ক্ষতিগ্রস্তদের ১৭১ কোটি টাকার সুদ মওকুফ করবে আইসিবি

icbনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজার ধসে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের মার্জিন ঋণের ১৭১ কোটি টাকার সুদ মওকুফের উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ সংস্থা ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। শিগগির পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ সুদ মওকুফ করার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে।

আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার-উজ-জামান বলেন, বাজার ধসের পর ক্ষতিগ্রস্ত মার্জিনধারী গ্রাহকদের কাছে মার্জিন ঋণের সুদ বাবদ আমাদের পাওনা মওকুফের একটি প্রস্তাব পরবর্তী পর্ষদ সভায় উত্থাপন করা হবে। পর্ষদ তা অনুমোদন করলে আশা করছি, সুবিধাপ্রাপ্ত গ্রাহকদের একটি বড় অংশই বাজারের লেনদেনে নিয়মিত হতে পারবেন। বিষয়টি বাজারের জন্যও ইতিবাচক হবে।

তিনি আরো জানান, ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মার্জিনধারী গ্রাহকদের প্রকৃত লোকসান নিরূপণ ও তাদের জন্য সুবিধা প্রস্তাবে স্বাধীন নিরীক্ষকের সহায়তা নিয়েছে আইসিবি।

উপাত্ত অনুসারে, আইসিবি তাদের ৭ হাজার ৭৪ জন মার্জিন গ্রাহকের ৮০ শতাংশ সুদ মওকুফ করবে। মার্জিন ঋণের কারণে যাদের নিজস্ব ইকুইটি ঋণাত্মক হয়ে গেছে, তারা এ সুবিধা পাবেন। এক্ষেত্রে আইসিবিকে প্রায় ১৬৬ কোটি টাকার সুদ মওকুফ করতে হবে।

অন্যদিকে বড় লোকসানে শেয়ার বিক্রি করে দেয়াসহ নানা কারণে যাদের পোর্টফোলিওর মোট সম্পদমূল্য শূন্যে নেমে গেছে, তাদের সুদ শতভাগ মওকুফ করে দেয়া হবে। তবে মার্জিন ঋণের আসল পরিশোধ করতে হবে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে। এ ধরনের গ্রাহকের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৭৫।

২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মার্জিনধারী গ্রাহকদের কাছে সুদাসলে আইসিবির পাওনা ৪২৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২১৭ কোটি টাকা মার্জিন ঋণের আসল এবং বাকিটা (২১২ কোটি টাকার বেশি) সে ঋণের সুদ বাবদ। এখন ফোর্সড সেল করা হলে আইসিবি বড়জোর ১৪৩ কোটি টাকা পুনরুদ্ধার করতে পারবে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে ঋণাত্মক ইকুইটির ৭ হাজার ৭৪ জন গ্রাহক যদি তাদের ২০ শতাংশ সুদ পরিশোধ করেন, তাহলে আইসিবি ৪১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা পাবে। ব্রোকারেজ সাবসিডিয়ারির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল মিলিয়ে বর্তমানে ৪০ হাজারের বেশি বিনিয়োগকারীকে সেবা দিচ্ছে আইসিবি।

এর বাইরে ২০১০ সালের ধসে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকার ঘোষিত ৯০০ কোটি টাকার বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমেরও তদারক তারা। অবশ্য সেকেন্ডারি বাজারের সার্বিক পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও তহবিলের প্রায় আড়াইশ কোটি টাকা অবণ্টিত রয়ে গেছে।

বাজার-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সুদ মওকুফ সুবিধা পাওয়া বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশই সেকেন্ডারি বাজারে সক্রিয় হওয়ার অনুপ্রেরণা পাবেন। বিভিন্নভাবে মার্জিন ঋণের কারণে আটকে যাওয়া বিও হিসাবগুলোকে লেনদেনে সক্রিয় করা গেলে তা শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে ভূমিকা রাখবে।

দেশের মার্চেন্ট ব্যাংকাররাও এ কারণে সম্প্রতি সরকারের কাছে ৬ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল দাবি করেছে। তাদের গ্রাহক ও নিজ পোর্টফোলিওতে ঋণাত্মক ইকুইটির মোট অংকটিও প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

আবারো সিলেট মেট্রোসিটি সিকিউরিটিজের লেনদেন স্থগিত

cse-logo-sনিজস্ব প্রতিবেদক :

গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধে ব্যর্থতায় সিলেট মেট্রোসিটি সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষ। গ্রাহকদের ১২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার ও নগদ অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় এ ব্যবস্থা নিয়েছে সিএসইর পরিচালনা পর্ষদ। সম্প্রতি সিএসইর বোর্ডসভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এ কারণে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ব্রোকারেজ হাউজটিতে শেয়ার লেনদেন বন্ধ রয়েছে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিষ্ঠানটির ট্রেক লাইসেন্স স্থগিত করল সিএসই।

