩৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সিএসইতে টাকার পরিমানে লেনদেনের শীর্ষে ফার সিমেন্ট এবং ইউনাইটেড এয়ার।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএজে

ডিএসইতে কমেছে সূচক ও লেনদেন

idex smdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

দেশের বড় শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার দিন শেষে কমেছে সবধরণের সূচক। টাকার পরিমাণে আগের দিনের চেয়ে কমেছে লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, এদিন ডিএসইতে ৪৬৭ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিন সোমবারে হয়েছিল ৫৮৬ কোটি  ৫ লাখ টাকা।

দিনভর ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয় ৩১২ টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৮ টির, কমেছে ১৪৩ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১ টির শেয়ার দর।

ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ২৮ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫১৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১০৯৪ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএস৩০ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৭৩৮ পয়েন্টে।

টাকার পরিমাণে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানির হচ্ছে- ইউনাইটেড এয়ার, বাংলাদেশে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড, খুননা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, সামিট পাওয়ার, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেড, এএফসি এগ্রো বায়োটিস লিমিটেড, এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএজে

সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও অনুমোদন

simtex-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে অনুমোদন পেয়েছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এর ৫৪৭তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মূখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২০ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে মূলধনী বিনিয়োগ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন অর্থায়ন ও আইপিওর কাজে ব্যয় করবে।

২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩৩ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ১৯ টাকা ৬০ পয়সা ।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড ও ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এএআর

বিকল্প বিনিয়োগ আইনের খসড়া, জনমত যাচাইয়ে দুই সপ্তাহ

bsecনিজস্ব প্রতিবেদক:

বিকল্প বিনিয়োগ-২০১৫ এর খসড়া প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত ২ জুন বিএসইসি’র ৫৪৬তম কমিশন সভায় এর অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জনমত যাচাইয়ের জন্য ইতোমধ্যে বিকল্প বিনিয়োগ আইন ২০১৫-এর খসড়া সংবাদপত্রে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদেরকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তাদের মতামত, উপদেশ বা অভিযোগ বিএসইসিকে জানাতে বলা হয়েছে।

কমিশনের কাছে জনমত যাচাইয়ের সুপারিশমালা গ্রহণযোগ্য মনে হলে খসড়ায় প্রয়োজনীয় সংযোজনী আনা হবে, নতুবা কোন সংযোজনী ছাড়াই চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, বিকল্প বিনিয়োগ আইন ২০১৫-এর খসড়ায়, বিনিয়োগকারীর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে- নিবন্ধিত বিদেশি ফান্ড ম্যানেজারের দেশীয় প্রতিষ্ঠান বা দেশে ও বিদেশে নিবন্ধিত কোনো কোম্পানি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা দেশীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বীমা কোম্পানি বা মার্চেন্ট ব্যাংক বা স্টক ডিলার বা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বা অন্য কোনো ফান্ড ম্যানেজার দ্বারা পরিচালিত বিকল্প বিনিয়োগ তহবিল বা নিবন্ধিত পেনশন ফান্ড বা নিবন্ধিত প্রভিডেন্ট ফান্ড বা নিবন্ধিত ট্রাস্ট ফান্ড বা নিবন্ধিত সুপার এনোয়েশন ফান্ড (এক ধরনের পেনশন ফান্ড) বা বিদেশি ফান্ড বা বিদেশি নাগরিক বা উচ্চ উপার্জনশীল নাগরিক বা প্রবাসী বাংলাদেশি যারা যে কোনো ধরনের বিকল্প বিনিয়োগ ফান্ডে বিনিয়োগের ঝুঁকি ও সম্ভাব্য রিটার্ন সম্পর্কে অবগত।

এছাড়া ফান্ড ম্যানেজারদেরকে এ ফান্ড পরিচালনার জন্য বিএসইসি’র কাছ থেকে নিবন্ধন গ্রহণ করতে হবে। নিবন্ধন ছাড়া কেউ ফান্ড পরিচালনায় অংশ নিতে পারবে না। ফান্ড ম্যানেজারদের নিবন্ধন ফি ধরা হয়েছে বার্ষিক ৫০ হাজার টাকা এবং ফি প্রদানে ব্যর্থ হলে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।

