সরকারি কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের তোড়জোড়

ministry of financeনিজস্ব প্রতিবেদক :

সরকারি কোম্পানিগুলোর শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে কোনো অগ্রগতি নেই। দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে, অসংখ্যবার সিদ্ধন্ত নেয়া হয়েছে; কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এসব কোম্পানির বেশির ভাগই তাদের শেয়ার শেয়ারবাজারে ছাড়েনি। এ ক্ষেত্রে যুক্তি দেখানো হয়েছে, কোম্পানি লোকসানে আছে, নতুবা সম্পদের মূল্যায়ন বা পুনর্মূল্যায়ন করা যায়নি। আবার কখনো বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে অনুমোদন দেয়নি বা এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি।

এই যখন অবস্থা তখন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি নিজেই এ বিষয়ে সভা করবেন, তাতে যদি কাজের কাজ কিছু করা যায়। অর্থমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসে যেন এ বিষয়ে একটি সভা আহ্বান করা হয়। এই সভায় দেখা হবে কী কারণে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও সরকারি কোম্পানিগুলোর শেয়ার শেয়ারবাজারে ছাড়া সম্ভব হচ্ছে না। এর পেছনে কারা দায়ী তাও এই সভায় চিহ্নিত করা হবে। একই সাথে সরকারি কোম্পানিগুলোর শেয়ারবাজারে ছাড়ার জন্য একটি চূড়ান্ত সময়সীমাও বেঁধে দেয়া হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ব্যাংকিং বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারবাজারে ভালো সিকিউরিটিজের সরবরাহ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সরকার মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর শেয়ার অফলোড সংক্রান্তকার্যক্রম বাস্তবায়ন অগ্রগতির পর্যালোচনার জন্য গত সেপ্টেম্বর মাসে ব্যাংকিং বিভাগের সচিবের সভাপতিতে একটি সভায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সভার কার্যবিবরণী অর্থমন্ত্রীর কাছে গত মাসে প্রেরণ করা হয়। সেই বিবরণীতে অর্থমন্ত্রী একটি নোট প্রদান করেন।

সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই বিষয় নিয়ে ফেব্রুয়ারি-মাচের্ (আগামী বছর) আমি একটি সভা করতে চাই। সেই উদ্দেশ্যে যেসব কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার কথা (যেগুলো স্থগিত রাখা হয়েছে তা ছাড়া) তাদের সমন্ধে প্রত্যেকের কী কার্যক্রম সে সমন্ধে প্রতিবেদন পাঠাতে বলুন। এই প্রতিবেদন ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে পাঠাতে বলতে হবে। ’

ব্যাংকিং বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, এই বিষয় এখন অর্থমন্ত্রী নিজে তত্ত্বাবধান করবেন বলে আমাদের মনে হচ্ছে। তাই তিনি নিজে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি বা মার্চে একটি সভা আহ্বান করতে বলেছেন, যা থেকে একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেয়া হবে, যে এই সময়ের মধ্যে শেয়ারগুলো বাজারে ছাড়তে হবে।

এর আগে চলতি বছরের ৯ মে ব্যাংকিং বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে এই বিষয় নিয়ে একটি অন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে নির্দেশ দেয়ায় সরকারি মালিকানাধীন সব কোম্পানিকে তাদের সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। এ সম্পর্কিত একটি প্রস্তাব নিজ নিজ কোম্পানিগুলোকে ৩০ জুনের মধ্যে তাদের পরিচালনা পর্ষদে উত্থাপন করতে বলা হয়।

সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান করবে বলে নির্দেশনাও দেয়া হয়েছিল; কিন্তু এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

সূত্র জানায়, সেই সভায় সভাপতির পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, কয়েকবার সময় বেঁধে দেয়ার পরও কেন সরকারি কোম্পানিগুলো শেয়ারবাজারে তাদের শেয়ার অফলোড করছে না বা করতে পারছে না। এ বিষয়ে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সভায় অবহিত করেন, শেয়ারবাজারে সরাসরি (ডিরেক্টট লিস্টিং) তালিকাভুক্তি হলে বিক্রিত শেয়ারের অর্থ কোম্পানির তহবিলে না এসে সরাসরি কোষাগারে জমা হয়, ফলে কোম্পানিগুলো এ পদ্ধতি শেয়ারবাজারে আসতে চায় না। অপর দিকে সরকারি বেশির ভাগ কোম্পানিই লোকসানি প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে আইপিওর মাধ্যমেও পুঁজিবাজারে আসতে পারে না। তিনি উল্লেখ করেন, তবে এরপরও এলপিজিএল, জালালাবাদ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি এবং এসেনশিয়াল ড্রাগ কোম্পানি লিমিটেড এই মুহূর্তে শেয়ারবাজারে আসতে পারে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এএআর/জেড

সাত কোম্পানির লেনদেন স্পট মার্কেটে

Spot-Market-230x155স্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সাত কোম্পানির রেকর্ড ডেটের আগে আজ রবিবার থেকে স্পট মার্কেটে লেনদেন শুরু হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, কোম্পানিগুলোর মধ্যে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, বিডি অটোকার্স, শ্যামপুর সুগার জিলবাংলা সুগার মিলসের স্পটে লেনদেন আগামী ১৬ নভেম্বর শেষ হবে। এ কোম্পানিগুলোর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ নভেম্বর।

অন্যদিকে অ্যাক্টিভ ফাইন, এএফসি অ্যাগ্রো ও আইটি কনসালেটন্ট লিমিটেডের লেনদেন ৭ নভেম্বর শেষ হবে। কোম্পানিগুলোর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৮ নভেম্বর। রেকর্ড ডেটের দিন কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। এর অংশ হিসেবেই দুই দিন স্পট মার্কেটে কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এএআর/জেড

চার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাষ্টি সভা

boardস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৪টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাষ্টি সভা আহবান করা হয়েছে। এ সভায় চলতি বছরের প্রতম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

এদিন বেলা ২ টা ৩৫ মিনিট থেকে ৩ টা ৫ মিনিট পর্যন্ত এ ট্রাষ্টি সভাগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

মিউচ্যুয়াল ফান্ড গুলো হলো – এবিব্যাংক ফার্ষ্ট মি.ফা., ইবিএল এনআরবি মি. ফা, পিএইচপি ফার্ষ্ট মি. ফা. ও পপুলার ফার্ষ্ট মি. ফা.।

এ সভায় চলতি বছররের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনটি সমন্বিত করবে পরিচালনা বোর্ড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এএআর/জেড

মডার্ণ ডায়িংয়ের বোর্ড সভা ১০ নভেম্বর

modernস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত পোশাক শিল্প খাতের কোম্পানি মডার্ণ ডায়িং লিমিটেডের প্রথম প্রান্তিকের বোর্ড সভা আগামী ১০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেজুলেশন ২০১৫ এর ১৬(১) ধারা অনুযায়ী, এই বোর্ড সভায় চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

এদিন বেলা ৪ টায় নিজস্ব কার্যালয়ে এই বোর্ড সভা করবে কোম্পানিটি।

বোর্ড সভায় কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

  1. কনফিডেন্স সিমেন্ট
  2. ডরিন পাওয়ার
  3. এমজেএল বিডি
  4. ব্র্যাক ব্যাংক
  5. আর্গন ডেনিমস
  6. এপেক্স ফুট
  7. নাভানা সিএনজি
  8. পেনিনসুলা হোটেল
  9. শাশা ডেনিমস
  10. লাফার্জ সুরমা।

ডিএসইতে ৪৬৮ ও সিএসইতে ২৭ কোটি টাকার লেনদেন

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনের শেষে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৬৮ কোটি টাকা। অন্যদিকে এদিন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন ২৭ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রবিবার দিনভর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৪৬৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সেখানে ৫০৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়।

এদিন ডিএসইতে ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ০.৪৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৬৭২ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ০.৯৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১১১৮ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ সূচক ০.৯৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭৫৬ পয়েন্টে।

এদিন দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২৪ টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ১৫৮টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর।

এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেনে শীর্ষ কোম্পানিগুলো হচ্ছে- কনফিডেন্স সিমেন্ট, ডরিন পাওয়ার, এমজেএল বিডি, ব্র্যাক ব্যাংক, আর্গন ডেনিমস, এপেক্স ফুট, নাভানা সিএনজি, পেনিনসুলা হোটেল, শাশা ডেনিমস ও লাফার্জ সুরমা।

এদিকে রবিবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ২৭ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সেখানে ৩০ কোটি ৭৩ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এদিন সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল কনফিডেন্স সিমেন্ট ও ডরিন পাওয়ার।

এদিন সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৩৭৫ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৩৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৫টির, কমেছে ৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

মেঘনা পেট্রোলিয়ামের বোর্ড সভা ১০ নভেম্বর

megnaস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানী ও শক্তি খাতের কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের প্রথম প্রান্তিকের বোর্ড সভা আগামী ১০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেজুলেশন ২০১৫ এর ১৬(১) ধারা অনুযায়ী, এই বোর্ড সভায় চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টায় নিজস্ব কার্যালয়ে এই বোর্ড সভা করবে কোম্পানিটি।

বোর্ড সভায় কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

আমরা টেকনোলজির বোর্ড সভা ১৪ নভেম্বর

aamra-technology-limitedস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আইটি খাতের কোম্পানি আমরা টেকনোলজি লিমিটেডের প্রথম প্রান্তিকের বোর্ড সভা আগামী ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেজুলেশন ২০১৫ এর ১৬(১) ধারা অনুযায়ী, এই বোর্ড সভায় চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

এদিন বিকাল ৪ টায় নিজস্ব কার্যালয়ে এই বোর্ড সভা করবে কোম্পানিটি।

বোর্ড সভায় কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

আজিজ পাইপস ও বিবিএসের ১ম প্রান্তিকের বোর্ড সভা

boardস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আজিজ পাইপস ও বাংলাদেশ বিল্ডিং কর্পোরেশন লিমিটেডের প্রথম প্রান্তিকের বোর্ড সভা আগামী ১৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেজুলেশন ২০১৫ এর ১৬(১) ধারা অনুযায়ী, এই বোর্ড সভায় চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

এদিন যথাক্রমে বেলা ৩ টা ও বিকাল ৪ টায় নিজস্ব কার্যালয়ে এই বোর্ড সভা করবে কোম্পানিটিগুলো।

বোর্ড সভায় কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

এটলাস বিডির লভ্যাংশ নিয়ে সংশয় : আজ বোর্ড সভা

atlasনিজস্ব প্রতিবেদক :

প্রায় পাঁচ বছর বিরতির পর বাজারে স্থায়ী মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড আনলেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি এটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড। মোটরসাইকেল সংযোজন ও বিপণনে বেসরকারি খাতের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় হিমশিম খেতে হচ্ছে সরকারের প্রকৌশল কোম্পানিটিকে। এদিকে সরকারি কাজে এটলাসের মোটরসাইকেল ক্রয়ের আইনি নির্দেশনা থাকলেও তা মানছে না বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান। শিল্প মন্ত্রণালয়ে কোম্পানির দেয়া হিসাবে দেখা যাচ্ছে, কয়েক দশকের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নিরীক্ষিত লোকসান দেখাতে যাচ্ছে এটলাস বাংলাদেশ।

জানা গেছে, আজ রবিবার কোম্পানিটি লভ্যাংশ নির্ধারণ করবে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য। চলতি বছরে ৯ মাসে বড় ধরণের লোকসানে রয়েছে কোম্পানি। তাই এ বছরে নো ডেভিডেন্ট ঘোষণা করতে পারে কোম্পানিটি।

সূত্র থেকে জানা যায়, সংযোজনের পর নতুন মোটরসাইকেল বিক্রির বিপরীতে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সর্বশেষ হিসাব বছরে ৪ কোটি টাকার বেশি লোকসান দেখাতে হচ্ছে এটলাস বাংলাদেশকে। শিল্প মন্ত্রণালয়ে দেয়া প্রতিবেদনে ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে ২৭ কোটি ৯০ লাখ টাকার পণ্য বিক্রির বিপরীতে প্রায় ৩২ কোটি টাকা ব্যয় দেখিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সংযোজন-বিপণনের জন্য কোনো মোটরসাইকেল ব্র্যান্ডের সঙ্গে স্থায়ী চুক্তি না থাকলেও ২০১৪-১৫ হিসাব বছরে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা মুনাফা ছিল এ কোম্পানির। তবে ৩০ জুন সমাপ্ত সর্বশেষ হিসাব বছরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি ও নতুন মোটরসাইকেল সংযোজন শুরু করায় বিক্রির বিপরীতে এটলাসের উত্পাদন খরচ ও করের পরিমাণ বেড়েছে। ২৭ কোটি টাকার পণ্য বিক্রির বিপরীতে কর বাবদ ২০ কোটি টাকার বেশি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হয়েছে কোম্পানিটিকে। এর বাইরে নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন পরিশোধ ও কয়েকজন কর্মকর্তার অবসর ভাতা বাবদ ৩ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। সব মিলিয়ে বছর শেষে লোকসান দেখিয়েছে কোম্পানিটি।

এ প্রসঙ্গে এটলাস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবুল কাশেম বলেন, জংশেন চীনের ব্র্যান্ড হলেও মোটরসাইকেলগুলোর গুণগত মান ভালো। পণ্য উত্পাদনের বিপরীতে বিক্রির পরিমাণ বেশ ভালো। তবে গেল বছর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির কারণে কোম্পানির খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এদিকে ব্যাংকে আমানতের সুদহার কমে যাওয়ায় এফডিআর থেকে আয় কমেছে। এছাড়া সংযোজন করা কিছু মোটরসাইকেল এখনো স্টকে রয়ে গেছে, যা আগামীতে বিক্রি হবে। আমার বিশ্বাস, আগামী দিনগুলোয় এটলাস মুনাফার ধারায় ফিরে আসবে।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, বছরের প্রথম ৯ মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসানের পরিমান দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৩৬ পয়সা, যা গত বছরের এই সময়ে লোকসান ছিল ৯৩ পয়সা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