ডরিন পাওয়ারের সাবসিডিয়ারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু

DOREEN-POWERস্টকমার্কেট ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানী খাতের কোম্পানি ডরিন পাওয়ার জেনারেশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সাব সিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের বানিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছে। সদ্য আইপিও মাধ্যমে তোলা অর্থ এই সাবসিডিয়ারি কোম্পানিটিতে বিনিয়োগ করেছে কোম্পানি। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি জানায়, ঢাকা সাউদার্ন পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড নামে এই সাবসিডিয়ারি কোম্পানির ৯৬.৭৮ শতাংশ শেয়ার মালিকানা ডরিন পাওয়ার।

আরো জানা যায়, বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিবি) র অনুমোদন সাপেক্ষে দুইদিন আগে ১৭ জুলাই এই প্রকল্পের বিদু্যৎ উপাদন শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ডরিন পাওয়ার আরেক সাব সিডিয়ারি কোম্পানি ঢাকা নদার্ন পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের বিদ্যুৎ উৎপাদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণা

Republic-insuranceস্টকমার্কেট ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সে কোম্পানি লিমিটেডের একজন উদ্দোক্তা শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সাদেক হোসেন চৌধুরী নামে বীমার এ উদ্দ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানটির এই ১২,১৩০ টি শেয়ার ক্রয় করবেন।

এই উদ্যোক্তা এসব শেয়ার বাজার দরে ক্রয় করবেন।

তিনি এই ঘোষণার ৩০ কার্য দিনের মধ্যে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার ক্রয় করবেন বলে বীমাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

ইবনে সিনার মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই

ibnস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ঔষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ইবনে সিনা লিমিটেডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) শেয়ারের দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কোনো তথ্য নেই।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে কোম্পানির শেয়ারের দর ছিল ১৭৬.৮০ টাকা। গতকাল ১৮ জুলাই কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়ে ২৩৯ টাকা ছাঁড়িয়েছে। এসময় শেয়ারটির দর উঠা-নামা করলেও বেশিরভাগ দিন তা বেড়েছে।

কোম্পানিটির শেয়ারের এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই। গতকাল কোম্পানিটির নিকট শেয়ারের দর বাড়ার পেছনে মূল্য সংবেদনশীল কোনো তথ্য আছে কি না – তা জানতে চায় ডিএসই।

এ সময় ইবনে সিনা লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দর বৃদ্ধির পেছনে মূল্যসংবেদনশীল অপ্রকাশিত কোন তথ্য কোম্পানির কাছে নেই।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এফ

  1. একমি ল্যাব.
  2. বিবিএস
  3. আমান ফিডস
  4. কাসেম ড্রাইসেল
  5. অলিম্পিক এক্সেসরিজ
  6. অরিয়ন ইনফিউশন
  7. ডরিন পাওয়ার
  8. লাফার্জ সুরমা
  9. বিএসআরএম লি.
  10. শাহজিবাজার পাওয়ার।

ডিএসইতে লেনদেন ২০৯ কোটি টাকা কম

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনের শেষে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে ২০৯ কোটি টাকা কমেছে। তবে এদিন মূল্য সূচকেও পতন হয়েছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি টাকা। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রবিবার দিনভর ডিএসইতে ৩২১ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিন বৃহস্পতিবার ছিল ৫৩০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এ হিসাবে দিনের লেনদেন প্রায় ২০৯ কোটি টাকা কমেছে।

এদিন ডিএসইতে ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৭.৪৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৩৮৭ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ০.০৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১০৮০ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪.৯৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭২৪ পয়েন্টে।

এদিন দিনভর লেনদেন হওয়া ৩১৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৯০ টির, কমেছে ১৭৬ টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫১ টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর।

এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেনে শীর্ষ কোম্পানিগুলো হচ্ছে- একমি ল্যাব., বিবিএস, আমান ফিডস, কাসেম ড্রাইসেল, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, অরিয়ন ইনফিউশন, ডরিন পাওয়ার, লাফার্জ সুরমা, বিএসআরএম লি. ওশাহজিবাজার পাওয়ার।

এদিকে রবিবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ২০ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের দিন বৃহস্পতিবার সেখানে ২৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এদিন সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৫১২ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৩৭ টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ১২২ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৫ টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এলকে

পদ্মা লাইফের মোট বীমা তহবিল বেড়েছে

padma lifeস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মোট বীমা তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০৯ কোটি টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেশি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

ডিএসই জানায়, চলতি ২০১৫ সালের জানুয়ারি হতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বীমাটির মোট তহবিল দাঁড়িয়েছে ৩০৯ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ৩০৫ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এহিসাবে প্রতিষ্ঠানটির তহবিল প্রায় ৪ কোটি টাকা বেড়েছে।

জানুয়ারি,১৫- সেপ্টেম্বর,১৫ প্রান্তিকে কোম্পানিটির বীমা তহবিলের পরিমাণ বেড়েছে ১ কোটি ৮ লাখ টাকা। আগের বছর একই সময় এর পরিমাণ ছিল ৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

তৃতীয় প্রান্তিকে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম আয় কমেছে ২৫ লাখ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এ

২০১৬-১৭ অর্থবছরের বিও নবায়নের শেষ দিন ৩০ জুন

cdblনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট (বিও হিসাব) নবায়নের সময় ৩০ জুন (বৃহস্পতিবার) শেষ হবে। নির্ধারিত এ সময়ের মধ্যে প্রতিটি বিও হিসাবকে ৫০০ টাকা ফি দিয়ে নতুন করে নবায়ন করতে হবে। তা না হলে ২০১৬-১৭ অর্থবছর অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে অনবায়নকৃত বিও হিসাবগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) তথ্য মতে, দেশের শেয়ারবাজারে বর্তমানে ৩২ লাখ ১৮ হাজার বিও হিসাব রয়েছে। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন এবং সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগকারীরা বিও হিসাবের মাধ্যমে বিনিয়োগ করেন। এ বিনিয়োগকারীরা ঢাকা ও চট্টগ্রামের ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে লেনদেন করেন।

সিডিবিএলএ’র নিয়ম অনুসারে বিও হিসাব নবায়ন করতে ৫০০ টাকা লাগবে। এরমধ্যে সিডিবিএল ১৫০ টাকা, হিসাব পরিচালনাকারী ব্রোকারেজ হাউস ১০০ টাকা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৫০ টাকা এবং বিএসইসির মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ২০০ টাকা জমা হয়। গত বছর এ খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৮১ কোটি টাকা।

প্রতিবছরের ৩০ জুন পর্যন্ত আগের বছরের সব বিও হিসাবগুলোকে নতুন করে নবায়ন করতে হয়। তবে এবার অতিরিক্ত ফি দিয়ে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে বিও নবায়নের সুযোগ দেওয়া হবে। এখন শেয়ারবাজারে ৩২ লাখ বিও হিসাব রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাতে ২৫ লাখ এবং ঢাকার বাইরে ৭ লাখ। ৩২ লাখ বিও হিসাবের মধ্যে শেয়ার কেনা-বেচা করেন এমন বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবের সংখ্যা ১৫ লাখ ৯১ হাজার ৫১৮টি। আর বাকি ১৬ লাখ বিও বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে চলতি বছরে প্রথম দিন থেকে শেয়ার শূন্য অবস্থায় পড়ে আছে।

তবে আরো কষ্টকর বিষয় হলো ১৬ লাখ বিও হিসাবের মধ্যে ৪ লাখ ৮৪ হাজার ১০১টি বিও হিসাব চালুর পর কখনো শেয়ার কেনা বেচা হয়নি। অথাৎ এ হিসাবগুলোর পেছনে প্রতি বছর বিনিয়োগকারীদের সর্বনিম্ন খরচ হচ্ছে ১হাজার টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক চার্জ বাবদ ৫শ আর বিও নবায়ন বাবদ ৫শ টাকা।

ব্রোকারেজ কর্মকর্তারা জানান, এসব বিও অ্যাকাউন্ট সাধারণত আইপিওর জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। লটারিতে কোনো শেয়ার বরাদ্দ পায়নি বলে এসব অ্যাকাউন্টে কোনো শেয়ারের কেনা-বেচাও নেই।

অন্যদিকে ঢাকাতে বিও অ্যাকাউন্টের জন্য মেশিন রিডেবল হিসাব ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ঢাকাতে ২৫ লাখ বিও হিসাবের মধ্যে বেশ কিছু হিসাবে মেশিন রিডেবল হিসেব নেই।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক শাকিল রিজভী জানান, ৩০ জুনের মধ্যে বিও হিসাবগুলো নবায়ন করতে হবে। একই কথা জানান চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এ

এইআর টেক্সটাইলের নতুন হিসাব বছর

hr texস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি এইআর টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ হিসাব বছরের নতুন গনণা শুরু করেছে। চলতি বছর থেকে কোম্পানিটি জুন-জুলাই হিসাবে বছর গনণা করবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানি আইন-১৯৯৪ ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী হিসাব বছর পরিবর্তন করবে।

জানা গেছে, কোম্পানিটি ৩১ মার্চের এর পরিবর্তে জুন-জুলাই হিসাব বছর গনণা করবে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল বিএসইসির ৫৭০তম সভায় ব্যাংক-বিমা- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাদে সকল তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে একই অর্থ বছর অনুসরন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। অর্থাৎ জুলাই থেকে জুন আর্থিক বছর অনুসরণ করতে হবে, যা আগামী ১লা জুলাই ২০১৬ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এলকে

পদ্মা লাইফের নো ডেভিডেন্ট ঘোষণা

padma lifeস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমেটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

কোম্পানির ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বীমাটি উচ্চ আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে বার্ষিক সভার (এজিএম) দিন ঘোষণা করবে। এ জন্য কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ জুলাই।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এলকে

আইপিওতে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে সমালোচনা

ipoনিজস্ব প্রতিবেদক :

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। বরাদ্দকৃত কোটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার ডিলাররা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ক্যাটাগরিভিত্তিক সংখ্যার ও সক্ষমতাকে গুরুত্ব দিয়ে কোটা বরাদ্দের দাবি করেছে তারা।

বুক বিল্ডিং সংশোধনি আইন অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পৃথক ১০টি ক্যাটাগরি করা হয়েছে। প্রতিটি ক্যাটাগরির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোটার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বরাদ্দ রয়েছে। এতে ২০০ ব্রোকার ডিলার প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে যে পরিমাণ শেয়ার কেনার সুযোগ পাবে, মাত্র দুটি প্রতিষ্ঠানের ক্যাটাগরি অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড একই পরিমাণ শেয়ার পাবে।

তবে সংশোধিত আইনে কোনো আইপিও এখনও বাজারে না আসায় আগেই এই বিষয়টি গুরুক্ত দিতে বলছে তারা।

শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ আবু আহমেদ মনে করেন, প্রাতিষ্ঠানিক কোটা বরাদ্দের থেকেও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে শেয়ারদর নির্ধারণের নতুন পদ্ধতি। দেশের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পেশাদারী আচরণে উন্নতি না হওয়ায় বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আসা আইপিওতে অস্বাভাবিক দর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নতুন পদ্ধতিতে দর প্রস্তাবের নিম্নসীমা (১১ টাকা) থাকলেও সর্বোচ্চ সীমা নেই। ফলে শেয়ার পাওয়া নিশ্চিত করতে কিছু প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী দর বাড়িয়ে যেতে পারে। তাতে কোনো কোম্পানির শেয়ার অস্বাভাবিক বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

সর্বশেষ সংশোধনের পরও বুক বিল্ডিং আইনের কিছু দুর্বলতা আছে বলে স্বীকার করেছেন শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কমিশনার স্বপন কুমার বালা। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দর নির্ধারণ পদ্ধতিতে দুর্বলতা রয়েছে। আইনের কিছু সমস্যা বিষয়ে কমিশন অবহিত। নতুন আইনে অন্তত একটি কোম্পানির আইপিও আসুক। অভিজ্ঞতার আলোকে প্রয়োজনে আবারও আইনটি সংশোধন করা হবে। সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ১০টি ক্যাটাগরির মধ্যে সর্বাধিক ২০০ প্রতিষ্ঠান আছে ব্রোকার ডিলার ক্যাটাগরিতে। পরের অবস্থানে বীমা ক্যাটাগরিতে ৭৭টি। ব্যাংক ক্যাটাগরিতে আছে ৬০টি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংক ক্যাটাগরিতে ৫৬, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক ক্যাটাগরিতে ৩১, বিদেশি বিনিয়োগকারী ক্যাটাগরিতে ২০, পেনসন ও প্রভিডেন্ট ফান্ড ক্যাটাগরিতে ২০, সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি ক্যাটাগরিতে ১৮ এবং অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও এসব ফান্ডের ম্যানেজার ক্যাটাগরিতে দুটি করে মোট চারটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এক সমীক্ষায় দেখা যায়, আইপিওতে কোনো কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য কোটা বরাদ্দ এক লাখ শেয়ার। এ থেকে ১০ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানের জন্য সমান ১০ শতাংশ হারে বণ্টন হবে। ফলে ব্রোকার ডিলার ক্যাটাগরিতে ২০০ প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১০ হাজার শেয়ার কিনতে পারবে। আবার দুটি প্রতিষ্ঠান নিয়েও অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ম্যানেজাররাও ১০ হাজার শেয়ার পাবে। অর্থাৎ সব ব্রোকার ডিলার আইপিও শেয়ার পাওয়ার যোগ্য হলে প্রত্যেকে ৫০টি শেয়ার পাবেন। আবার অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ম্যানেজার পাবে ৫ হাজার শেয়ার।

এ হিসেবে প্রতিটি বীমা কোম্পানি পাবে ১৩০টি, ব্যাংক পাবে ১৬৭টি শেয়ার, মার্চেন্ট ব্যাংক পাবে ১৮২টি, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক কোম্পানি ৩২৩টি, প্রত্যেক বিদেশি বিনিয়োগকারী ৫০০টি, পেনশন ও প্রভিডেণ্ট ফান্ড ৫০০টি এবং প্রত্যেক সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি পাবে ৫৫৬টি শেয়ার।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম