ইয়াকিন পলিমারের আইপিও লটারির ড্র ১০ আগস্ট

yakinনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের আইপিওর লটারির ড্র আগামী ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন সকাল ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ ড্র অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন জমা নেয়া শুরু হয় ১০ জুলাই। আর তা চলে ২০ জুলাই পর্যন্ত।

জানা গেছে, ৫০০ শেয়ার নিয়ে এর মার্কেট লট। তাই একটি আবেদনের জন্য ৫ হাজার টাকা জমা নেওয়া হয়। গত ১৯ মে বিএসইসির ৫৭৩তম কমিশন সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন পায়।

ইয়াকিন পলিমার বাজারে দুই কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। অভিহিত মূল্যে তথা ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যু করছে কোম্পানি। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

২০১৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৪১ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ১৪ টাকা ৬১ পয়সা।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, আইপিওর অর্থে মেশিনারিজ ক্রয়, কারখানা ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/এ

শাশা ডেনিমসের বোর্ড সভা বুধবার

Shasha-1স্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি শাশা ডেনিমস লিমিটেডের বোর্ড সভা আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ২৭ জুলাই বুধবার বিকেল ৩টায় এ বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বোর্ড সভায় ২০১৭ সালের জানুয়ারি হতে জুন অর্ধবার্ষিকীর অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

এসভায় ২০১৬ সালের জানুয়ারি হতে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত আর্থিক প্রতিবেদন সমন্বিত করবে পরিচালনা বোর্ড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এএআর/জেড

আমান কটনের রোড শো আজ

ACFL_Book-Building-Notice_FINALস্টকমার্কেট ডেস্ক :

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য আমান কটন ফাইবরাস লিমিটেড রোড শো আজ ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এদিন সন্ধ্যা ৭ টায় এয়ারপোর্ট রোডে অবস্থিত লা মেরিডিয়ান হোটেলের বলরুমে রোড শো’র আয়োজন করা হয়েছে।

এই রোড শোতে অংশগ্রহণ করবে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যান্ড পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, স্টক ডিলারস, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ম্যানেজার, অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড, রিকগনাইজ পেনশন অ্যান্ড প্রভিডেন্ড ফান্ড এবং কমিশনের অনুমোদিত অন্য প্রতিষ্ঠানসমূহ।

কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর রেজিস্ট্রার টু দি ইস্যু হিসেবে রয়েছে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

ইসলামিক ফাইন্যান্সের ইপিএস ৬৩ পয়সা

islami fস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নন ব্যাংকিং আর্থিক খাতের কোম্পানি ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ৬৩ পয়সা। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

গত ৬ মাসে কোম্পানিটি অনিরীক্ষিত অার্থিক পর্যালোচনা শেষে জানিয়েছে, আলোচিত সময়ে তাদের ইপিএস হয়েছে ৬৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৫৪ পয়সা।

এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৬৭ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ টাকা ২৫ পয়সা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/বিএ

ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের ইপিএস ৯১ পয়সা

united-finance-smbdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নন ব্যাংকিং আর্থিক খাতের কোম্পানি ইউনাইটেড ফাইন্যান্স লিমিটেড শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ৯১ পয়সা। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

গত ৬ মাসে কোম্পানিটি অনিরীক্ষিত অার্থিক পর্যালোচনা শেষে জানিয়েছে, আলোচিত সময়ে তাদের ইপিএস হয়েছে ৯১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৮১ পয়সা।

এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৩৫ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৫ টাকা ৯০ পয়সা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/বিএ

ব্যাংকের বাড়তি বিনিয়োগের খবরে উত্থানে ফিরছে শেয়ারবাজার

index upনিজস্ব প্রতিবেদক :

টানা কয়েক সপ্তাহ দরপতনের পর ইতিবাচক ধারায় ফিরছে দেশের শেয়ারবাজার। এরই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে বেড়েছে প্রধান সূচক ও লেনদেন। একই সঙ্গে বেড়েছে বাজার মূলধন ও পিই রেশিও। তবে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে কমেছে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের দর।

শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বাড়তি বিনিয়োগ (এক্সপোজার) সমন্বয়ের বিষয়টি সমাধান হওয়ায় আস্থা ফিরে পাচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ নিয়োগকারীরা। ফলে হতাশা কাটিয়ে এখন বাজারে সক্রিয় হচ্ছেন তারা। একই সঙ্গে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানোরও ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি সামনের দিনগুলোতে আরও ইতিবাচক হবে বলে মনে করছেন দেশের শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা।

গত সপ্তাহে টাকার অঙ্কে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৩৯৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। যা এর আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৯ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৭১৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণও। গড়ে প্রতিদিন টার্নওভার হয়েছে ৩৯৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩৪২ কোটি ৭২ লাখ টাকা।

গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৫ পয়েন্ট বেড়ে চার হাজার ৫৫৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। তবে শরিয়া সূচক ডিএসইএস ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১১৪ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ সূচক দশমিক ৫৮ পয়েন্টে বেড়ে ১ হাজার ৭৭৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৪টির, কমেছে ১৯৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টির। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারের সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়ে ১৪ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিকে গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক বেড়েছে দশমিক ৫৪ শতাংশ। সিএসই৩০ সূচক বেড়েছে দশমিক ৩৭ শতাংশ, সার্বিক সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে দশমিক ৪৮ শতাংশ, সিএসই৫০ সূচক বেড়েছে দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং শরীয়াহ্ সিএসআই সূচক কমেছে দশমিক ১৫ শতাংশ। সিএসইতে গড়ে মোট লেনদেন হয়েছে ২৮৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৩টির, কমেছে ১৬০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির। মোট লেনদেন হয়েছে ২২৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর ৪৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের সুযোগ

bbনিজস্ব প্রতিবেদক :

সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মূলধন বৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেয়ারবাজারের অতিরিক্ত বিনিয়োগ আইনি সীমায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। এতে আইনি সীমার মধ্যে থেকেই শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর নতুন করে বিনিয়োগের সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে। সব মিলিয়ে ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে আরো সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

এসকে সুর চৌধুরী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ১৩টি ব্যাংকের শেয়ারবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয় হয়েছে। অতিরিক্ত বিনিয়োগের অংশ দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের মূলধন বাড়ানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, শেয়ারবাজারের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ে এসব ব্যাংক তাদের সাবসিডিয়ারির মূলধন এমনভাবে বাড়িয়েছে যে, তাতে উল্টো বাড়তি বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এর পরিমাণ প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। সব মিলে আইনি সীমার মধ্যে থেকেই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত আরো সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ১৩টি ব্যাংকের এ সীমার অতিরিক্ত বিনিয়োগ ছিল। ব্যাংকগুলো যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয় করে আইনি সীমার নিচে নামিয়ে আনতে পারে, সেজন্য সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূলধন বাড়িয়ে বিনিয়োগ সমন্বয়ের বিকল্প সুযোগ সৃষ্টি করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২৭ এপ্রিল গভর্নর ফজলে কবির বিকল্প এ ব্যবস্থার অনুমোদন দেন।

এর পর ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে মূলধন বাড়িয়ে বিনিয়োগ সমন্বয়ের অনুমোদন চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করা হয়। ধাপে ধাপে বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব আবেদন অনুমোদন করে। ২০১৩ সালে এ ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য ২০১৬ সালের ২১ জুলাই পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল। এটি সমন্বয়ের শেষদিন ছিল বৃহস্পতিবার।

শেয়ার বিক্রি ছাড়াই এসব ব্যাংক তাদের বিনিয়োগ আইনি সীমায় নামিয়ে আনার সুযোগ নিয়েছে। বেশির ভাগ ব্যাংক সহযোগী কোম্পানিকে (ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক) দেয়া ঋণকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মূলধন হিসেবে রূপান্তর করে এ শর্ত পূরণ করেছে। এছাড়া অতিরিক্ত বিনিয়োগের অংশ থাকা শেয়ারও বাজারমূল্য বিবেচনায় সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানকে মূলধন হিসেবে দেয়া হয়েছে।
স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম