দ্যা পেনিনসুলার ডিরেক্টর হলেন ইফতেখার-উজ-জামান

peninনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দ্যা পেনিনসুলা হোটেল লিমিটেডের নমিনেটেড ডিরেক্টর হিসাবে নিয়োগ পাচ্ছেন ইনভেষ্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) এমডি ইফতেখার-উজ-জামান। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

শনিবার চট্টগামে অবস্থিত নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় এসিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানিটি।

কোম্পানি জানায়, আইসিবি আগ্রহ প্রকাশ করায় প্রতিষ্ঠানের এমডিকে পেনিনসুলা হোটেলের নমিনেটেড পরিচালক হিসাবে স্বীকৃতি দেয় দ্যা পেনিনসুলা।

ইতোমধ্যে দ্যা পেনিনসুলা হোটেলকে একটি চিঠি (ICB/SHA-D/14.73/691/7099 dated 05-12-2016)দেয় আইসিবি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এস

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না হলে নিবন্ধন বাতিল ১১ কোম্পানির

bemaস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না হলে পুরনো ১১টি বীমা কোম্পানির নিবন্ধন বাতিল করা হবে। গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিগুলোর পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে এক বৈঠকে বিষয়টি জানিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।

বৈঠকে কোম্পানিগুলোকে সতর্ক করে আইডিআরএ আরো বলেছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হলে আইন অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে হবে। কোম্পানিগুলোকে মুনাফায় থাকার পাশাপাশি এত দিন তালিকাভুক্ত না হওয়ার কারণে ধার্যকৃত বকেয়া জরিমানাও পরিশোধ করতে হবে। তবে কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আরো সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে আইডিআরএ সূত্রে।

এ বিষয়ে আইডিআরএ সদস্য কুদ্দুস খান বলেন কোম্পানিগুলোকে যথেষ্ট সময় দেয়া হয়েছে, আর নয়। তাদের অনেকেই মুনাফায় আছে। এখন যদি কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্ত না হয়, তাহলে নিবন্ধন বাতিল করবে নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, তালিকাভুক্তিতে ব্যর্থতার দায়ে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে জরিমানা দেয়ার বিধান রয়েছে বীমা আইনে। তবে তালিকাভুক্ত না হলেও দীর্ঘদিন ধরেই আইডিআরএ তালিকাবহির্ভূত অধিকাংশ কোম্পানি থেকে এ জরিমানার অর্থ আদায় করতে পারছে না। অনেক কোম্পানি রয়েছে যারা গত পাঁচ বছরেও কোনো জরিমানা পরিশোধ করেনি।

আইডিআরএ সূত্রে জানা গেছে, নতুন বীমা আইন অনুযায়ী তালিকাভুক্তিতে ব্যর্থ বীমা কোম্পানিগুলোর প্রতিদিন ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ২০১১ সালে আইডিআরএ গঠিত হওয়ার আগে কোম্পানিগুলোকে দৈনিক ১ হাজার টাকা করে জরিমানা দিতে হতো। তবে আইন করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে তা পালন করছে না বেশকিছু বীমা কোম্পানি।

তালিকাবহির্ভূত বীমা কোম্পানিগুলো হলো— মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সানফ্লাওয়ার লাইফ, বায়রা লাইফ, গোল্ডেন লাইফ, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্স, দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স ও এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স। স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকার বাইরে থাকা এসব কোম্পানির বেশির ভাগই ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালাচ্ছে। তবে এখনো তাদের আর্থিক ভিত শক্তিশালী হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইডিআরএর এক সদস্য বলেন, ‘কিছু কোম্পানি থেকে একদমই জরিমানা আদায় করা যাচ্ছে না। অনেকে পরিশোধ করলেও নিয়মিতভাবে না। নিয়ন্ত্রণ সংস্থা থেকে কোম্পানিগুলোকে একাধিকবার চিঠিও দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ না হওয়ায় তালিকাভুক্তিতে ব্যর্থ কোম্পানিগুলোর পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকে নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

