ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বন্ড প্রস্তাব অনুমোদন

united airনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বিডি লিমিটেডের ২২৪ কোটি টাকার বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির সূত্রে এ তথ্য জানা যায়

আজ বৃহস্পতিবার বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৫৭৭ তম কমিশন সভায় এসব বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিএসইসি জানায়, প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের বাইরে বন্ড ইস্যু করতে পারবে। যার মেয়াদ হবে ৬ বছর। এর সঙ্গে এক বছর লকিং থাকবে। বন্ডের বৈশিষ্ট্য হবে- নন কনভার্টেবল, সম্পূর্ণ অবসায়নযোগ্য, সিকিউড সাবওর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৬ বছরের মেয়াদসহ এক বছর লকিং থাকবে। বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১ কোটি টাকা। যার সুদের হার ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ।

বন্ডের মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ বিমান কেনার জন্য ডাউনপেমেন্ট, ঋণ পরিশোধ, সিভিল অ্যাভিয়েশনের ফি ও অন্যান্য দেনা পরিশোধের জন্য ব্যয় করবে কোম্পানিটি। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ও উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিরা এই বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

বন্ডটির অ্যারেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি এবং রেইস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

অবশেষে ইটিএফ ফান্ড আইনের চুড়ান্ত অনুমোদন

bsecনিজস্ব প্রতিবেদক :

অবশেষে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডকে (ইটিএফ) কালেকটিভ ইনভেস্টমেন্ট স্কিম হিসেবে চালু ইটিএফ রুলস, ২০১৬ এর চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। শিগগির এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৫৭৭ তম কমিশন সভায় এআইনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে কমিশনের ৫৭৪তম সভায় কিছু সংশোধনীসহ খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

কালেকটিভ ইনভেস্টমেন্ট স্কিমের আওতায় ইটিএফ বে-মেয়াদি হিসেবে গঠিত হলেও স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে। ফান্ডে ন্যূনতম আকার হবে ৫০ কোটি টাকা। তবে অথরাইজড পার্টিসিপেন্টসের মাধ্যমে ক্রিয়েশন ও রিডেম্পশন দ্বারা ফান্ডের আকার পরিবর্তন সম্ভব হবে।

এছাড়া এই ফান্ডের ক্ষেত্রে স্টক ব্রোকার/ স্টক ডিলার; যারা অথরাইজড পার্টিসিপেন্টস হিসেবে কাজ করবেন। তারা মার্কেট মেকারের ভূমিকাও পালন করবেন। এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড মূলত ইনডেক্সভিত্তিক ফান্ড। যা জেনারেল ইনডেক্স অথবা ইসলামিক ইনডেক্স বেসড হতে পারে। যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমেই মূলত ফান্ড গঠিত হবে। তবে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ফান্ড গঠিত না হলে কমিশনের অনুমোদনক্রমে পাবলিক অফারের মাধ্যমেও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

যেহেতু ফান্ডটি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে সেহেতু ফান্ডের এনএভি ও বাজারের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হলে অথরাইজড পার্টিসিপেন্ট গণ আর্বিট্রেজ ফাঙ্কশন পালন করবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

দুই ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

bsecনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত দুই ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার বন্ড প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। ব্যাংক দুটি হলো ট্রাস্ট ব্যাংক ও ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড।

আজ বৃহস্পতিবার বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৫৭৭ তম কমিশন সভায় এসব বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

ট্রাস্ট ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার বন্ড :

বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হবে- নন কনভার্টেবল, তালিকাভুক্ত হবে না, সম্পূর্ণ অবসায়ন যোগ্য, ফ্লটিং রেটেড, সাবওর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৭ বছর পরে সম্পূর্ণ অবসায়ন হবে। এই বন্ডটি ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে টায়ার টু ক্যাপিটাল বেইজের শর্ত পূরণ করা হবে। স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, ফান্ড এবং যে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এই বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

বন্ডটির অ্যারেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে মেন্ডেটেড লিড। ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছে স্ট্যান্ডার্ড চ্যাটার্ড ব্যাংক ও সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১ কোটি টাকা।

ওয়ান ব্যাংক লিমিটেডের ৪০০ কোটি টাকার বন্ড :

প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ওয়ান ব্যাংক এই বন্ড বিক্রির জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে; এর মেয়াদ হবে ৭ বছর। এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লাখ টাকা।

বিএসইসি জানায়, বন্ডটির বৈশিষ্ট্য হবে- নন কনভার্টেবল, তালিকাভুক্ত হবে না, সম্পূর্ণ অবসায়ন যোগ্য, ফ্লটিং রেটেড, সাবওর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৭ বছর পরে সম্পূর্ণ অবসায়ন হবে। এই বন্ডটি ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে টায়ার টু ক্যাপিটাল বেইজের শর্ত পূরণ করা হবে। স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তিরা এই বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

বন্ডটির অ্যারেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে মেন্ডেটেড লিড। ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছে স্ট্যান্ডার্ড চ্যাটার্ড ব্যাংক ও গ্রিন ডেলটা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

সাইফ পাওয়ার টেকের লেনদেন রবিবার বন্ধ

SAIF powerস্টকমার্কেট ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সেবা ও আবাসন খাতের কোম্পানি সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেডের লেনদেন রবিবার বন্ধ থাকবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, আগামী ১৯ জুন রবিবার সাইফ পাওয়ার টেকের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম)সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট। আর তাই ওইদিন লেনদেন বন্ধ রাখবে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ।

