মেঘনা ব্যাংক ডিএসইর সদস্য পদ পেল

megna-smbdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্যপদ অধিগ্রহণের মধ্য দিয়ে ব্রোকারেজ ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছে মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড।

সম্প্রতি ডিএসইর সদস্য প্রতিষ্ঠান এবিএস সফদার অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড অধিগ্রহণ করে নতুন প্রজন্মের বাণিজ্যিক ব্যাংকটি। আগস্টে মেঘনা ব্যাংক সিকিউরিটিজ নামে কার্যক্রম শুরু করবে তাদের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানটি।

ব্যাংকটি জানিয়েছে, ১ জুলাই ডিএসইর সভায় মেঘনা ব্যাংক সিকিউরিটিজের পক্ষে ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) হস্তান্তর প্রক্রিয়া অনুমোদন হয়। সদস্য নং-১২৪। এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন-২০১৩ অনুযায়ী সম্পন্ন হয়। ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে এটিই প্রথম সদস্যপদ হস্তান্তর।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/বি

মাসব্যাপী একশ‌’র ঘরে সূচকের উঠা-নামা

dseস্টকমার্কেট ডেস্ক :

বিগত এক মাসব্যাপী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচকটি ৪৫৫০ পয়েন্ট হতে ৪৬৫০ অর্থ্যাৎ একশ‌’র ঘরেই উঠা-নামা করেছে। এসময় এই সূচক বেড়েছে প্রায় ৫৩ পয়েন্ট।

ডিএসইতে গত ১৪ জুন লেনদেন শেষে প্রধান সূচকের অবস্থান ছিল ৪৫৬৫ পয়েন্টে। যা এক মাস পরে ১৩ জুলাই দাঁড়ায় ৪৬১৮ পয়েন্টে। এসময় ১২ জুলাই সূচকে অবস্থান ছিল সর্বোচ্চ। এদিন লেনদেন শেষে সূচক অবস্থান করে ৪৬৪০ পয়েন্টে।

এ সময়ের মধ্যে ২১ জুন সূচক সর্বনিম্নে বা ৪৫৫০ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সর্বশেষ একমাসের মধ্যে সিএএসএসপিআই সূচকের অবস্থান সর্বনিম্নে ছিল গত ২১ জুন। সে দিন লেনদেন শেষে এই সূচকের অবস্থান নেমে আসে ১৩,৯০০ পয়েন্টে। কিন্তু ১৫ জুন সূচকের অবস্থান দাঁড়ায় ১৪,২৩০ পয়েন্টে। যা এসময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ।

গত ১৪ জুন সূচকের অবস্থান ছিল ১৪০৫০ পয়েন্টে। এক মাস পরে ১৩ জুলই এই সূচকে অবস্থান করে ১৪,০৩০ পয়েন্টে। এই হিসাবে সূচকটি প্রায় ২০ পয়েন্ট বেড়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/বি

 

শেয়ারবাজার স্থিতিশীলতায় আইপিও অনুমোদন বাড়াবে বিএসই

bseস্টকমার্কেট ডেস্ক :

মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসই) চলতি বছরে ৪০টি বড় কোম্পানি এবং ১০০ টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানিকে ইনিশিয়াল পাবলিক অফার (আইপিও) অনুমােদন দিতে চায়। ২০১০ সালে দেশটির শেয়ারবাজারে যে ক্ষতি হয়েছে তা পুশিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরাতে এই আইপিও আবেদন বাড়ানো উচিৎ বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৬টি বড় কোম্পানি আর ৩৫টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানিকে আইপিও অনুমোদন দেয় দেশটির শেয়ারবাজার। এতে মোট মূলধনের পরিমাণ ছিল ১২০০ কোটি রুপি। আগামী বছর এই মূলধন দাড়াবে প্রায় ১৫,০০০ কোটি রুপি।

এ প্রসঙ্গে বিএসই র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিশ কুমার চাওহান বলেন, কমিশন ইতিমধ্যে ৫৩ কোম্পানির প্রসপেক্টাস সংগ্রহ করেছে। তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করা এসব কােম্পানির মধ্যে ২৬টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানি।

তিনি বলেন, অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে আসতে চায়। শীঘ্রই তারা এই প্রক্রিয়া শুরু করবে। চলতি বছরে ৪০টি বড় কোম্পানি আর ১০০টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানিকে আইপিও অনুমােদন দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, আইপিও অনুমোদন বাড়লে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে আর সার্বিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/বি