আইডিআরএ সূত্রে জানা গেছে, মূলত অভ্যন্তরীণ দুর্বল ও বিশৃঙ্খল অবস্থার কারণেই কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তিতে অচলাবস্থা সৃষ্টি চলছে। তাই বীমা আইন অনুযায়ী কোম্পানিগুলো বিনিয়োগ ও ব্যবসা করছে কিনা এবং এক্ষেত্রে আইনের কোনো লঙ্ঘন হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে শিগগিরই বিশেষ নিরীক্ষক নিয়োগ দেবে আইডিআরএ। একই সঙ্গে কোনো বীমা পলিসির বিপরীতে কোম্পানির কর্মকর্তা বা পরিচালকদের কোনো স্বার্থ আছে কিনা এবং এক্ষেত্রে বীমা আইন মানা হয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হবে। কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা ব্যয় আইনি সীমার বাইরে কিনা এবং এজেন্ট কমিশন বাদে কোম্পানির পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কোনো প্রকার কমিশন নিচ্ছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হবে। কোম্পানিতে চেয়ারম্যান, পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কোনো পলিসি আছে কিনা, সেটিও তদন্ত করে দেখা হবে। এছাড়া কোম্পানিগুলোর শীর্ষ ২৫ বীমাগ্রহীতার হিসাব খতিয়ে দেখা হবে। এক্ষেত্রে আইনের কোনো লঙ্ঘন হচ্ছে কিনা, তাও তদন্ত করবে নিরীক্ষক।

আইডিআরএ সূত্র জানায়, আর্থিক ভিত্তি দুর্বল হলেও বাধ্যবাধকতার কারণে চার বছর আগে বাজারে শেয়ার ছাড়ার আবেদন জানায় ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স। তবে শর্ত পূরণ না করায় তালিকাভুক্তির অনুমোদন পায়নি কোম্পানিটি। এছাড়া ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম দাবি করে ২০১১ সালের অক্টোবরে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের আবেদন জানায় সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। পরবর্তীতে এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সও তালিকাভুক্তির আবেদন জানায়। তবে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি)  যাচাই -বাছাইয়ে সন্তোষজনক প্রতীয়মান না হওয়ায় তালিকাভুক্তির অনুমোদন মিলছে না তাদের।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) চেয়ারম্যান শেখ কবীর হোসেন বলেন, পুরনো কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির বিষয়ে একাধিকবার বিআইএ থেকে তাগদা দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। বীমা বাজারের বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী কোম্পানিগুলোর একীভূতকরণের বিকল্প নেই।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আর্থিক দুর্বলতা, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের অভাব ও অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনার কারণে শেয়ারবাজারে আসতে ব্যর্থ হয়েছে পুরনো কোম্পানিগুলো। এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে একাধিকবার আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও রহস্যজনক কারণে তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। তবে বর্তমানে বীমা খাত যেভাবে বড় হচ্ছে তাতে করে এসব দুর্বল মৌল ভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানি প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এসএম

সাপ্তাহিক দর বাড়ার শীর্ষে ন্যাশনাল টিউবস

11স্টকমার্কেট ডেস্ক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের (০৪-০৮ ডিসেম্বর) লেনদেনে দর বাড়ার শীর্ষে উঠে এসেছে এইচ.আর টেক্সটাইল। এ সময় কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে ২৮.১৩ শতাংশ। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় কোম্পানির এ দর বেড়েছে।

দর বাড়ার শীর্ষে অপর কোম্পানিগুলোর মধ্যে যথাক্রমে- আরগন ডেনিমসের ২৭.৬১ শতাংশ, আরএসআরএম স্টিলের ১৮.৩৮ শতাংশ, ডেফোডিল কম্পিউটারের ১৮ শতাংশ, বে লীজিং অ্যান্ড ইনভেষ্টমেন্টের ১৬.৩৫ শতাংশ, এস.আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলের ১৬.২৪ শতাংশ, ইভিন্স টেক্সটাইলের ১৫.৭০ শতাংশ, ড্রাগণ সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিংয়ের ১৩.৬১ শতাংশ, ডেল্টা স্পিনার্সের ১৩.৫৮ শতাংশ ও মেঘনা সিমেন্ট মিলসের ১২.৬০ শতাংশ দর বেড়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

