রাইট শেয়ারের সাবক্রিপশন ৩০ মার্চ – ২১ এপ্রিল

summitস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের রাইট শেয়ারের সাবক্রিপশন আগামী ৩০ মার্চ হতে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্র জানায়, ৫:১ হারে এ রাইট শেয়ারের রেকর্ড ডেট আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়ে।

কোম্পানিটি ৫:১ হারে এ রাইট ছাড়বে। অর্থ্যাৎ ৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার ইস্যু করবে। এজন্য ৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ হয়েছে ১৫ টাকা। রাইট শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানিটি ৫১ কোটি ৫২ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯০ টাকা সংগ্রহ করবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

‘এ’ ক্যাটাগরিতে অলিম্পিক এক্সেসরিজ

olimpic ...smbdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অলিম্পিক এক্সেসরিজ ‘এ’ ক্যাটাগরিতে পরিবর্তন হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের ভালো লভ্যাংশ দেওয়ায় আগামী ২৪ জানুয়ারি এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

২০১৫ সালের ৩০ জুনে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও উদ্যোক্তসহ সব ধরনের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৭ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।

এরই প্রেক্ষিতে শেয়ারহোল্ডারদের নগদ ও বোনাস লভ্যাংশ বিতরণ করা হয়েছে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আর এ কারণে কোম্পানিটি ‘এন’ ক্যাটাগরি থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হচ্ছে।

এদিকে ক্যাটাগরি পরিবর্তন কার্যকর হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত অলিম্পিক এক্সেসরিজের শেয়ার ক্রয়ে মার্জিন লোন সুবিধা না দেওয়ার জন্য কোম্পানির পক্ষ থেকে ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ/এলকে

ডিএসইতে বাজার মূলধন কমেছে .১৭ শতাংশ

dseনিজস্ব প্রতিবেদক :

সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের সঙ্গে কমেছে সব ধরনের মূল্য সূচক। এ সপ্তাহে ডিএসইতে বাজার মূলধন কমেছে দশমিক ১৭ শতাংশ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আগের সপ্তাহের চেয়ে ডিএসইতে বাজার মূলধন কমেছে দশমিক ১৭ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে বাজার মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩,১৯,৯২৬ কোটি ৮৮ লাখ ৫০ হাজার ৯০৯ টাকা। আর আগের সপ্তাহে ছিল ৩,১৮,৩৭৯ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৯২২ টাকা।

আগের সপ্তাহের চেয়ে ডিএসইতে শেয়ার লেনদেন কমেছে ২০৩ কোটি ১৮ টাকার। আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৯৪১ কোটি ৭১ লাখ টাকার। আর আগের সপ্তাহে শেয়ার লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ১৪ কোটি ৯০ লাখ টাকার।

সমাপ্ত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে দশমিক ৬৪ শতাংশ।

এদিকে, ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক কমেছে দশমিক ৭৯ শতাংশ বা ৩৭ দশমিক ০১ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএস৩০ সূচক কমেছে দশমিক ৫৭ শতাংশ বা ১০ দশমিক ০৮ পয়েন্ট। অপরদিকে শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক বেড়েছে দশমিক ১৪ শতাংশ বা ১ দশমিক ৫৬ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৬টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৭৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির। আর লেনদেন হয়নি ৩টি কোম্পানির শেয়ার।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ/এলকে

পুরাতন চেহারায় ফিরছে নতুন দুই মিউচুয়াল ফান্ড

low profit-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের শনির দশা একটু একটু করে কাটতে শুরু করেছে। সাম্প্রতিক কয়েক বছরে আইপিওতে অভিহিত মূল্য ১০ টাকা দরে বিক্রির পর মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে প্রথম দিন থেকেই দর হারিয়েছিল। তবে চলতি বছরের শুরুতেই তালিকাভুক্ত দুটি মেয়াদি ফান্ডের উভয়টির বাজারদর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়ে কেনাবেচা হতে দেখা যায়। মাত্র কয়েকদিন পর থেকেই পুরাতন মিউচুয়াল ফান্ডের মতো ফেসভ্যালুর কাছাকাছি অবস্থান করছে নতুন তালিকাভুক্ত দুই মিউচুয়াল ফান্ড।

গত বৃহস্পতিবার ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ডটির সর্বশেষ লেনদেন হয় ১০.২০ টাকা। আর এসইএমএল লেকচার ইক্যুয়িটি ম্যানেজমেন্ট নামে অপর এক ফান্ডটি লেনদেন হয়েছে ১১.৬০ টাকায়।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত রবিবার তালিকাভুক্ত ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ডটির সর্বোচ্চ দর উঠেছে ১৮ টাকা। এর সর্বশেষ লেনদেন মূল্য ছিল ১৩ টাকা। আইপিওতে ফান্ডটি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তালিকাভুক্ত হওয়া এসইএমএল লেকচার ইক্যুয়িটি ম্যানেজমেন্ট নামে অপর এক ফান্ড লেনদেনের প্রথম দিনে ১৪.৯০ টাকা লেনদেন হয়েছিল।

২০১১ সালের পর তালিকাভুক্ত হওয়া প্রায় সব মিউচুয়াল ফান্ড অভিহিত মূল্য ১০ টাকার নিচে লেনদেন হচ্ছে। এমনকি লেনদেন শুরুর প্রথম তিন দিনের মধ্যে ১০ টাকা মূল্যের ফান্ড ৭ টাকাতেও কেনাবেচা হতেও দেখা যায়।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সর্বশেষ পাঁচ বছরে তালিকাভুক্ত ১৩টি মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের গতকালের সর্বশেষ লেনদেন মূল্য ছিল গড়ে ৬ টাকা ৭১ পয়সা।
সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর পর ফান্ডের বাজারদর প্রকৃত দরের অর্ধেকে নেমে আসার শঙ্কায় আইপিওতেও অনেক বিনিয়োগকারী মিউচুয়াল ফান্ড কিনতে চান না। এ অবস্থায় ২০১৫ সালে মাত্র ১টি ফান্ড বাজারে এসেছে। ২০১৪ সালে কোনো ফান্ডই তালিকাভুক্ত হয়নি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ/এলকে