৫ কোম্পানির এজিএম রবিবার

agmস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৫ কোম্পানি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আজ অনুষ্ঠিত  হবে। রবিবার আলাদা আলাদা সময় ও ভিন্ন স্থানে এসব সভা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি গুলো হলো ইসলামীক ফাইন্যান্স ও ইনভেষ্টমেন্ট লিমিটেড, নিটল ইন্স্যুরেন্স, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুেরন্স, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স ও প্রিমিয়ার ব্যাংক।

২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশের অনুমোদন নিতে এসব সভা আহবান করেছে একটি ব্যাংকসহ এই বীমা খাতের তালিকাভুক্ত ৫ কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এইচ

সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৪৫ শতাংশ

dseনিজস্ব প্রতিবেদক :

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে মূল্য সূচকের উর্ধ্বগতি ছিল। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ সময় ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৩২ শতাংশ বা ৫৮ দশমিক ৮ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএস৩০ সূচক কমেছে ৩ দশমিক ১২ শতাংশ বা ৫৩ দশমিক ২২ পয়েন্ট। অপরদিকে শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক কমেছে ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ বা ২০ দশমিক ৩৯ পয়েন্টে।

এ সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ১৬৯ কোটি ৫১ লাখ ১ হাজার ৮৩৭ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৪৮৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫ হাজার ১৩২ টাকার শেয়ার। এ হিসাবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এদিকে সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩২৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭০টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫ টির। আর লেনদেন হয়নি ৩ টি কোম্পানির শেয়ার।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এইচ

শেয়ারবাজার চাঙা করতে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ না থাকায় হতাশ এমসিসিআই

mccনিজস্ব প্রতিবেদক :

প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তিপর্যায়ে করমুক্ত আয়সীমা ও সর্বোচ্চ কর হার পরিবর্তন না করায় এবং শেয়ারবাজার চাঙা করতে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছে এমসিসিআই। তবে মূসক আইন বাস্তবায়ন এক বছর পিছিয়ে দেওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার।

সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে রাজস্ব আদায়। গতকাল শুক্রবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে মেট্রোপলিটন চেম্বার বলেছে, রাজস্ব আদায়ে বৃহৎ করদাতার ওপর চাপ না দিয়ে নতুন কর আদায়ের ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। সরকারের উচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দেওয়া। এ ছাড়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকারী কর কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা প্রয়োজন।
বেশ কয়েক বছর ধরেই দেশে গ্যাস সরবরাহে সংকট চলছে। তবে সেটি দূর করতে বাজেটে কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি বলে এমসিসিআই হতাশা ব্যক্ত করেছে। অপর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহের যে ক্ষতি, তা নিরসনে গ্যাসের ন্যূনতম চার্জ দেওয়ার বিধান বাতিলের সুপারিশ করেছে চেম্বার।

প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ৩৮ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকার বেশি ঋণ গ্রহণের কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তবে এমসিসিআই ব্যাংকিংব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণ সীমিত করতে সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

বাজেটে মূল্য সংযোজন কর বা মূসকসহ পণ্য ও সেবার মূল্য থেকে উৎসে আয়কর কর্তনের যে প্রস্তাব করা হয়েছে, তাতে শঙ্কা প্রকাশ করেছে এমসিসিআই। তারা বলেছে, এটি আয়কর ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ ছাড়া মূসক আপিলের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ হারে জমাদানের প্রস্তাবে উদ্বেগ জানিয়েছে এমসিসিআই।

প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ২ শতাংশ ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ২১ শতাংশ বৃদ্ধি করে ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা সন্তোষজনক বলেই মনে করছে এমসিসিআই। তবে তারা মনে করে, উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের জন্য এডিপিতে আরও বরাদ্দ প্রয়োজন। এডিপির অর্থ যেন দক্ষতার সঙ্গে যথাযথভাবে ব্যয় হয়, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করেছে এমসিসিআই।

বাজেটে এডিপির ২৮ দশমিক ৩ শতাংশ অর্থ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবাসহ মানবসম্পদ উন্নয়নে বরাদ্দ করায় ‘আশার সঞ্চার’ হিসেবে অভিহিত করেছে এমসিসিআই। তারা আশা প্রকাশ করে বলেছে, এই বরাদ্দের অধিকাংশই প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ব্যয় হবে। অবশ্য এমসিসিআই মনে করে, এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ দেশের চাহিদা ও প্রতিবেশী দেশের তুলনায় কম।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

শেয়ারবাজারে টাকা বরাদ্দে সিপিডির সমালোচনা

cpdনিজস্ব প্রতিবেদক :

প্রস্তাবিত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটের বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটি বলছে, এ বাজেট বাস্তবায়ন করতে হলে ৮০ হাজার কোটি টাকার বাড়তি বিনিয়োগ লাগবে। সরকারকে বাড়তি প্রায় সাড়ে ৬৫ হাজার কোটি টাকা আয় বাড়াতে হবে। আর সরকারকে বাড়তি ব্যয় করতে হবে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা। এ তিনটি অর্জন করা গেলে ঘোষিত বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটের নতুন একটি বৈশিষ্ট্যের কথাও তুলে ধরা হয়েছে সিপিডির মূল্যায়নে। তাদের মতে, প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের চেয়ে অনুন্নয়ন ব্যয় বেড়ে গেছে। এটি এবারকার বাজেটের নতুন চরিত্র। আর এটি হয়েছে মূলত সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা, ভর্তুকি এবং শেয়ারবাজারের জন্য ১৩ হাজার কোটি টাকার মতো বরাদ্দ রাখার কারণে।

সিপিডির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সরকারের আয়কে ধনুক, ব্যয়কে তির এবং বাজেটের লক্ষ্যগুলোকে নিশানার সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘আপনার যদি একটা লক্ষ্য থাকে, আর সেই লক্ষ্য যদি আপনি অর্জন করতে চান, তাহলে আপনার তির চালাতে হবে এবং তার জন্য একটা ধনুক থাকতে হবে। আমরা ধনুক-তিরে সেই শক্তি দেখতে পাচ্ছি না। এই তির-ধনুক দিয়ে লক্ষ্য ভেদ করা যাবে বলে মনে হচ্ছে না।’

বাজেট বাস্তবায়ন এবং অর্থায়ন-দুর্বলতার কারণে শেষ পর্যন্ত আয় ও ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না বলেও মনে করে সিপিডি। সংস্থাটি বলছে, বাজেটে ৭ দশমিক ২ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) যে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে, সেটি দেশের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন। এই প্রবৃদ্ধি অর্জন করাকে অসম্ভব কিছু বলেও মনে হয় না। তবে তা অর্জন করতে হলে বিনিয়োগ এবং আয়-ব্যয় বৃদ্ধির পূর্বশর্ত পূরণ করতে হবে।

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।সেই বাজেটের খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ করে গতকাল শুক্রবার সকালে তাৎক্ষণিক বাজেট পর্যালোচনা হিসেবে তা তুলে ধরা হয়। রাজধানীর গুলশানের লেক শোর হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে এ পর্যালোচনা তুলে ধরেন সংস্থাটির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। স্বাগত বক্তব্য দেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ।

সিপিডি বলছে, ঘোষিত বাজেট মোটেই বড় বা বিরাট কোনো বাজেট নয়। বাজেটকে পর্যালোচনা করা হয় দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির সামর্থ্য ও জিডিপির অংশের বিবেচনার ভিত্তিতে। সেই বিবেচনায় অর্থনীতির আকার বাড়লে ব্যয়ও বাড়বে।

ঘোষিত বাজেটের মূল্যায়ন করতে গিয়ে দেবপ্রিয় বলেন, যদি একটি নীতি ঘোষণা করা হয় এবং সেই নীতি বাস্তবায়িত না হয়, তবে পরবর্তী নীতিটি যখন ঘোষিত হয়, সেটা বাস্তবায়নের জন্য যে চলকগুলো থাকে প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে, তারা সেটার ওপর আস্থা কম রাখে। কারণ, তখন তারা মনে করে, এ রকম ঘোষণা তো অনেকবারই হয়। আর তখন নীতি বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ে।

সিপিডি তাদের পর্যালোচনায় ঘাটতি অর্থায়ন পূরণের পরিকল্পনার দুর্বলতার কথা বলেছে। সংস্থাটি বলছে, বাজেট ঘাটতির ৬৮ শতাংশই অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। বিদেশি ঋণ ব্যবহারের উদ্যোগ কম। যদি অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে বেশি ঋণ নেওয়া হয়, তাহলে ঋণ পরিশোধের ব্যয় বেড়ে যায়। সেটিই এখন হচ্ছে, সুদ বাবদ সরকারের ব্যয় ক্রমেই বাড়ছে।

বাজেটে যেসব প্রাক্কলন করা হয়, পরবর্তীকালে সেগুলোর বাস্তবায়নের মধ্যে বড় ধরনের ফারাক তৈরি হওয়ার কারণে প্রাক্কলনও বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না বলে মনে করছে সিপিডি। ভারতের সঙ্গে তুলনা করে সংস্থাটি বলছে, ভারতে সরকার ব্যয়ের যে প্রাক্কলন করে, তার প্রায় ৯৩ শতাংশই বাস্তবায়িত হয়। সেখানে বাংলাদেশে বাস্তবায়নের হার সাড়ে ৮১ শতাংশ। প্রক্ষেপণের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়ে গেলে নীতির দক্ষতাও নষ্ট হয়ে যায়। তখন কেউ তা আর গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করে না। তাই নীতি ঘোষণার পর তাতে আস্থা পেতে হলে ওই নীতিকে সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী হতে হয়।

বাজেট প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নে আরও বেশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে সিপিডি বলেছে, উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন বাজেটকে একীভূত করা দরকার। এ ছাড়া বাজেট অগ্রগতি সম্পর্কে সংসদ ও জনগণকে আরও বেশি করে জানানো উচিত। সংশোধিত যে বাজেটটি করা হয়, সেটি অর্থবছর শুরুর প্রথম প্রান্তিকের মধ্যেই করা ফেলা দরকার।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম