এইচএসবিসি পুরস্কার পেল তালিকাভুক্ত এক কোম্পানি

9cc640f91ed17fb452ce3e8c4399c1d2-img_20161203_211430নিজস্ব প্রতিবেদক :

এইচএসবিসি এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) সেরা রপ্তানিকারক পুরস্কার পেয়েছে পাঁচ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ট্রেডেক্সেল গ্রাফিকসের চেয়ারম্যান রেজওয়ান রহমান, এপিক গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াকার কাজী, ডিবিএল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুর রহিম, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, এইচএসবিসির গ্লোবাল হেড অব ট্রেড ও রিসিভেবলস ফিন্যান্স নাতালি ব্লিথ ও এইচএসবিসি বাংলাদেশের উপপ্রধান নির্বাহী মাহবুবউর রহমান l

গতকাল শনিবার রাতে রাজধানীর র্যাডিসন হোটেলে এক জমকালো অনুষ্ঠানে ‘এইচএসবিসি এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ শীর্ষক এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

পাঁচটি শ্রেণিতে এবারের বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ডিবিএল গ্রুপ, হা-মীম ডেনিম, এপিক গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ও ট্রেডেক্সেল গ্রাফিকস।

সনাতন ও উদীয়মান শ্রেণিতে বিজয়ী স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। এটি স্থানীয় বাজারে ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি এশিয়া ও আফ্রিকার ৩৯টি দেশে রপ্তানি করছে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী পুরস্কার গ্রহণ করেন।

তৈরি পোশাকশিল্প ও টেক্সটাইলস (গ্রুপ এ: রপ্তানি আয় ৫ কোটি ডলারের বেশি) শ্রেণিতে বিজয়ী ডিবিএল গ্রুপ ৪৭টি দেশে পণ্য রপ্তানি করছে। ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো এইচএসবিসি পুরস্কার পেল। ডিবিএল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুর রহিম পুরস্কার গ্রহণ করেন।

তৈরি পোশাকশিল্প ও টেক্সটাইলস (গ্রুপ বি: রপ্তানি আয় ৫ কোটি ডলারের কম) শ্রেণিতে বিজয়ী হা-মীম ডেনিম ২০০৭ সালে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। এটি দেশের সবচেয়ে বড় ডেনিম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বলে জানায় এইচএসবিসি। এ প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ। হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে আজাদ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) শ্রেণিতে বিজয়ী এপিক গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি হংকংয়ে প্রতিষ্ঠিত। এটি বাংলাদেশে প্রায় ৩০ বছর ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এটি বিশেষ ধরনের (নো-আয়রন, নন-ওয়াশ) বটমস তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে বিক্রি করে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াকার কাজী পুরস্কার নেন।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে বিজয়ী প্রতিষ্ঠান ট্রেডেক্সেল গ্রাফিকস ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত। এটি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোকে গ্রাফিকস সেবা প্রদান করে। কোম্পানিটির রপ্তানি আয় গত তিন বছরে ৮৮ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান রেজওয়ান রহমান পুরস্কার গ্রহণ করেন।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘২০২১ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার কোটি ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আমার আত্মবিশ্বাস, রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে অনেক বেশি হবে।’

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ/বি

আইসিবি ইসলামীর সাথে লোকসানের খাতায় রূপালী ব্যাংক

bankনিজস্ব প্রতিবেদক :

চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ ব্যাংকের মুনাফা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। তবে বিপরীত চিত্র বিরাজ করছে ১১টি ব্যাংকের মুনাফায়। এরমধ্যে দু’টি ব্যাংক লোকসানের খাতায় নাম লিখিয়েছে। আগের বছর লোকসানে ছিল শুধু আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। চলতি বছরে এই ব্যাংকটির সঙ্গে লোকসানের খাতায় নতুন করে নাম লিখিয়েছে রূপালী ব্যাংক।

সরকারি মালিকানাধীন রূপালী ব্যাংকের চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে লোকসান দাঁড়িয়েছে ২৪১ কোটি ৮০ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। আগের বছরের একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ১৯ কোটি ৩৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা মুনাফায় ছিল।

লোকসানে থাকা আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের চলতি বছরে লোকসান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ কোটি ২০ লাখ ২৪ হাজার টাকা। আগের বছরের প্রথম নয় মাসে প্রতিষ্ঠানটির লোকসান ছিল ১৫ কোটি ৪০ লাখ ৩১ হাজার টাকা। অর্থাৎ লোকসানের আবর্তনে ঘুরপাক খাওয়া আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের লোকসান চলতি বছরে আরও বেড়েছে।

ব্যাংকগুলোর তৈরি করা সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোকসানে থাকা দুটি প্রতিষ্ঠান বাদে আগের বছরের তুলনায় মুনাফা কমার তালিকায় রয়েছে- ডাচ-বাংলা, সাউথ ইস্ট, প্রাইম, উত্তরা, ইউসিবিএল, পূবালী, ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা এবং ওয়ান ব্যাংক।

এদিকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংক সম্মেলিতভাবে মুনাফা করেছে ৪ হাজার ৪৯ কোটি ৩২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ হাজার ৮৩২ কোটি ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা। অর্থাৎ চলতি বছরে তালিকাভুক্ত ব্যাংকের সম্মেলিত মুনাফা বেড়েছে ২১৭ কোটি ২৮ লাখ ২৬ হাজার টাকা।

আগের বছরের তুলনায় চলতি বছরে মুনাফায় প্রবৃদ্ধি হওয়া ১৯টি ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে- সোস্যাল ইসলামী, এনসিসি, ন্যাশনাল, মার্কেন্টাইল, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী, এক্সিম, সিটি, এবি, আল-আরাফা ইসলামী, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট, ব্র্যাক, যমুনা, ইস্টার্ন, আইএফআইসি, প্রিমিয়ার, শাহজালাল, স্ট্যান্ডার্ড, ট্রাস্ট এবং ইসলামী ব্যাংক।

টাকার অঙ্কে মুনাফার প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা আগের বছরের থেকে ১১১ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। যা আগের বছরে ছিল ১৫৪ কোটি ৪৯ লাখ ২৬ হাজার টাকা।

এর পরের স্থানেই রয়েছে এক্সিম ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা আগের বছরের থেকে প্রায় ৮৯ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩২ কোটি ৬১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। যা আগের বছরে ছিল ৪৩ কোটি ৭২ লাখ ১৯ হাজার টাকা।

অপরদিকে টাকার অঙ্কে বরাবরের মতো চলতি বছরেও মুনাফায় শীর্ষে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে প্রতিষ্ঠানটি মুনাফা করেছে ৪২০ কোটি ৪১ লাখ টাকা। যা আগের বছরে ছিল ৩৯২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

এ ছাড়া ২০০ কোটি টাকার ওপরে মুনাফা করা ব্যাংকগুলোর তালিকায় রয়েছে- ব্র্যাক, ন্যাশনাল, ইস্টার্ন, সাউথ ইস্ট, ইউসিবিএল এবং সিটি ব্যাংক।

অন্যদিকে, ১০০ কোটি টাকার ওপরে মুনাফা করা তালিকায় রয়েছে- এক্সিম, মার্কেন্টাইল, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী, এবি, আল-আরাফা, আইএফআইসি, ট্রাস্ট, ডাচ-বাংলা, পূবালী, ঢাকা এবং ওয়ান ব্যাংক।

এদিকে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো ধারাবাহিক মুনাফা করলেও শেয়ারবাজারে তার খুব একটা প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। এমনকি মুনাফায় প্রবৃদ্ধি হওয়ার পরও ন্যাশনাল ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হচ্ছে অভিহিত মূল্যের নীচে। এ ছাড়া ১৫টি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হচ্ছে ২০ টাকার নীচে। যার মধ্যে ৫টির শেয়ার দাম ১৫ টাকারও নীচে রয়েছে।

অভিহিত মূল্যের নীচে থাকা ন্যাশনাল ব্যংকের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৯ টাকা ৯০ পয়সায়। এই প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দাম এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অভিহিত মূল্যের নীচে রয়েছে। অপর প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৯ টাকা ১০ পয়সায়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ/বি

লাফার্জ সুরমার অভ্যন্তরীণ লভ্যাংশ বিতরণ

lafarzস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট শিল্প খাতের কোম্পানি লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট মিলস লিমিটেডের গত ২০১৬ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত অভ্যন্তরীণ নগদ লভ্যাংশ বিতরণ করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

লাফার্জ সুরমা লিমিটেডের চলতি ২০১৬ অর্থবছরে ঘোষিত ক্যাশ ডিভিডেন্ডটি বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) মাধ্যমে জমা হয়েছে।

আর যেসব প্রবাসী এবং স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের হিসাবে ডিভিডেন্ড এখনো জমা হয়নি তাদের কোম্পানির রেজিস্টার্ড অফিসে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর জমা দিতে বলা হয়েছে।

কোম্পানিটি ২০১৬ সালে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/বি

ড্রাগন সোয়েটারকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত

dragonস্টকমার্কেট ডেস্ক :

বস্ত্র খাতের কোম্পানি ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেড ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। সোমবার (৫ ডিসেম্বর) থেকে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে শেয়ারবাজারে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, সমাপ্ত হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়ার কারণে কোম্পানিটির ক্যাটাগরি পরিবর্তন করেছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

এদিকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) স্টক ব্রোকার্স, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স ও পোর্টফোলিও ম্যানেজারদের কোম্পানিটির শেয়ার কিনতে মার্জিন ঋণ দিতে নিষেধাজ্ঞা জানিয়েছে। ক্যাটাগরি পরিবর্তনের প্রথম ৩০ দিন এ ঋণ দেয়া যাবে না। অর্থাৎ ৫ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী ৩০ দিন পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এসএম

  1. বিবিএস
  2. ন্যাশনাল টিউবস
  3. লাফার্জ সুরমা
  4. ইফাদ অটোস
  5. শাশা ডেনিমস
  6. রতনপুর স্টিলস
  7. অলিম্পিক এক্সসরিজ
  8. বেক্সিমকো লিমিটেড
  9. কাসেম ড্রাইসেল
  10. কনফিডেন্স সিমেন্ট।

ডিএসইতে ৭৩৩ ও সিএসইতে ৪৪ কোটি টাকার লেনদেন

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনশেষে লেনদেনের পরিমাণ ৭৩৩ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে। এদিন সেখানে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন ও মূল্য সূচক দুটোই কমেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি টাকার। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৭৩৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সেখানে ৮০৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়।

এদিন ডিএসইতে ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ০.৭৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৮২২ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ০.০৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১১৪৯ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ সূচক ৪.৪০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭৮৩ পয়েন্টে।

এদিন দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২৬টির, কমেছে ১৩৯টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর।

এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেনে শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো -বিবিএস, ন্যাশনাল টিউবস, লাফার্জ সুরমা, ইফাদ অটোস, শাশা ডেনিমস, রতনপুর স্টিলস, অলিম্পিক এক্সসরিজ, বেক্সিমকো লিমিটেড, কাসেম ড্রাইসেল ও কনফিডেন্স সিমেন্ট।

এদিকে রবিবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৪৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সেখানে ৫৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।

এদিন সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল লাফার্জ সুরমা লিমিটেড ও বিবিএস লিমিটেড।

এদিন সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৬৩ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৩টির, কমেছে ১০১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এসএম

দুই কোম্পানির লভ্যাংশ পাঠিয়েছে সিডিবিএল

cdblস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি গত হিসাব বছরের ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে পাঠিয়েছে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)। সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি দুইটি হচ্ছে- এএফসি অ্যাগ্রো বায়োটেক লিমিটেড ও অ্যাক্টিভ ফাইন লিমিটেড।

সূত্র জানায়, কোম্পানি দুইটি আজ সিডিবিএলের মাধ্যমে লভ্যাংশের বোনাস শেয়ার বিও হিসাবে পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে এএফসি অ্যাগ্রো ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। একই বছরে অ্যাক্টিভ ফাইন ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

ভ্যানগার্ড এএমএলের লেনদেন শুরু

mutualস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে সদ্য তালিকাভুক্ত ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্স ফান্ডের ইউনিট লেনদেন শুরু হবে আজ ৫ ডিসেম্বর। এদিন দেশের উভয় শেয়ারবাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এ ফান্ডের লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

‘এ’ ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু হবে। কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড- “VAMLRBBF” এবং ডিএসইতে কোম্পানি কোড-12198 নির্ধারণ হয়েছে।

সম্প্রতি ফান্ডটি আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। ইতোমধ্যে বরাদ্দ পাওয়া ইউনিট সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও হিসাবে জমা হয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

জেনারেশন নেক্সটের মূলধন ৫০০ কোটি করার সিদ্ধান্ত

generation-smbdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেডের পরিচালনা বোর্ড কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি টাকা থেকে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

একইসাথে কোম্পানিটি প্রস্তাবিত রাইট ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ ব্যবহারের সময়সীমা ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে।

কোম্পানিটি এ জন্য শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নিতে আগামী ২২ ডিসেম্বর বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে। সেদিন সকাল ১১টায় কোম্পানির ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গন আশুলিয়ার ইরাপুরে ইজিএমটি অনুষ্ঠিত হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

নতুন হোটেলে ৬১১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে ইউনিক হোটেল

unic...smbdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

নতুন একটি হোটেলের জন্য জায়গা বা ফ্লোর কিনবে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড। যৌথভাবে হোটেলটির এই স্পেস ক্রয়ে বিনিয়োগ করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

রাজধানীর গুলশানে এক্রোপলিস প্রজেক্টে ওয়েস্টিন টু নামে নতুন হোটেলের জন্য প্রায় ২ লাখ ৪ হাজার ৪৯৪ বর্গফুট ফ্লোর স্পেস কিনবে কোম্পানিটি। প্রতি বর্গফুটের দাম পড়বে ২৫ হাজার টাকা। নতুন হোটেলের জন্য এই জায়গা কেনা বাবদ ব্যয় হবে ৬১১ কোটি টাকা। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান দেওয়া হবে।

হায়াত হোটেল ও ওয়েস্টিন সার্ভিস এ্যাপার্মেন্ট যৌথভাবে এই বিনিয়োগ করবে। আগামী ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় ইউনিক হোটেলের বার্ষিক সাধারণ সভায় এ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

এদিকে হোটেল শেরাটনে ডিসিসি ইউনিক প্রজেক্টের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করবে ২০১৮ সালে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে। যা আগামী বছর জুলাই মাসে করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এলকে