স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের কার্যক্রম স্থগিত

standard-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সাধারণ বীমা কোম্পানি স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। পুনঃবীমা না করে জালিয়াতির মাধ্যমে একই গ্রুপের মালিকানাধীন স্ট্যান্ডার্ড গার্মেন্টসের অগ্নিবীমার বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টার বিষয়টি তদন্তে বেরিয়ে আসায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইডিআরএ।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স বরাবর এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। আইডিআরএ সদস্য কুদ্দুস খান এ প্রসঙ্গে বলেন, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স যা করেছে তা বড় ধরনের অনিয়ম। আইন অনুযায়ী কোম্পানির লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২১ জুন রোববার থেকে পরবর্তী তিন মাসের জন্য স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটি নতুন কোনো বীমা পলিসি বিক্রি করতে পারবে না। নতুন বীমার কাভার নোট বা বীমা সনদও দিতে পারবে না। তবে আগের পলিসিগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারবে।

এর আগে স্ট্যান্ডার্ড গার্মেন্টসের আগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করে আইডিআরএ। কমিটি ১৮৯ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে। সেখানে স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, রাষ্ট্রায়ত্ত সাধারণ বীমা করপোরেশন (এসবিসি), এমনকি ক্ষয়ক্ষতি জরিপকারী প্রতিষ্ঠানগুলোরও পারস্পরিক যোগসাজশের চিত্র উঠে আসে।

প্রসঙ্গত, স্ট্যান্ডার্ড গার্মেন্টসের বীমা করা ছিল একই গ্রুপের প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সে। যদিও দুর্ঘটনার পর দাবিকৃত বীমা অঙ্কের বিপরীতে যথাসময়ে এসবিসিতে পুনঃবীমা করেনি স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স। তার পরও স্ট্যান্ডার্ড গার্মেন্টসের পলিসির বিপরীতে পুনঃবীমা দাবি গ্রহণ করেছে এসবিসি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

ডিএসইতে পিই ০.১৪ শতাংশ বৃদ্ধি

peস্টকমার্কেট ডেস্ক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে ০.১৪ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বর্তমানে ডিএসইর পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৫.৫৫ পয়েন্টে, যা গত সপ্তাহের শুরুতে ছিল ১৫.৫৩-এ। অর্থাৎ সপ্তাহ শেষে ডিএসইর পিই রেশিও বেড়েছে ০.০২ পয়েন্ট বা ০.১৪ শতাংশ।

বর্তমানে খাতভিত্তিক পিইর হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ৮.৭৫ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ২৭.৭৪, প্রকৌশল খাতের ২৯.৭১, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ২৭.৬৫, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১২.২২, পাট খাতের ১২২.৪২, বস্ত্র খাতের ১০.৭২, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২২.৪৩, সেবা ও আবাসন খাতের ৩৫.৮৮, সিমেন্ট খাতের ১৭.২৬, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১৯.৩৭, চামড়া খাতের ১১৩.৯৮, সিরামিক খাতের ২৭.২২, বীমা খাতের ১৫.৩০, বিবিধ খাতের ২৬.০৬, পেপার ও প্রকাশনা খাতের ১৫.২০, টেলিযোগাযোগ খাতের ২১.৬০, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ১৫.৪৬।

এদিকে ক্যাটাগরিভিত্তিক হিসাবে ‘এ’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ১৬.০৯ পয়েন্টে, ‘বি’ ক্যাটাগরির ১১৮.৮৫, ‘জেড’ ক্যাটাগরির ১৩০.১২ এবং ‘এন’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ২০.৯০ পয়েন্টে।
স্টকমার্কেটবিডি.কম/