সপ্তাহের ব্যবধানে সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

গত সপ্তাহের (৩০ অক্টোবর-০৩ নভেম্বর) লেনদেনে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক বেড়েছে। এছাড়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। তবে কমে গেছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ।

এ সময় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৬.৬৪ পয়েন্ট বা ০.৭৯ শতাংশ ও ডিএসইএক্স শরিয়াহ সূচক ৮.২৫ পয়েন্ট বা ০.৭৪ শতাংশ বেড়েছে। আর ডিএসই ৩০ সূচক ৬.৩৩ পয়েন্ট বা ০.৩৬ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩২৮টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৫টি কোম্পানির, কমেছে ১২৫টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির।

এদিকে সূচক বাড়লেও গত সপ্তাহে আর্থিক লেনদেন কমেছে। এর আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে ২৭.৬৬ শতাংশ লেনদেন কমেছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৪৩৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। যা গত সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে হয়েছে ২ হাজার ১৮৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে এ লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ১৯ কোটি ১০ লাখ টাকার।

গত সপ্তাহে মোট লেনদেনের ৮৩.৯৩ শতাংশ ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ১.৮৫ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ১০.৯২ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ৩.৩০ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে লেনদেন হয়েছে।

সপ্তাহের শুরুতে ডিএসই’র বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ২৬ হাজার ১০ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ কোটি টাকায়। অর্থাৎ গত সপ্তাহে বাজার মূলধন বেড়েছে ০.৬৭ শতাংশ।

আগের সপ্তাহের ন্যায় গত সপ্তাহেও টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ডরিন পাওয়ার জেনারেশনের শেয়ার। আগের সপ্তাহের ১৯৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন সর্বশেষ সপ্তাহে হয়েছে ১১২ কোটি ৫০ কোটি টাকা। যা গত সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৫.১৫ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এমজেএল বাংলাদেশের লেনদেন হয়েছে ৫৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ২.৬৪ শতাংশ। ৫৩ কোটি ৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট।

লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমে- ব্র্যাক ব্যাংক, ফরচুন সুজ, আরগন ডেনিমস, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস, স্কয়ার ফার্মাসেউটিক্যালস, শাশা ডেনিমস ও মিথুন নিটিং।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

ডিএসইতে পিই রেশিও বেড়েছে ০.৭২ শতাংশ

peনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক (৩০ অক্টোবর-০৩ নভেম্বর) লেনদেনে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে ০.৭২ শতাংশ বা ০.১১ পয়েন্ট। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বর্তমানে ডিএসই’র পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৫.১৪ পয়েন্টে, যা গত সপ্তাহের শুরুতে ছিল ১৫.০৩ পয়েন্ট।

বর্তমানে খাতভিত্তিক হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ৮.৭৪ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতে ২৭.৭২, সিরামিকস খাত ২৩.৪২, প্রকৌশল খাতে ১৭.১৯, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১৫.৯৪, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ২৪.৮৯, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১১.৫৬, বীমা খাতে ১৭.১০, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২৭.৭৮, পাট খাতে ২০৫.৪৯, বিবিধ খাতে ২৬.৬৯, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ১৯.৮৫, সেবা ও আবাসন খাতে ২১.৪৫, টেলিযোগাযোগ খাতে ১৭.২৩, বস্ত্র খাতে ১১.৪০ এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ১৩.৯১ পয়েন্টে রয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