1. বেক্স ফার্মা
  2. স্কয়ারফার্মা
  3. সিটি ব্যাংক
  4. ইউনাইটেড পাওয়ার
  5. অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ
  6. আইটিসি
  7. সিভিও পেট্রো
  8. এ্যাপোলাে ইস্পাত
  9. অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ
  10. আরএকে সিরামিকস।

শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের উভয় শেয়ারবাজারে আজ মঙ্গলবার মূল্য সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ঢাকা স্টক একচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০৯ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জেও (সিএসই) বেড়েছে সূচক। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিন ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৩০.৬৭ পয়েন্ট বেড়ে ৪৫৯১ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসই শরীয়াহ সূচক ১০.১০ পয়েন্ট বেড়ে ১১১১ পয়েন্টে অবস্থান করে। আর ডিএস৩০ সূচক ১৬.৫৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১ হাজার ৭৪৬ পয়েন্টে।

আজ ডিএসইতে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫০৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। গতকাল সোমবার এই বাজারে লেনদেন হয়েছিল ৩৯৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

এই দিন ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩২০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৭ টির কমেছে ১২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টির।

টাকার পরিমাণে লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হচ্ছে- বেক্স ফার্মা, স্কয়ারফার্মা, সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড পাওয়ার, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, আইটিসি, সিভিও পেট্রো, এ্যাপোলাে ইস্পাত, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং আরএকে সিরামিকস।

অপরদিকে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসই সার্বিক সূচক ১০৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ১৪৮ পয়েন্টে। মোট লেনদেন হয়েছে ২৫৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৫টির, কমেছে ১০১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৮টির।

আজ লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার। গতকাল সোমবার লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার।

 

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

বিএসইসির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা

courtস্টকমার্কেট ডেস্ক :

মেয়াদোত্তীর্ণ এইমস ওয়ান ও গ্রামীণ ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড বন্ধ করার সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাই কোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে বিএসইসির করা লিভ টু আপিলের আবেদনে বিবাদী পক্ষে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করেছেন দুটি ফান্ডের ইউনিটধারী ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা।

দুটি ফান্ডের ৭ হাজার ৫৮০ জন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর তিন প্রতিনিধির পক্ষে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদনটি জমা দেওয়া হয়।

আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবি হিসাবে রয়েছেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি; তার সঙ্গে আছেন মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

এবিষয়ে জহিরুল ইসলাম বলেন, এইমস ওয়ান ও গ্রামীণ ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড বন্ধ করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাই কোর্ট যে রায় দিয়েছে, তার বিরুদ্ধে বিএসইসি লিভ টু আপিলের আবেদন করেছে।

“এতে বিবাদী হিসেবে পক্ষভুক্ত হতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের তিন প্রতিনিধির পক্ষে আবেদন সোমবার জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার চেম্বার আদালতে এবিষয়ে শুনানি হবে।”

এর আগে ১৮ জানুয়ারি এইমস ওয়ান ও গ্রামীণ ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড বন্ধ করতে বিএসইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাই কোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেয় আপিল বিভাগ।

হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), ব্র্যাক ব্যাংক ও বাংলাদেশ জেনারেল ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিআইসি) করা তিনটি আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ আসে।

সেইসঙ্গে তিন আবেদনকারীকে ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিয়মিত লিভ টু আপিল করতে বলে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

এই আবেদনেই বিবাদী পক্ষভুক্ত হতে আবেদন করেছেন এইমস ওয়ান ও গ্রামীণ ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা, যাদের হাতে অন্তত ৫০০ ইউনিট রয়েছে।

২০১০ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) এক নির্বাহী আদেশে বলা হয়, ক্লোজড-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ হবে দশ বছর এবং যেসব ফান্ডের মেয়াদ দশ বছর পেরিয়ে গেছে তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এই আদেশের পরও বিএসইসি একাধিকবার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মেয়াদ বাড়ায়।

এর পর ২০১৪ সালের ২৫ ও ২৬ জুন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১ এর বিধি ৫০ (খ) অনুযায়ী, এইমস ও গ্রামীণ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটহোল্ডারদের সভায় ফান্ড দুটির মেয়াদ সবোর্চ্চ অনুরূপ একটি মেয়াদের (১০ বছর) জন্য বর্ধিত করার পক্ষে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়।

কিন্তু ইউনিটহোল্ডারদের সিদ্ধান্ত নাকচ করে বিএসইসি আগের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের ২৯ জুন অনুষ্ঠিত এক সভায় ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধে্যে ফান্ড দুটির রূপান্তর/ অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেয়।