খসড়ায় আরো বলা হয়েছে, সাধারণ ফান্ড বা ইসলামী ফান্ড দুইভাবেই পরিচালনা করা যাবে। বিকল্প বিনিয়োগ ফান্ডের আকার ন্যূনতম ১০ কোটি টাকা হতে হবে এবং ফান্ডের শুরুতে স্পন্সরকে ফান্ডের মোট আকারের ন্যূনতম ১০ শতাংশ ধারণ করতে হবে। বিকল্প বিনিয়োগ ফান্ডের অর্থ আইপিও ব্যতীত শুধুমাত্র প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ৫০ লাখ টাকার ফান্ডের ইউনিট ক্রয় করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ২০০ জন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা যাবে। তাছাড়া তহবিলের ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ অর্থ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে।

তবে কোনো কারণে অতালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা না গেলে ফান্ডের বাকি অর্থ মানি মার্কেটে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য বিনিয়োগ করা যাবে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন সিকিউরিটিজ ও অন্য তহবিল ব্যবস্থাপক দ্বারা পরিচালিত বিকল্প বিনিয়োগ ফান্ডে তহবিলের বাকি ২৫ শতাংশ অর্থ বিনিয়োগ করা যাবে। তবে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোনো একক কোম্পানিতে ২৫ শতাংশের বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা যাবে না। শুধুমাত্র ইক্যুইটিতে এসব ফান্ড বিনিয়োগ করা যাবে।

কোনো ধরনের ঋণপত্রে এ ধরনের তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ করা যাবে না। তাছাড়া এ ফান্ড কোনো অবস্থায় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হবে না। এমনকি এ ধরনের ফান্ড কোনো কোম্পানিতে বিনিয়োজিত থাকলে সেই কোম্পানি দুই বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আবেদন জানাতে পারবে না। প্রতিটি ফান্ডের মেয়াদকাল নির্ধারিত হবে ৫ থেকে ১৫ বছর মেয়াদে। ফান্ড গঠনের সময় এর মেয়াদ নির্দিষ্ট করতে হবে। তাছাড়া বিকল্প বিনিয়োগ ফান্ড শুধুমাত্র তাদের ইউনিট হোল্ডারদের কাছে ডিক্লেরেশন প্রদান করবে এবং শুধু ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদান করতে পারবে। সেই সঙ্গে ফান্ডের বিনিয়োগ ইউনিট ইস্যুর তারিখ থেকে তিন বছরের জন্য লক থাকবে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকতার হোসেন সান্নামাত বলেন, এতদিন এ ধরনের ফান্ড গঠনে কোনো বিধি-বিধান ছিল না। এখন একটি বিধিমালা করার কারণে এ ধরনের ফান্ড গঠনের কার্যক্রম সুচারুভাবে করা সম্ভব হবে। এ ধরনের ফান্ডের অর্থ আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা যাবে না। প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে করতে হবে। এ ফান্ডের মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান অর্থ সংগ্রহ করলে তাকে বিএসইসি’র বিভিন্ন বিধিবিধান মেনে চলতে হবে। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে অধিকতর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। আগে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহে তেমন বিধি-বিধান না থাকায় এ নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের সুযোগ ছিল। কিন্তু এখন বিধিমালা প্রণয়ন করার ফলে স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান বলেন, বিকল্প বিনিয়োগ আইন ২০১৫-এর খসড়ার উপরে জনমত যাচাইয়ের জন্য ইতোমধ্যে সংবাদপত্রে আইনের খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদেরকে বিএসইসি’র কাছে মতামত প্রদান করতে হবে। কমিশন জনমত যাচাইয়ের সুপারিশসমূহ গ্রহণযোগ্য মনে করলে প্রয়োজনীয় সংযোজনী সাপেক্ষে আইনটি চূড়ান্ত করবে। এ ফান্ড শেয়ারবাজারে কি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেÑ এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, এ ফান্ড শেয়ারবাজারের বৈচিত্র্যতা আনয়নের সঙ্গে সঙ্গে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা করা যায়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এএআর