বঙ্গজের পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা

bangasস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বঙ্গজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একজন উদ্যোক্তা নিজের হাতে থাকা কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্র থেকে জানা যায়, রবিউল হক নামে এই উদ্যোক্তা তার হাতে থাকা প্রতিষ্ঠানটির ১০ হাজার শেয়ার বিক্রি করবেন।

আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তিনি এসব শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন করবেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ/এলকে

এইচআর টেক্সটাইলের বোর্ড সভা ১৬ জানুয়ারি

hr texস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত পোশাক শিল্প খাতের কোম্পানি এইচআর টেক্সটাইল লিমিটেডের ১৯(১) ধারায় বোর্ড সভা আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, এদিন বেলা ১২ টায় এই বোর্ড সভাটি অনুষ্ঠিত হবে।

আসন্ন বোর্ড সভায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লিস্টিং রেগুলেশন ১৯(১)ধারা অনুযায়ী ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হতে পারে।

এছাড়া বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে।

এইচআর টেক্সটাইল লিমিটেড গত বছর বিনিয়োগকারিদের জন্য ১২.৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ/এলকে

ডিএসইতে ৬০৮ কোটি টাকার লেনদেন

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের সামান্য পতনে শেষ হয়েছে লেনদেন। এদিন ডিএসইতে ৬০৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

রবিবার দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ১.২৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৬৭৪ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২.০৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১১২৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৬.৮৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭৬৪ পয়েন্টে।

এদিন দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৪৫টির, কমেছে ১৩৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর।

এদিন লেনদেন হয়েছে ৬০৮ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার। যা বৃহস্পতিবার ছিল ৬৪৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেনে শীর্ষ কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, আইটিসি, এমারেল্ড ওয়েল, খুলনা পাওয়ার, বেক্সিমকো লি., বিডি থাই, সামিট পাওয়ার, সাপোর্ট, এমজেএল বিডি ও আরএকে সিরামিকস ।

এদিকে রবিবার দিনশেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ১.২১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮৬৮৪ পয়েন্টে।

সিএসইতে দিনভর লেনদেন হওয়া ২৩৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১০৫টির, কমেছে ৯৬টির ও দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। এদিন টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ/এলকে

লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় আইটি কনসালটেন্স

ITC-Logo-230x155স্টকমার্কেট ডেস্ক :

লেনদেনের প্রথম দিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন শীর্ষ তালিকায় ছিল।

দিনভর কোম্পানিটির শেয়ার ৫৮ -৩৫ টাকার মধ্যে লেনদেন হয়। দিনের সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৪৬.৫০ টাকায়।

ডিএসইতে টাকার পরিমানে কোম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি টাকা। আর সিএসইতে এই লেনদেন ছিল ৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সেখানে লেনদেনের প্রথম অব্স্থানে থাকলেও ডিএসইতে দিত্বীয় অবস্থানে ছিল।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

এস আলমের ১৫% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

s alomস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শনিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে লভ্যাংশের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কোম্পানির ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি কনসোলিডেটেড আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৯ পয়সা। শেয়ার প্রতি কনসোলিডেটেড প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬.৬৭ টাকা।

আগামী ১৯ মার্চ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। আর রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৮ জানুয়ারি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

আইটি কনসালটেন্সের লেনদেন শুরু

ITC-Logo-230x155-145x150স্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে সদ্য তালিকাভুক্ত আইটি খাতের কোম্পানি আইটি কনসালটেন্স লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন শুরু  ১০ জানুয়ারি। এদিন দেশের উভয় শেয়ারবাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু এ কোম্পানির লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

‘এন’ ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু করা কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড- “ITC” এবং ডিএসইতে কোম্পানি কোড-22648 নির্ধারণ হয়েছে ।

ইতোমধ্যে বরাদ্দ পাওয়া কোম্পানিটির শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে জমা হয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

পর্ব : ১ । ড্রাগন সোয়েটারের তথ্য কারসাজিতে বিভ্রান্তিতে বিনিয়োগকারীরা

dragonমিশুক আমিন :

সদ্য আইপিএ অনুমোদন পাওয়া কোম্পানি ড্রাগন সোয়েটার এন্ড স্পিনিং লিমিটেডের প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে অনেক তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছে সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী। দ্রুতগতিতে পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি, উৎপাদন ক্ষমতা, মেশিনাদির আর্থিক মূল্য, পরিচালনা পর্ষদ ও শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশসহ বিভিন্ন বিষয়ের প্রকাশিত তথ্য মূল্যায়নের পর বিভ্রান্তিতে পড়েছে সংশ্লিষ্টরা। আর্থিক প্রতিবেদনে কারসাজির অভিযোগে তালিকাভুক্তির আগেই কোম্পানিটিকে শাস্তিও ভোগ করতে হয়েছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুয়ায়ী কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ মেয়াদের ঋণ দেখিয়েছে ৪৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এটাকে কোম্পানি বহির্ভূত আয় হিসাবে দেখানো হয়েছে। অথচ কোম্পানিটির একটি বড় অংকের মধ্য মেয়াদি ঋণকে এহিসাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। গত ২০১৩ সালে ২৪ ডিসেম্বর সিটি ব্যাংক লিমিটেড কোম্পানিটিকে ৫৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা এ মধ্য মেয়াদি ঋণটি প্রদান করে। কোম্পানিটি এ ঋণের সুদবাবদ প্রতিমাসে ১ কোটি ৬৬ হাজার টাকা ব্যাংকটিকে প্রদান করে আসছে। কোম্পানির ৫৪ কোটি টাকার এই মধ্য মেয়াদি ঋণকে ইক্যুইটি ও লাইবলিটিসে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি।