আগামী ২০ জুন সোমবার থেকে যথাযথ নিয়মে চলবে কোম্পানির লেনদেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

ক্রেডিট রেটিং করেছে ট্রাষ্ট ও যমুনা ব্যাংক

crabস্টকমার্কেট ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের দুই কোম্পানি ট্রাষ্ট ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংক ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, ক্রেডিট রেটিং এজেন্সিং অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ক্রাব) রেটিং অনুযায়ী যমুনা ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে “এএ-৩” এবং স্বল্পমেয়াদী রেটিং হয়েছে “এসটি-২”।

এছাড়া ক্রাবের রেটিং অনুযায়ী ট্রাস্ট ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে “এএ-২” এবং স্বল্পমেয়াদী রেটিং হয়েছে “এসটি-২”।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ রেটিং করা হয়েছে বলে ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

নর্দার্ণ ইন্স্যুরেন্সের বিওতে দিল সিডিবিএল

northern-smbdস্টকমার্কেট ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি নর্দার্ণ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের গত হিসাব বছরের লভ্যাংশের বোনাস শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা দিয়েছে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)। সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আজ ১৬ জুন কোম্পানিটির এসব বোনাস শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে।

নর্দার্ণ ইন্স্যুরেন্স গত ২০১৫ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডাদের ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ২ লাখ শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন

unionস্টকমার্কেট ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নন ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের একজন উদ্দোক্তা ২ লাখ শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন করেছেন। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মোহাম্মদ ফায়জুর রহমান নামে এ উদ্দ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানটির ২ লাখ শেয়ার বিক্রয় করেছেন।

এই উদ্যোক্তা এসব শেয়ার বাজার দরে বিক্রয় করেন।

তিনি এই ঘোষণার ৩০ কার্য দিনের মধ্যে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার বিক্রয় করেন বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

  1. একমি ল্যাব.
  2. বিবিএস
  3. বিএসআরএম লি.
  4. ডরিন পাওয়ার
  5. ব্র্যাক ব্যাংক
  6. অলিম্পিক এক্সেসরিজ
  7. শাহজিবাজার পাওয়ার
  8. লাফার্জ সুরমা
  9. আমান ফিডস
  10. কাসেম ড্রাইসেল।

৫০০ কোটি ছাড়ালো ডিএসইর লেনদেন

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনের শেষে লেনদেন ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। তবে এদিন মূল্য সূচকের বড় পতন হয়েছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি টাকা। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার দিনভর ডিএসইতে ৫৩০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিন বুধবার ছিল ৩৫৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এ হিসাবে দিনের লেনদেন ১৭৩ কোটি টাকা বেড়েছে।

এদিন ডিএসইতে ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ১৬.৭১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৩৯৫ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫.২৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১০৮০ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৮.৭০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭২৯ পয়েন্টে।

এদিন দিনভর লেনদেন হওয়া ৩১৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৮৩ টির, কমেছে ১৫৬ টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৯ টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর।

এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেনে শীর্ষ কোম্পানিগুলো হচ্ছে- একমি ল্যাব., বিবিএস, বিএসআরএম লি., ডরিন পাওয়ার, ব্র্যাক ব্যাংক, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, শাহজিবাজার পাওয়ার, লাফার্জ সুরমা, আমান ফিডস ও কাসেম ড্রাইসেল।

এদিকে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ২৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের দিন বুধবার সেখানে ২১ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এদিন সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৫২৯ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৩৯ টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬৯টির, কমেছে ১২০ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এলকে

চেয়ারম্যান ও এমডিদের বিদেশ ভ্রমণের তথ্য চায় আইডিআর

idr-smbdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, পরামর্শক, প্রধান নির্বাহীসহ সব কর্মকর্তার গত ছয় বছরের বিদেশ ভ্রমণ-সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। এসব তথ্য চেয়ে গতকাল সব বীমা কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।

চিঠিতে ২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত সব বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, পরামর্শক, প্রধান নির্বাহী ও অন্যান্য কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণ-সংক্রান্ত তথ্য ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতি ছয় মাসের বিদেশ ভ্রমণ-সংক্রান্ত তথ্য জুলাই ও জানুয়ারিতে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

আইডিআরএ সূত্র জানায়, বিভিন্ন কারণে বীমা কোম্পানির কর্মকর্তারা অন্যান্য খাতের তুলনায় বেশি বিদেশে যাচ্ছেন। এতে ঠিক কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে এবং বিদেশ ভ্রমণের নামে কোম্পানির অর্থ পাচার হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নির্দেশনা জারি করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এ প্রসঙ্গে আইডিআরএ সদস্য জুবের আহমেদ খান বলেন, বিদেশ ভ্রমণের নামে কোম্পানির অর্থ পাচার হচ্ছে কিনা, তা আমরা খতিয়ে দেখতে পারি। বীমা গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করছি, চাহিদা মোতাবেক সব চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তা তাদের বিদেশ ভ্রমণ-সংক্রান্ত তথ্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করবেন।

আইডিআরএর নির্দেশনা অনুযায়ী ভ্রমণ করা দেশের নাম, ভ্রমণের সময়, ভ্রমণকারীর সংখ্যা, নাম, পদবি, ভ্রমণের ব্যয়নির্বাহের উত্স, ভ্রমণের কারণসহ প্রত্যেক ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোম্পানির মোট ব্যয়ের পরিমাণ পাঠাতে হবে কোম্পানিগুলোকে। এছাড়া ভ্রমণ ব্যক্তিগত নাকি অফিশিয়াল, তাও নির্ধারিত ছকে জানানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/বিএ