সাপ্তাহিক দর কমার শীর্ষে ন্যাশনাল টিউবস

looserস্টকমার্কেট ডেস্ক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের (০৪-০৮ ডিসেম্বর) লেনদেনে দর কমার শীর্ষে উঠে এসেছে ন্যাশনাল টিউবস। এ সময়ে কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে ১৪.০৬ শতাংশ। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় কোম্পানির এ দর কমেছে।

দর কমার  অপর কোম্পানিগুলোর মধ্যে– হাক্কানি পাল্পের ৯.৫৬ শতাংশ, এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ৯.২৭ শতাংশ, ডরিন পাওয়ার জেনারেশনের ৮.৪৩ শতাংশ, এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের ৬.৯৪ শতাংশ, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ৬.৯০ শতাংশ, প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের ৬.৭৮ শতাংশ, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের ৫.৮১ শতাংশ, ন্যাশনাল টি’র ৫.৭৮ শতাংশ ও প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ৫.৫২ শতাংশ দর কমেছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

ডিএসইতে ২০.৮৩% লেনদেন বেড়েছে

DSE_CSE-smbdস্টকমার্কেট ডেস্ক :

সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সব ধরনের মূল্য সূচকের সাথে বেড়েছে লেনদেন। আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বৃদ্ধির পরিমাণ ছিলো ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত সপ্তাহে ৪ হাজার ৩৫০ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার। যা এর আগের সপ্তাহে ছিলো ৩ হাজার ৬০০ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার। সেই হিসাবে আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৭৫০ কোটি ১২ লাখ টাকা বা ২০.৮৩ শতাংশ।

গত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯০ দশমিক ২৫ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ২ দশমিক ২৬ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ বা ৬৯ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে দশমিক ৪৫ শতাংশ বা ৭ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট। অপরদিকে, শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ০৩ শতাংশ বা ১১ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৮২টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১২০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির। আর লেনদেন হয়নি ৩টি কোম্পানির শেয়ার।

এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ২৬১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার। তবে সার্বিক সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ২৮০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৫টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ৮৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে বিবিএস

BBSস্টকমার্কেট ডেস্ক :

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টপটেন গেইনার তালিকায় উঠে এসেছে বস্ত্রখাতের ৫ কোম্পানি। এর মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে এইচ আর টেক্সটাইল লিমিটেড। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ২৮ দশমিক ১৩ শতাংশ।ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

গত সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৬১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে এই কোম্পানির ৭ কোটি ৪৩ লাখ ৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা আর্গন ডেনিমসের শেয়ার দর বেড়েছে ২৭ দশমিক ৬১ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ১৭ কোটি ৩৯ লাখ ৮২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে এই কোম্পানির ৮৬ কোটি ৯৯ লাখ ১২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা ইভেন্স টেক্সটাইলের ১৫ দশমিক ৭০ শতাংশ দর বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ৮ কোটি ৪১ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে এই কোম্পানির ৪২ কোটি ৮ লাখ ৫৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এ তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ড্রাগন সোয়েটারে ১৩.৬১ শতাংশ, ডেল্টা স্পিনার্সে ১৩.৫৮ শতাংশ, আরএসআরএমে ১৮.৩৮ শতাংশ, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সে ১৮ শতাংশ, বে-লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টে ১৬.৩৫ শতাংশ, এসআলম কোল্ড রোল্ড স্টিলসে ১৬ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং মেঘনা সিমেন্টে ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ দর বেড়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

টপটেন গেইনারে বস্ত্রখাতের কোম্পানি

garments

স্টকমার্কেট ডেস্ক :

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টপটেন গেইনার তালিকায় উঠে এসেছে বস্ত্রখাতের ৫ কোম্পানি। এর মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে এইচ আর টেক্সটাইল লিমিটেড। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ২৮ দশমিক ১৩ শতাংশ।ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

গত সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৬১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে এই কোম্পানির ৭ কোটি ৪৩ লাখ ৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা আর্গন ডেনিমসের শেয়ার দর বেড়েছে ২৭ দশমিক ৬১ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ১৭ কোটি ৩৯ লাখ ৮২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে এই কোম্পানির ৮৬ কোটি ৯৯ লাখ ১২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা ইভেন্স টেক্সটাইলের ১৫ দশমিক ৭০ শতাংশ দর বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ৮ কোটি ৪১ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে এই কোম্পানির ৪২ কোটি ৮ লাখ ৫৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এ তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ড্রাগন সোয়েটারে ১৩.৬১ শতাংশ, ডেল্টা স্পিনার্সে ১৩.৫৮ শতাংশ, আরএসআরএমে ১৮.৩৮ শতাংশ, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সে ১৮ শতাংশ, বে-লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টে ১৬.৩৫ শতাংশ, এসআলম কোল্ড রোল্ড স্টিলসে ১৬ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং মেঘনা সিমেন্টে ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ দর বেড়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

সাপ্তাহিক রিটার্নে দর বেড়েছে ১৩ খাতে

dseস্টকমার্কেট ডেস্ক   :

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দর বেড়েছে ১৩ খাতে। অন্যদিকে দর কমেছে বাকী ৭ খাতে।

আলোচিত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে বস্ত্র খাতে। এই খাতে ৬ দশমিক ৯২ শতাংশ দর বেড়েছে। এরপরে আইটি খাতে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ দর বেড়েছে।

অন্য খাতগুলোর মধ্যে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ, ব্যাংক খাতে ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ, খাদ্য-আনুসঙ্গিক খাতে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, জ্বালানি-বিদ্যুৎ খাতে দশমিক ১০ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে ১ দশমিক ৯২ শতাংশ, ব্যাংক বর্হিভূত আর্থিক খাতে ১ দশমিক ১ শতাংশ, ওষুধ খাতে দশমিক ১১ শতাংশ, সেবা-আবাসন খাতে ২ দশমিক ৮২ শতাংশ,ট্যানারি খাতে ১ দশমিক ৩১ শতাংশ ও টেলিকমিউনিকেশন খাতে ১ দশমিক ২২ শতাংশ দর বেড়েছে।

অন্যদিকে দর কমেছে বাকী ৭ খাতে। এরমধ্যে সিমেন্ট খাতে ২ দশমিক ২১ শতাংশ, সিরামিক খাতে দশমিক ৫২ শতাংশ, সাধারণ বিমা খাতে ২ শতাংশ, বিবিধ খাতে ২ দশমিক ২১ শতাংশ, পেপার অ্যান্ড প্রিন্টিং খাতে ৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ ও ভ্রমণ-অবকাশ খাতে ১ দশমিক ৪৮ শতাংশ দর কমেছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

আমান কটন ফাইবার্সের কারখানা সফরে সাংবাদিক দল

amcনিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকদের একটি দল আমান কটন  ফাইবার্সের কারখানা সফরে যাচ্ছেন। কোম্পানিটির কারখানা পরিদর্শন করে তা নিউজের মাধ্যমে সঠিকভাবে বিনিয়োগকারীদের নিকট তুলে ধরার জন্য এই আয়োজন করেছে কোম্পানিটি।
শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় প্রেস ক্লাব হতে এই দলটি গাজিপুরের দিকে রওয়ানা হয়েছে। এই প্রতিনিধি দলে রয়েছে টেলিভিশন, পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ার একদল সাংবাদিক।
দলটি কারখানা পরিদর্শন করার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গী হবেন কোম্পানির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা পর্ষদের শীর্ষরা। সেখানে আমান গ্রুপের চেয়ারম্যান মো: শফিকুল ইসলাম উপস্থিত থাকবেন।
এই সফরে সাংবাদিকদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দ্যা রিপোর্ট ২৪ এর যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম নয়ন। তিনি বলেন,  আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেডের কারখানায় গনমাধ্যম কর্মীদের আমন্ত্রন করা হয়েছে। সাংবাদিক দলটি কারখানার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে সিয়ে পুরো কারখানা ঘুরে দেখবেন। এ সময় কারখানার এমডি-চেয়ারম্যান তাদের সাথে থাকবেন আর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিবেন।
গত ২৪ জুলাই  রাজধানীর একটি হোটেলে আইপিওতে আসার লক্ষে আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেডের রোড শো অনুষ্ঠিত হয়। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে  কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে । প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বাজারে শেয়ার ছেড়ে এই টাকা সংগ্রহ করা হবে। রোড শোতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে কোম্পানির পরিচিতি, আর্থিক অবস্থার বিবরণ, আইপিও ইস্যুর কারণ এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
আমান কটনের প্রসপেক্টাস অনুসারে, আইপিওতে সংগগৃহীত অর্থের মধ্যে ৪৯ কোটি ৩৭ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ব্যয়ে কারখানায় আধুনিক মেশিনারি স্থাপন করা হবে। ১৭ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয় হবে ঋণ পরিশোধে। ওয়ার্কিং মূলধন হিসাবে ব্যয় করা হবে ১০ কোটি টাকা। আর আইপিওতে ব্যয় হবে সাড়ে ৩ কোটি টাকা।
কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৮ ০কোটি টাকা। আর অনুমোদিত মূলধন ২০০কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্টকমার্কেটবিডি.কম/এস

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে বিবিএস

BBSস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গত সপ্তাহে বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের (বিবিএস) ১২৭ কোটি ৭১ লাখ ১৮ হাজার টাকার শেয়ার হাতবদল হয়, যা স্টক এক্সচেঞ্জটির মোট লেনদেনের ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এতে সপ্তাহ শেষে লেনদেনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে প্রকৌশল খাতের কোম্পানিটি। তবে পাঁচ কার্যদিবসের লেনদেনে এর শেয়ারদর কমেছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে বৃহস্পতিবার এ শেয়ারের সর্বশেষ দর ০.৪২ শতাংশ বা ১০ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৪২ টাকা ৩০ পয়সায়। সমাপনী দর ছিল ৪২ টাকা ১০ পয়সা। এদিন ২ হাজার ৭৫৮ বারে কোম্পানিটির মোট ৩৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬৭২টি শেয়ারের লেনদেন হয়।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বিবিএসের পরিচালনা পর্ষদ। উদ্যোক্তারা অবশ্য নগদ লভ্যাংশ নেবেন না। ২০ ডিসেম্বর গাজীপুরের কারখানা প্রাঙ্গণে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। রেকর্ড ডেট ছিল ২৩ নভেম্বর। সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৬ হিসাব বছরে বিবিএসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ২ টাকা ৩২ পয়সা। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। সে বছর ইপিএস ছিল ২ টাকা ৭৯ পয়সা।

চলতি হিসাব বছরের প্রথম (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রান্তিকে বিবিএসের অনিরীক্ষিত ইপিএস হয়েছে ৮৫ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৫৪ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৫ টাকা ৫৩ পয়সা।

এদিকে বিকল্প অর্থসংস্থান সুবিধাজনক মনে হওয়ায় সম্প্রতি রাইট ইস্যুর প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে বিবিএসের পরিচালনা পর্ষদ। ২০১৫ সালের আগস্টে ১০ টাকা প্রিমিয়ামে প্রতি দুইটি শেয়ারের বিপরীতে একটি করে রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেন তারা। ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ পরিশোধ ও চলতি মূলধন বাড়াতে এ অর্থ ব্যবহারের ঘোষণা আসে। দুই মাস পর অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) ৫ টাকা প্রিমিয়াম অনুমোদন করেন শেয়ারহোল্ডাররা।

গত ১৪ নভেম্বর বিনিয়োগকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিবিএস জানায়, অর্থসংস্থানের বিকল্প উত্স সুবিধাজনক মনে হওয়ায় রাইট ইস্যুর পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে তাদের পর্ষদ। এজন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা দেয়া রাইট ইস্যুর আবেদন প্রত্যাহার করা হবে। অবশ্য এজন্য আসন্ন এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে কোম্পানির।

উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে কারখানার সংস্কার, আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ (বিএমআরই) কাজ সম্পন্ন করে বিবিএস। এতে তাদের উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় এক-চতুর্থাংশ বাড়ে।

২০১৩ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি মূলত শিল্পকারখানা ভবনের প্রি-ইঞ্জিনিয়ার্ড ধাতব কাঠামোর ব্যবসা করে। বর্তমানে এর পরিশোধিত মূলধন ১০৫ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩১ দশমিক ৯৫ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩০ দশমিক ৭, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ১৩ ও বাকি ৩৭ দশমিক ২২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এসআর