সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে বিআইএফসি

bifcস্টকমার্কেট ডেস্ক :

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দর পতনের শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্সিয়াল কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি)। এ সময় কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের দর ২৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ কমেছে। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত সপ্তাহে প্রতিদিন এই কোম্পানির ৪৩ লাখ ৯ হাজার ২৫০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরোসপ্তাহে ১ কোটি ৭২ লাখ ৩৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

লুজারের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড। আলোচিত সপ্তাহে এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের দর ১৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ কমেছে। গতসপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৫০০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরোসপ্তাহে কোম্পানিটির ৭ লাখ ৮২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

লুজারের তৃতীয় স্থানে থাকা এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের দর কমেছে ১১ দশমিক ৪ শতাংশ। এই কোম্পানিটি প্রতিদিন ৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে। আর পুরোসপ্তাহে কোম্পানিটির ৩৫ লাখ ৯২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

লুজারে থাকা অন্য কোম্পানির মধ্যে মুন্নু সিরামিকের ১০ শতাংশ, প্রগ্রেসিভ লাইফের ৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ,স্যালভো কেমিক্যালের ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ , লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের ৫ দশমিক ১১ শতাংশ, পিপলস ইন্স্যুরেন্সের ৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ, আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং আল-হাজ্ব টেক্সটাইলের ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার দর কমেছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এএআর

সপ্তাহে লেনদেনের সঙ্গে সূচক বৃদ্ধি

dseনিজস্ব প্রতিবেদক :

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের সঙ্গে বেড়েছে সব ধরনের মূল্য সূচক। এ সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ২ দশমিক ৩১ শতাংশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৮৮৫ কোটি ৪১ লাখ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৮৪২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার। এ হিসাবে আগের সপ্তাহের চেয়ে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৪২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার।

সপ্তাহ জুড়ে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮৫ দশমিক ১৭ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ২ দশমিক ২১ শতাংশ, ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১১ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে দশমিক ৮৯ শতাংশ।

এদিকে, ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ বা ১১৭ দশমিক ৩০ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএস৩০ সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ বা ৫৭ দশমিক ২৫ পয়েন্ট। অপরদিকে শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ বা ২৩ দশমিক ৭৩ পয়েন্টে।

এসময় ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩২৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২২৯টির, কমেছে ৭২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি শেয়ারের। আর কোনো লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/

বাকি ৩০০ কোটি টাকাও ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক

bbনিজস্ব প্রতিবেদক :

ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সহায়তার লক্ষ্যে গঠিত তহবিলের তৃতীয় ও শেষ কিস্তির অর্থ ছাড় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন বাবদ সহায়তা তহবিলের ৯০০ কোটি টাকার মধ্যে দুই কিস্তির ৬০০ কোটি টাকা এর আগে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। অবশিষ্ট তৃতীয় কিস্তির ৩০০ কোটি টাকা তহবিলের অর্থ বণ্টনের দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) অনুকূলে ছাড় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান বলেন, গত ৩০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক শেষ কিস্তির ৩০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে।

উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা আনয়ন ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে ২০১৩ সালের ৪ জুলাই ৯০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করা হয়। যার নাম রাখা হয় ‘পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সহায়তা তহবিল’। এরপর ১৯ আগস্ট ওই তহবিল পরিচালনার জন্য প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী, তহবিলের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব আইসিবিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২৬ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক, তহবিলের প্রথম কিস্তির অর্থ বাবদ তিন শ’ কোটি টাকা এবং চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় কিস্তির ৩০০ কোটি টাকা ছাড় দেওয়া হয়।

এরপর ওই অর্থ বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডে (বিডিবিএল) জমা করা হয়। ওই তহবিল হতে ঋণ বিতরণের জন্য ৪৬টি মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকারেজ হাউসের ২২ হাজার ৬৩৪ জন ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ঋণের জন্য আবেদন জানায়। যার পরিমাণ ছিল ৫৭৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/