আমরা নেটওয়ার্কসের বিডিং চলবে আরো একদিন

amranetনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নতুন নিয়মে অনুমোদন পাওয়া আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেডের বিডিং আরও একদিন বাকি রয়েছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এই বিডিং শুরু হয়, যা আগামীকাল বুধবার শেষ হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রে আরও জানা গেছে, এ সময়ের মধ্যে বিডিংয়ে অংশগ্রহনে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে রেজিস্ট্রেশন শেষ করতে হবে। বুধবার বিকাল সাড়ে তিনটায় বিডিংয়ের সমস্ত কার্যক্রম শেষ হবে।

আর এ জন্য প্রতিটি বিডিংয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে গত সোমবারের মধ্যে ৫ হাজার টাকা পে-অর্ডার করতে বলা হয়েছে।

বিডিং চলাকালে অংশগ্রহণ কারীদের ২০ শতাংশ অর্থ জমা দিতে হবে বলে জানায় ডিএসই।

বুক বিল্ডিংয়ের নতুন নিয়মে কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে ৫৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হবে কাট অফ প্রাইসের মাধ্যমে।

শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে কোম্পানিটি বিএমআরই, ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সারা দেশে ওয়াই ফাই হট স্পট স্থাপন, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও আনুষাঙ্গিক খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সালের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় ( ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫২ পয়সা এবং নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) দাড়িয়েছে ২১ টাকা ৯৮ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে থাকবে লংকাবাংলা ইনভেষ্টমেন্ট লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

প্রথম দিনেই প্যাসিফিক ডেনিমসের ১৭০% দর বৃদ্ধি

pacific_coverস্টকমার্কেট ডেস্ক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের প্রথমদিন আজ মঙ্গলবার প্যাসিফিক ডেনিমসের শেয়ার দর বেড়েছে ১৭ টাকা ১৭০ শতাংশ। কোম্পানিটির ১০ টাকা দরের শেয়ার দিন শেষে দাড়িয়েছে ২৭ টাকায়। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিন ডিএসইতে কোম্পানিটির মোট ২ কোটি ২৭ লাখ ৪৯ হাজার শেয়ার ৬২ কোটি ৬৭ লাখ টাকায় লেনদেন হয়। যা ৩৫ হাজার ৮১৪ বারে হাতবদল হয়। আর শেয়ারটি সর্বোচ্চ ৩৫ টাকায় ও সর্বনিম্ন ২৫.৮০ টাকায় লেনদেন হয়।

কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন শুরু হয়েছে ‘এন’ ক্যাটাগরিতে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটির ডিএসই ট্রেডিং কোড নং (PDL) ও কোম্পানি কোড নং 17473।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

  1. প্যাসিফিক ডেনিমস
  2. এসিআই ফর্মূলেশন
  3. সেন্ট্রাল ফার্মা
  4. ইসলামী ব্যাংক
  5. বেক্সিমকো লিমিটেড
  6. এএফসি এগ্রো
  7. লংকাবাংলা ফাইন্যান্স
  8. আল আরাফাহ ব্যাংক
  9. আরএসআরএম স্টিলস
  10. ডরিন পাওয়ার।

ডিএসইতে বাড়লেও সিএসইতে লেনদেন কমেছে

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনের শেষে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে। তবে এদিন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কমেছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬২০ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গতকাল সোমবার সেখানে ৫৭৬ কোটি ২২ লাখ টাকার লেনদেন হয়। আজ দিন শেষে দিনের লেনদেন আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে।

এদিন ডিএসইতে ডিএসইএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৯.০০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৩৯২ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩.৭৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১২৬১ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ সূচক ৫.৪০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৯৬৭ পয়েন্টে।

এদিন দিনভর লেনদেন হওয়া মোট ৩২৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৮০টির, কমেছে ১০৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে – প্যাসিফিক ডেনিমস, এসিআই ফর্মূলেশন, সেন্ট্রাল ফার্মা, ইসলামী ব্যাংক, বেক্সিমকো লিমিটেড, এএফসি এগ্রো, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, আল আরাফাহ ব্যাংক, আরএসআরএম স্টিলস ও ডরিন পাওয়ার।

এদিকে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৪৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গতকাল সোমবার সেখানে ৪৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।

এদিন সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল প্যাফিফিক ডেনিমস ও বেক্সিমকো লিমিটেড।

এদিন সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১২৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৬৯৩ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৩৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৪টির, কমেছে ৮১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

৫০০ টাকার বন্ড ছাড়বে ইসলামী ব্যাংক

islamiস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ বাজারে ৫০০ কোটি টাকা মূল্যের অ-রূপান্তরযোগ্য সাব-অর্ডিনেট বন্ড ইস্যু করবে। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি পর্ষদ সভায় এই বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে ব্যাংকটি।

জানা যায়, ইসলামী ব্যাংকের ইস্যু করা এই বন্ডের মেয়াদ হবে ৭ বছর এবং সুদ হার হবে ফ্লোটিং রেট।
মূলত ব্যাসেল-৩ অনুযায়ী মূলধন শর্ত (টায়ার-২) পূরণে এই বন্ড ইস্যু করতে যাচ্ছে ব্যাংকটি।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ড ইস্যু করতে পারবে ব্যাংকটি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এনএস