বিএসইসির ওই নির্বাহী আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এইমস ও গ্রামীণ ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ডের একজন ইউনিট হোল্ডার আলী জামান গত সেপ্টেম্বরে রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর হাই কোর্ট রুলসহ বিএসইসির নির্বাহী আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়।

রুলের ওপর শুনানি শেষে গত ১৫ ডিসেম্বর হাই কোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ মেয়াদোত্তীর্ণ ক্লোজড-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড বন্ধে (রূপান্তর/ অবসায়ন) বিএসইসির সিদ্ধান্ত এইমস ও গ্রামীণ ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। এ আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে বিএসইসি চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন করে।

গত ১৭ ডিসেম্বর অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতিএ এ আবেদন শুনে উভয়পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে আবেদন আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন।

এর মধে্যে বিএসইসির পক্ষ নিয়ে এইমসের কাস্টডিয়ান ব্র্যাক ব্যাংক ও এমইস মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি বিজিআইসিও আলাদা আবেদন করে।

এই তিন আবেদনের শুনানি করে ১৮ জানুয়ারি হাই কোর্টের আদেশের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগ।

এর ফলে শেয়ারবাজারে এইমস ওয়ান ও গ্রামীণ ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন চলবে এবং ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফান্ডের অবসায়নে আপাতত আর কোনো বাধ্যবাধকতা রইল না বলে জানিয়েছেন এইমসের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী।

এই মামলায় বিএসইসির পক্ষে রয়েছেন অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম। ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী এম এম আমিন উদ্দিন; বিজিআইসির পক্ষে আইনজীবী এম কামরুল হক সিদ্দিকী।

আর রিট আবেদনকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান।

এইমস ওয়ান ও গ্রামীণ ওয়ানের পক্ষে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী রয়েছেন।

রহিমা ফুডের শেয়ার প্রতি লোকসান ১৭ পয়সা

rahimaস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি এ্যাপোলো ইস্পাত লিমিটেডের চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৭ পয়সা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটির চলতি বছরের এ প্রান্তিকের (অক্টোবর১৫ থেকে ডিসেম্বর’১৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কেম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য এসেছে ২.৮৯ টাকা এবং যা আগের বছর ৩০ জুন ছিল ৩.২২ টাকা।

আগের বছর একই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ১১ পয়সা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আবেদনের সময় বাড়ালো আইসিবি

icb-2নিজস্ব প্রতিবেদক :

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের পুনঃঅর্থায়নের ৯০০ কোটি টাকা পাওয়ার জন্য ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে কাক্সিক্ষত আবেদন জমা পড়েনি। তাই আগামী ৩১ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আইসিবির সহকারী মহাব্যবস্থাপক রাজী উদ্দীন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পুনঃঅর্থায়নের ৯০০ কোটি টাকা থেকে আগ্রহীদের অর্থ বরাদ্দ পেতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত আবেদনের সময় বেঁধে দেয়া হয়। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কাক্সিক্ষত আবেদন জমা পড়েনি। তাই আবেদনের সময় আরো ৩ মাস বাড়িয়ে দেয়ার জন্য আমরা তদারকি কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অতএব আগামী ৩১ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা পুনঃঅর্থায়নের টাকা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট বা সিকিউরিটিজ হাউসের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

জানা যায়, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় নাম থাকা বিনিয়োগকারীদের সুদ মওকুফ ও মাত্র ৯ শতাংশ সুদে ঋণ রি-সিডিউলিংয়ের সুবিধা প্রাপ্তির আবেদন করতে হবে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি তহবিল তদারক কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ ছাড়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয় আইসিবি। গত ১৯ জানুয়ারি ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সহায়তায় গঠিত বিশেষ তহবিলের ৯০০ কোটি টাকার দ্বিতীয় কিস্তির ৩০০ কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড় করে। তহবিলের অর্থ ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে বিতরণ করবে।

উল্লেখ্য, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় এখন পর্যন্ত ২৪ হাজার ৯৮৮ অর্থাৎ প্রায় ২৫ হাজার বিনিয়োগকারীকে ৩৪টি সিকিউরিটিজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ৬৩৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা দেয়া হয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

আলহাজ্ব টেক্সটাইল পরিচালকদের শেয়ার হস্থান্তর

alhazস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি আলহাজ্ব টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের পরিচালকরা শেয়ার হস্থান্তরের ঘোষণা দিয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

কোম্পানিটির পরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ৮০,০০০ শেয়ার তার মাতা জোবেদা খাতুনের কাছে হস্তান্তর করবেন।

উপহার স্বরুপ এসব শেয়ার আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হস্তান্তর সম্পন্ন করা হবে বলে ডিএসই সূত্রে জানা যায়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এলকে