এ বিষয়ে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার গনমাধ্যমকে বলেন, সিএসই তদন্ত করে সিকিউরিটিজ হাউজটির বিরুদ্ধে বেশকিছু অনিয়ম পেয়েছে। তাদের ট্রেক লাইসেন্স চলমান থাকলে বিনিয়োগকারীদের নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেখানকার যে বিওধারীদের অ্যাকাউন্টে শেয়ার রয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে অন্যত্র শেয়ার স্থানান্তর করতে পারবেন। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের পাওনা ফেরত দিতে সিলেট মেট্রোসিটির পরিচালকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর পরও যদি তারা পাওনা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেবে সিএসই। এক্ষেত্রে ট্রেক লাইসেন্স বিক্রির মাধ্যমে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা নেয়ারও সুযোগ রয়েছে আইনে।

সিএসইর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলেট মেট্রোসিটি সিকিউরিটিজের ১ হাজার ৩১৫ জন গ্রাহকের মোট ১২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার পাওনা অনিষ্পন্ন রয়েছে। এছাড়া চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত গ্রাহক হিসেবে ১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ঘাটতি রয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

উত্থানেও ফেসভ্যালুর নিচে ২৯ কোম্পানির শেয়ারদর

indexনিজস্ব প্রতিবেদক :

গত তিন মাসে শেয়ারবাজারে ব্যাপক উত্থান ঘটলেও তালিকাভুক্ত ২৯টি কোম্পানির শেয়ারদর গায়ের দরের (ফেসভ্যালু) নিচে লেনদেন হচ্ছে। কিছু কোম্পানির লেনদেন হচ্ছে একেবারে গায়ের দরে। লোকসান বেড়ে যাওয়া কিংবা মুনাফা কমে যাওয়ার কারণেই কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে গেছে। এজন্যই গায়ের দরের নিচে কোম্পানিগুলোর শেয়ার বিক্রি হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যে দেখা গেছে, গত তিন মাসে ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ২২৮ পয়েন্ট বেড়েছে। বাজারের লেনদেনও সাড়ে তিনশ কোটি টাকা থেকে ছয়শ কোটি টাকায় উঠে এসেছে। অর্থাত্ পুঁজিবাজারের দিকে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার বিষয়টি স্পষ্ট। কিন্তু ২৯টি কোম্পানির শেয়ারদর এখনও ফেসভ্যালুর নিচে লেনদেন হচ্ছে। এ কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ খুব কম। কোম্পানিগুলোর মধ্যে বস্ত্র খাত ও ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিই বেশি।

এ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর কম হওয়ার কারণ হিসেবে ফান্ড ম্যানেজাররা বলছেন, ব্যাংক সম্পর্কে শেয়ার বিনিয়োগকারীদের আস্থা খুবই কম। ব্যাংকগুলোর দেয়া ঋণের মান এবং কু-ঋণ পরিস্থিতির কারণে ব্যাংকের শেয়ারে তারা বিনিয়োগ করতে চান না। তাই ব্যাংকগুলো মুনাফা করলেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ নেই। এতে ব্যাংকগুলোর শেয়ার দর ফেসভ্যালুরও নিচে নেমে এসেছে। এ ধরনের প্রবণতা ব্যাংকিং খাতের জন্য খুবই নেতিবাচক।

বস্ত্র খাত প্রসঙ্গে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলো ভালো মুনাফা করলেও অনেক কোম্পানিই ভালো লভ্যাংশ দেয় না। কোম্পানিগুলোর এ প্রবণতার কারণে বিনিয়োগকারীরা বস্ত্র খাতের দিকে আসতে চায় না। তবে এবার এ খাতের যেসব কোম্পানি মুনাফা করতে পারছে না সে কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর ফেসভ্যালুরও নিচে নেমে গেছে। এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ডগুলো ভালো মুনাফা করতে না পারায় এ খাতের দিকেও আগ্রহ নেই বিনিয়োগকারীদের।

