রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মধ্যে সর্বোচ্চে জনতা

janata-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

জনতা ব্যাংক ২০১৫ সালের অর্ধবার্ষিক হিসাবে ৫১৭ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে, যা বিগত ২০১৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ১১২ কোটি টাকা বেশী।

সূত্র জানায়, অর্ধবার্ষিক হিসাবে জনতা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ মুনাফা করেছে। এ সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোনালী ব্যাংক ৩৯৯ কোটি, অগ্রণী ৪৯৭ কোটি এবং রূপালী ব্যাংক ১৩৭ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এনএ

আইপিও নিয়ে ডিএসই‌’র নতুন গেজেট প্রকাশ

dseনিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির নতুন আইনটি লিস্টিং রেগুলেশন গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ এখন থেকে কোম্পানির আইপিও যোগ্যতা যাচাই করবে। গত মঙ্গলবার ডিএসইর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়।

গেজেটে বলা হয়েছে, আইপিও আবেদনকৃত কোম্পানিকে এখন থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ দেশের দুটি স্টক এক্সচেঞ্জের নিকট হতে অনুমোদন লেটার নিতে হবে।

স্টক এক্সচেঞ্জকে ‘নো অবজেকশন’ চিঠি বিএসইসিতে জমা দিতে হবে। বিএসইসি পরবর্তীতে কোম্পানিকে আইপিওর অনুমোদন দেবে।

ডিএসই সুত্রে জানা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর (লিস্টিং) রেগুলেশনস্-২০১৫ গত ১২ জুলাই গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। সংশ্লিষ্ট সকলকে আগের রেগুলেশনের পরিবর্তে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেগুলেশনস্, ২০১৫ মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে।

উক্ত রেগুলেশনটি গত ১২ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়েছে। রেগুলেশনটি ডিএসই’র ওয়েবসাইটে নিচের লিংক এ পাওয়া যাচ্ছে।

দেখতে ক্লিক করুণ

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এনএ

ওটিসি মার্কেটে পুঁজি হারানোর শঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা

otcনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারের ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটের অনেক কোম্পানির অফিসও নেই, আবার অনেক কোম্পানির অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার পথে। কোনো কোনো কোম্পানিরই কারখানা তো নেই, এমনকি তাদের উৎপাদনও বন্ধ হয়ে গেছে। আর এসব ওটিসি মার্কেটের এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হাজার হাজার বিনিয়োগকারী নিজেদের পুঁজি হারানোর শঙ্কায় ভুগছেন।

জানা গেছে, ডিএসই এখন এসব কোম্পানিকে ওটিসি থেকে তালিকাচ্যুত করার কথা ডিএসই সূত্রে জানা যায়, ওটিসি মার্কেটের প্রায় ৬ হাজার বিনিয়োগকারীর হাতে কাগুজে শেয়ার রয়েছে। অস্তিত্বহীন এসব কোম্পানির ব্যবসাও বন্ধ থাকায় বিনিয়োগকারীরা কোনো লভ্যাংশ পায় না। আবার শেয়ার বিক্রিও করতে পারছেন না অনেক বিনিয়োগকারী। ফলে আটকে আছে তাদের বিনিয়োগ। আবার এসব কোম্পানির শেয়ারে আটকে আছে বিনিয়োগকারীদের টাকা। ফলে ক্রেতার অভাবে তারা তাদের ওই শেয়ার বিক্রিও করতে পারছেন না।

ওটিসি মার্কেটের এক বিনিয়োগকারী জানান, তিনি তিন মাস ধরে বিক্রির অর্ডার দিয়েও কোনো ক্রেতা না পাওয়ায় শেয়ার বিক্রি করতে পারছেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের এক সদস্য বলেন, ‘ওটিসি মার্কেটের উন্নয়নে এসইসি কাজ করে যাচ্ছে। এ ছাড়া ডিএসই ও সিএসই এ বিষয়ে তাদের প্রস্তাব এসইসিতে জমা দিয়েছে। যার ভিত্তিতে কমিশন একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির সুপারিশমালা বিবেচনায় নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব ওটিসি মার্কেটের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হবে।’

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশে গত বছরের প্রথম দিকে ডিএসই ১৯টি কোম্পানি তাদের কার্যক্রম ও কারখানা পরিদর্শন করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে, যার মধ্যে বেশির ভাগই তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে কোনো অস্তিত্ব নেই চারটি, কোনো উৎপাদন করে না ৯টি, আংশিক উৎপাদন করে চারটি এবং পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন করে দু’টি কোম্পানি।

উল্লেখ্য, কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ থাকলে, অব্যাহতভাবে লোকসান করলে, বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত লভ্যাংশ না দিলে, নিয়মিত কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) না করলে এসইসি ওইসব কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে পাঠায়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসইতে) বর্তমানে ওটিসি বাজারভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ৬৬ এবং সিএসইতে ৫৪টি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/বি