রতনপুর স্টিলসের ৭ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা

RSRMস্টকমার্কেট ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি রতনপুর স্টিলস রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের একজন স্পন্সর ৭ লাথ শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এসব শেয়ার বিক্রি করবেন তিনি। মঙ্গলবার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

মাকসুদুর রহমান নামে কোম্পানির এই স্পন্সর ৭ লাখ বোনাস শেয়ার চলমান বাজার দরে বিক্রয় করবেন। তার হাতে কোম্পানির মোট যথাক্রমে ১,৫৬,২১,৮০০ টি শেয়ার রয়েছে।

তিনি এই ঘোষণার পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার ব্লক মার্কেটে বিক্রয় করবেন বলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

রেকর্ড ডেটের পর সাইফ পাওয়ারটেকের লেনদেন

SAIF powerস্টকমার্কেট ডেস্ক :

রেকর্ড ডেটের কারণে লেনদেন বন্ধ থাকা কোম্পানি সাইফ পাওয়ারটেকের লেনদেন আগামীকাল চালু হবে। মঙ্গলবারও কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, এর আগে কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন স্পট মার্কেটে এবং ব্লক/অডলটে শুরু করেছিল; যা সোমবার শেষ হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

জাহিনটেক্সের লভ্যাংশ বিতরণ সম্পন্ন

zahinস্টকমার্কেট ডেস্ক :

জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের স্টক লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে পাঠিয়ে দিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, নগদ লভ্যাংশও শেয়ারহোল্ডারদের পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। উদ্যোক্তা-পরিচালকরা অবশ্য নগদ লভ্যাংশ নেননি।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ৭ শতাংশ নগদ ও ৮ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি। ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পান তাদের শেয়ারহোল্ডাররা।

সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গেল হিসাব বছরে জাহিনটেক্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১ টাকা ২১ পয়সা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

প্যাসিফিক ডেনিমসের লেনদেন শুরু : ইপিএস ১.৪৭ টাকা

pacific_coverস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে সদ্য তালিকাভুক্ত প্যাসিফিক ডেনিমসের লেনদেন শুরু হবে আজ। লেনদেনের শুরুতে চলতি বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। ডিএসই’র ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানা গেছে।

‘এন’ ক্যাটাগরির আওতায় লেনদেন শুরু হবে। কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড- “PDL” এবং ডিএসইতে কোম্পানি কোড- ১৭৪৭৩ নির্ধারণ হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিকে (জুলাই’১৬-ডিসেম্বর’১৬) শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১.৪৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১.২৪ টাকা। অর্থাৎ গত অর্থবছরের অর্ধবার্ষিকের তুলনায় কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২৩ টাকা বা ১৮.৫৫ শতাংশ।

অন্যদিকে, গত তিন মাসে অর্থাৎ (অক্টোবর’১৬-ডিসেম্বর’১৬) পযন্ত কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.৭৫ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময় যার পরিমাণ ছিল ০.৫২ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

‘ওটিসির কোম্পানিগুলোকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে বিএসইসি’

Muhit2-SM20160602163058নিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ওটিসির কোম্পানিগুলোকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে। অবস্থার উন্নতি ও সিকিউরিটিজ আইন পরিপালনসাপেক্ষে স্টক এক্সচেঞ্জের ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বাজারে চলে যাওয়া কোম্পানিগুলোকে মূল তালিকায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা আছে সরকারের। জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে গতকাল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সরকারের এ অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

গতকাল খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এসএম মোস্তফা রশিদীর তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ওটিসি মার্কেটের কোম্পানির শেয়ারগুলো মূল মার্কেটে নিয়ে আসার জন্য সরকারের পরিকল্পনা আছে। সরকার এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। অবশ্য ওটিসির শেয়ারগুলোকে মূল মার্কেটে নিয়ে আসার বিষয়টি নির্ভর করে কোম্পানির আর্থিক সচ্ছলতা এবং সিকিউরিটিজ আইন পরিপালন তথা নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণ সভা (এজিএম-ইজিএম) সম্পন্ন করা ও লভ্যাংশ প্রদানের ওপর।

বর্তমানে স্টক এক্সচেঞ্জের ওটিসি মার্কেটে মোট ৬৬টি কোম্পানি রয়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন কারণে এগুলোকে মূল মার্কেটে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। এর মধ্যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেয়ার অজড়কৃত (ডিমেট) না করা, পুঞ্জীভূত লোকসানে থাকা, উত্পাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকা এবং সিকিউরিটিজ আইন পরিপালনে ব্যর্থতা অন্যতম। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ওটিসির কোম্পানিগুলোকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে, যাতে মূল বাজারে সেগুলোর শেয়ার লেনদেনের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা হয়।

এর আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেও সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী সরকারের একই অবস্থান ব্যক্ত করেছিলেন। তবে শর্ত পূরণ করে গত এক বছরে ওটিসির কোনো কোম্পানিই মূল বাজারে ফিরে আসতে পারেনি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