তথ্যে দেখা গেছে, গত সোমবার সর্বশেষ লেনদেনে সিএনএ টেক্সটাইলের লেনদেন হয়েছে ৯ দশমিক ১০ টাকায়। ঢাকা ডায়িংয়ের লেনদেন হয়েছে ৯ দশমিক ২ টাকায়, ডেল্টা স্পিনিং ৮ দশমিক ৬ টাকায়, দুলামিয়া কটন ৭ দশমিক ৫ টাকায়, ম্যাকসন্স স্পিনিং ৭ দশমিক ১ টাকায়, মেট্রো স্পিনিং ৮ দশমিক ২ টাকায়, সোনারগাঁও টেক্সটাইল ৮ দশমিক ৮ টাকায়, ফেমিলি টেক্সটাইল ৮ দশমিক ৭ টাকায়, জেনারেশন নেক্সট ৭ দশমিক ৩ টাকায় এবং এক্সিম ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯ দশমিক ৫ টাকায়। সর্বশেষ লেনদেনে ন্যাশনাল ব্যাাংকের লেনদেন হয়েছে ৯ দশমিক ৫ টাকায়, প্রিমিয়ার ব্যাংকের লেনদেন হয়েছে ৮ দশমিক ৫ টাকায়, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের লেনদেন হয়েছে ৯ দশমিক ৩, আসইসিবি ব্যাংক ৪ টাকায়, শাইনপুকুর সিরামিক্স ৮ দশমিক ৮ টাকায়, সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজ ৯ দশমিক ৫ টাকায়, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড ৮ দশমিক ২, ফারইস্ট ফাইন্যান্স ৯ দশমিক ৩, ফার্স্ট ফাইন্যান্স ৭ দশমিক ২, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ৯ দশমিক ৭, পিপলস লিজিং ৭ দশমকি ৪ টাকায়, প্রাইম ফাইন্যান্স ৮ দশমিক ৫ টাকায়, ফাইন ফুডস ৯ দশমিক ২ টাকায়, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ৭ টাকায়, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ ৫ দশমকি ৭ টাকায়, খুলনা প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং ৯ দশমিক ২ টাকায়, বেক্সিমকো সিনথেটিক্স ৬ দশমিক ১ টাকায় এবং বিডি সার্ভিস ৫ দশমিক ৫ টাকায় এবং ইউনাইটেড এয়ারের শেয়ার লেনদেন হয়েচে ৪ দশমিক ৮ টাকায়। এছাড়া ২৮টি মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম ফেসভ্যালুর নিচে অবস্থান করছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোম্পানিগুলোর পারফর্ম্যান্সের কারণেই বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কম। এ কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ কোম্পানিই লোকসানের মধ্যে রয়েছে। তবে ব্যাংকিং খাতের কয়েকটি কোম্পানি মুনাফা করার পাশাপাশি লভ্যাংশ দিলেও কোম্পানিগুলোর শেয়ার ফেসভ্যলুর নিচে অবস্থান করছে।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, শেয়ার কেনার মূল উদ্দেশ্য হলো— লভ্যাংশ পাওয়া কিংবা শেয়ার বিক্রি করে লাভ করা। যে কোম্পানিগুলো মুনাফা করতে পারেনা সে কোম্পানগুলো বছরশেষে কোন লভ্যাংশও দিতে পারে না। ফলে কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরও কমে যায়। তাই লভ্যাংশও পান না বিনিয়োগকারীরা, শেয়ার বিক্রি করেও লভ্যাংশ করতে পারেন না।

তাছাড়া কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ করতে না পারলে অনেক সময় ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে দিয়ে দেয়া হয়। তখন শেয়ার বিনিয়োগকারীরা আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই কোম্পানিগুলো মুনাফা করতে না পারলে শেয়ার বিনিয়োগকারীরা ওই শেয়ার কিনতে আগ্রহী হন না।
স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

সিএপিএম বিডিবিএল ফান্ডের সাবস্ক্রিপশন রবিবার

bsecস্টকমার্কেট ডেস্ক :

সম্প্রতি ১০ বছর মেয়াদি সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ১৬ অক্টোবর রবিবার হতে ফান্ডটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও)সাবস্ক্রিপশন শুরু হবে, চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। আইপিওর লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ ইউনিটে।

ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান সূত্রে জানা গেছে, সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের টার্গেট সাইজ ১০০ কোটি টাকা এবং প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। এরই মধ্যে উদ্যোক্তার অংশের ১০ কোটি টাকা ও আইপিও-পূর্ব প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে ফান্ডটি। বাকি ৭০ কোটি টাকা আইপিও থেকে সংগ্রহ করা হবে।

মেয়াদি ফান্ডটির উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)। সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সিএপিএম (ক্যাপিটাল অ্যান্ড অ্যাসেট পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট) কোম্পানি লিমিটেড।

ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে থাকছে সরকারের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

এমজেএল বিডির ৭০% চূড়ান্ত লভ্যাংশ

mjl-smbdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর ফলে ১৮ মাসে কোম্পানির চূড়ান্ত লভ্যাংশ এসেছে ৭০ শতাংশ। সোমবার কোম্পানির পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, জানুয়ারি-জুন-২০১৬ সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছয় মাসে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৪৮ পয়সা।

আর শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৫ টাকা ৫১ পয়সা। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর-২০১৫ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটি ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে।

সবমিলে ১৮ মাসে কোম্পানির ঘোষিত চূড়ান্ত লভ্যাংশ দাঁড়াল ৭০ শতাংশ।

এই ১৮ মাসে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৭২ পয়সা। আগামী ১ ডিসেম্বর কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ নভেম্বর।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