কোম্পানিটি গত ২০১০ সালে মেশিনাদিবাবদ আর্থিক মূল্য ১৩ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ কোটি টাকা করে। আর্থিক প্রতিবেদনের ২৮ ও ২৯ নম্বর পাতায় কারখানার মেশিনের একটি তালিকা মূল্য সহ দেখানো হয়েছে। সেখানে ২০১০ সালে জানুয়ারি হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন কোনো মেশিন সংযুক্ত দেখানো হয়নি। এমনকি আগের বছর ২০০৯ সালেও কোনো মেশিন ক্রয় করেছে বলে জানানো হয়নি।

ড্রাগন সোয়েটার এন্ড স্পিনিং লিমিটেডের ২০১৩ সালে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিশোধিত মূলধন দেখানো হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। সর্বশেষ তিনবছরে ২০১১-১৩ সালে কোম্পানিটি ৬০ কোটি টাকা করেছে এই পরিশোধিত মূলধন। আর্থিক প্রতিবেদনের হিসাবে ২০১৩ সালেই কোম্পাটি তিন পর্যায়ে ( ১১.২৮+ ১৭.৪২+২.৫৭) ৩১.২৭ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন বাড়িয়েছে। আগের বছর ২০১২ ও ২০১১ সালে যথাক্রমে ১৯.১৪ ও ৯.৪৪ কোটি টাকা এই মূলধন বাড়ায়। এর আগের বছর ২০১০ সালে পরিশোদিত মূলধন ছিল ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ১৯৯৯ সালে এই পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র ৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটির তিন বছরের ব্যবধানে ৯.৮০ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি টাকা বাড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভ্রন্তি সৃষ্টি করেছে।

ড্রাগন সোয়েটারের উৎপাদন ক্ষমতা শিরোনামে ৯৭ শতাংশ স্বক্ষমতা দেখিয়েছে কোম্পানিটি। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, কোম্পানটির প্রতি বছর উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে ৩৬ লাখ ৫০ হাজার পিচ। অন্যদিকে প্রতিবছর ২১ লাখ ৬০ হাজার পিচ করে উৎপাদন করে আসছে। এহিসাবে এই কোম্পানির উৎপাদন ক্ষমতা আসে ৬৮.৮ শতাংশ। প্রকৃত উৎপাদনের পরিমাণের হিসাবে এই হার আরো কমবে।

কোম্পানিটি সবচেয়ে বেশি সমালোচনায় এসেছে আইপিও প্রক্রিয়ায় খরচের তালিকা। কোম্পানিটি এই খাতে ১.৭৬ কোটি টাকা খরচ করতে চায়। এই তালিকায় ডাটা প্রক্রিয়াবাদ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৬৫ লাখ টাকা দিবে বলে জানানো হয়েছে। বাকি অর্থ নিয়ন্ত্রক সংস্থার ফি ও অন্যান্য খাতে খরচ করবে। সম্প্রতি আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা আইসিটি লিমিটেড এই খাতে মোট ১.২০ কোটি টাকা খরচ করে। এই কোম্পানিটির আইপিও আবদেন পড়ে প্রায় ৭২ গুন।

কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ও শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ নিয়ে আলোচনায় আসছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ-রক্ষার্থে নিয়োজিত কোনো স্বাধীন পরিচালক নেই ড্রাগন সোয়েটার এন্ড স্পিনিং লিমিটেডের। কোম্পানিটি গত ২০১১ সালে ২০০ শতাংশ বোনাস আর ২০১২ সালে ৩৯.৩০ শতাংশ বোনাস দেয়। অন্য কোনো বছরেই শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেয়নি তারা।

কোম্পানিটির চতুরতা নিয়ে অবগত রয়েছে ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তালিকাভুক্তির আগে ২০১৪ সালে কোম্পানিটিকে আর্থিক দন্ড দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। শাস্তি দেওয়া হয় তৎকালিন ইস্যু ম্যানেজার ফার্ষ্ট সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেডকে। দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দিয়ে স্বদেশ ইনভেষ্ট লিমিটেডকে এই দায়িত্ব দেয় বিএসইসি।

এবিষয়ে যোগাযোগ করা করে হলেও কোম্পানিটির শীর্ষ কর্মকর্তারা কথা বলতে রাজি হননি। তাদের মতো ইস্যু ম্যানেজারও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বিষয়গুলোকে এড়িয়ে যান।

এসব ছাড়াও ড্রাগন সোয়েটার এন্ড স্পিনিং লিমিটেডের কর সূক্রান্ত একটি জটিলতা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানিটির কর প্রদানের ধারাবাহিকতা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) অমীমাংসিত রয়েছে।

…………….চলমান।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ/এলকে