সাইবার ক্রাইম নিয়ে সচেতনতা দরকার : ড. খায়রুল হোসেন

cyberনিজস্ব প্রতিবেদক :

ইন্টারনেট ও ওয়েবে কানেক্ট হওয়ার মানেই তথ্য ফাঁস (লিক) হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন। তাই এ ঝুঁকি এড়াতে সাইবার ক্রাইম বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো দরকার।

মঙ্গলবার (০৪ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনে আয়োজিত ‘সাইবার সিকিউরিটি-এ বিজনেস ইমপারেটিভ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা জানান।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ইন্টারনেট ও ওয়েবে যুক্ত হলে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে। অনেক সময় ভূয়া (ফেক) অডিও-ভিডিও বের হতে পারে। যা ব্যবসার সুনাম নষ্ট করতে সক্ষম। তাই নিরবিচ্ছিন্ন ব্যবসায় করার জন্য সাইবার ক্রাইম নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো দরকার।

সাইবার ক্রাইম জ্যামিতিক হারে বাড়ছে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান। যে ক্রাইমের কোন বোর্ডার বা সীমা নাই। পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে এই অপরাধ করা যায়। কিন্তু কে বা কারা করছে তা জানা যায় না। আমেরিকার মতো দেশেও প্রতি ৪জনে ১জন এই ক্রাইমে আক্রান্ত হয়েছে।

তিনি জানান, সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে বোঝা দরকার। আজকের সেমিনারের মাধ্যমে এ বিষয়ে অনেক কিছু জানা যাবে। একইসঙ্গে সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে কি ধরনের ও কি অ্যাটাক হতে পারে ইত্যাদি জানা যাবে। যা ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন করে চিন্তার জায়গা তৈরি করবে।

তিনি আরও জানান, ১৯৯৮ সাল থেকে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কম্পিউটার বেজড। আর যে সিকিউরিটিজ লেনদেন হয় তা সিডিবিএলের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়। এছাড়া বিএসইসির মনিটরিং করে সার্ভিলেন্সের মাধ্যমে। কিন্তু এইসব কাজ যদি সঠিক না হয় ও তথ্য কোনভাবে লিকেজ হয়। তাহলে দেখা যাবে আপনি অপকর্ম না করেও ফেঁসে যাচ্ছেন। তাই অবশ্যই সাইবার নিরাপত্তা দরকার।

সেমিনার আয়োজন করে ইনফরমেশন সিস্টেমস সিকিউরিটি এসোসিয়েশনের (আইএসএসএ)। এতে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনটির বাংলাদেশ শাখার প্রেসিডেন্ট মারুফ আহমেদ।

সেমিনারে বিএসইসির কমিশনার, নির্বাহী পরিচালক, স্টক এক্সচেঞ্জ ও ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

একনেকে ৭,৮৯০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

ecnec-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ৭টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ সব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা।

প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয়ের মধ্যে ৩ হাজার ৮৭৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা সরকারি তহবিল থেকে দেওয়া হবে। বাকি ৪ হাজার ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে পাওয়া যাবে।

রাজধানীর শেরে বাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক বৈঠকে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পটিতে (এসএফপি) (২য় সংশোধনী) মোট খরচ হবে ৯৯৮ কোটি ৮ লাখ টাকা। এর পুরোটাই চীন সরকার এবং চীনের এক্সিম ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে। প্রকল্পটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়ন করবে।

একনেকে অনুমোদন পাওয়া অন্য প্রকল্পগুলো হলো-৪৭৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম শহরে পরিত্যক্ত বাড়িতে সরকারি আবাসিক ফ্ল্যাট ও ডরমিটরি ভবন নির্মাণ প্রকল্প, ৩০৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলা রেজিস্ট্রি ও সাব রেজিস্ট্রি অফিস ভবন নির্মাণ (২য় পর্যায়) প্রকল্প, ১ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘আইসিটির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার প্রচলন (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্প, ১১৫ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম (৪র্থ পর্ব) প্রকল্প, ২১২ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলায় হালদা নদীর উভয় তীরের ভাঙন থেকে বিভিন্ন এলাকা রক্ষাকল্পে তীর সংরক্ষণ কাজ প্রকল্প এবং ৪৩৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকার গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (রাজশাহী জোন) প্রকল্প।

বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : বাসস

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

কালো টাকা বৈধতা দেওয়া চিরতরে বন্ধ করার আহবান টিআইবির

tkনিজস্ব প্রতিবেদক :

আসন্ন ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে কালো টাকাকে বৈধতা না দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি পাঠান তিনি।

কালো টাকাকে বৈধতা প্রদান সংবিধানের ২০ (২) ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করে টিআইবি। এই চর্চা সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারেরও পরিপন্থী এবং দুর্নীতি প্রসারে সহায়ক ও সুরক্ষা প্রদানের সমার্থক বলে মন্তব্য করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “কালো টাকা উপার্জনকে বৈধতা দেওয়া শুধু অনৈতিকই নয়, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এটিও প্রমাণিত যে, ধারাবাহিকভাবে এই জাতীয় অসাধু সুযোগ প্রদান দেশের অর্থনীতিতে মোটেও ইতিবাচক অবদান রাখে না। সেই সঙ্গে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও কোন সহায়ক ভূমিকা পালন করে না।’

এ ধরনের অনৈতিক দাবির কাছে নতি স্বীকার করে আসন্ন বাজেটে উল্লিখিত সুবিধা প্রদান করা হলে বর্তমান সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ভিশন ২০২১, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলে বিধৃত নিজস্ব প্রতিশ্রুতির ব্যত্যয় ঘটবে বলে মনে করে টিআইবি।

কালো টাকাকে বৈধতা প্রদান অব্যাহত রাখা দুর্নীতি সহায়ক মহল কর্তৃক সরকারের নীতি কাঠামোর ওপর অযাচিত প্রভাব বিস্তারের বিব্রতকর দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন ড. ইফতেখারুজ্জামান। তাই কালো টাকা বৈধতা দেওয়ার সুযোগ চিরতরে বন্ধ করার সুস্পষ্ট ঘোষণা প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

ঊর্ধ্বমুখী বাজারে ব্যাংকের শেয়ার কিনে বিপাকে বিনিয়োগকারীরা

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

বেশ কিছুদিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে শেযারবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ ব্যাংকের শেয়ারের দর। সঙ্গত কারণেই বিনিয়োগকারীরাও ঝুঁকেছেন এ খাতের শেয়ার কেনাবেচায়। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন একটা উল্টো বাতাস বইতে শুরু করেছে। বিশেষত অতি সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, এবি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকের শেয়ারের দর পতন হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এ ধরনের বড় বড় ব্যাংকের শেয়ারদরে পতনের প্রভাব অন্যান্য ব্যাংকের শেয়ারেও পড়তে পারে এমন আশঙ্কা করছেন অনেকে। এ অবস্থায় ব্যাংকের শেয়ার ধরে রাখবেন, নাকি ছেড়ে দেবেন এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন তারা।

অন্যদিকে কয়েকটি ব্যাংকের শেয়ারদরে পতনকে ‘দর সংশোধন’ বলে আখ্যায়িত করছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, এতে সার্বিক ব্যাংকিং খাতের শেয়ারে তেমন প্রভাব পড়বে না।

ডিএসই’র পরিচালক শাকিল রিজভী এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘একটি বা দুটি প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রম দিয়ে পুরোবাজার বা সেক্টরকে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। বেশ কিছুদিন ধরে ব্যাংকিং খাত ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ইতোমধ্যে এখান থেকে বিনিয়োগকারীরা প্রফিটও করেছেন। এখন হয়তো কোনো কারণে দর একটু কমে গেছে। আর শেযারবাজারের কোনো কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়বে আবার কমে যাবে এটা স্বাভাবিক ঘটনা। এটা নিয়ে দুর্ভাবনার কিছু আছে বলে আমার মনে হয় না।’

অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ব্রোকারেজ হাউজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘আমাদের দেশের বিনিয়োগকারীরা বেশি লোভী। সে কারণে মাঝে মধ্যেই তাদের ভুলের খেসারত দিতে হয়।’

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণার জের ধরে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসের ব্যবধানে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের দর কমে গেছে ৮ টাকা ৩০ পয়সা। ফলে যাদের এতদিন ইসলামী ব্যাংকের প্রতি আস্থা ছিল তাদের আস্থায়ও চিড় ধরেছে।

ব্যাংকটির বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলাপ করলে তারা এ অভিযোগ তোলেন যে, প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। লাভে থেকেও প্রতিষ্ঠানটি ক্যাটাগরি টিকিয়ে রাখার জন্য মাত্র ১০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান করবে এটা তারা কল্পনাও করতে পারেননি।

এদিকে এ ব্যাংকের দরপতনের সঙ্গে সঙ্গে কমে গেছে বেশকিছু দিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী থাকা সিটি ব্যাংকের শেয়ারের দর। ৪১ টাকা ৪০ পয়সা থেকে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার নেমে এসেছে ৩৫ টাকা ৪০ পয়সায়।

একইভাবে এবি ব্যাংকের শেয়ারের দর পাঁচ কার্যদিবসের ব্যবধানে ২৭ টাকা থেকে ২৪ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে এসেছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত অন্যান্য ব্যাংকের শেয়ারের দরও কমে গেছে। যা ভাবিয়ে তুলেছে বিনিয়োগকারীদের।

এ বিষয়ে কথা হয় সাজেদুল করিম নামে এক বিনিয়োগকারীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আর্থিক অবস্থা ভালো ও সেইসঙ্গে ব্যাংক শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত দেখে অন্য খাতের শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগ করেছিলাম। যার সিংহভাগই ছিল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার। ব্যাংকের মধ্যে এ ব্যাংকটিকে আর্থিক বিবেচনায় ওপরের দিকে রাখা হয়। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠান যেহেতু আমাদের হতাশ করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে লোকসান হয়েছে প্রায় ৯ লাখ টাকা। ফলে অন্য ব্যাংকে আর ভরসা পাচ্ছি না।’

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এনএস

ন্যাশনাল টিউবসের বোর্ড সভা ৯ এপ্রিল

National_Tubes.jpg_220x220স্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেডের বোর্ড সভা আগামী ৯ এপ্রিল আহবান করা হয়েছে। মঙ্গলবার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেজুলেশন ২০১৫ এর ১৯(১) ধারা অনুযায়ী, এই বোর্ড সভায় কোম্পানিটির ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

প্রকৌশল খাতের কোম্পানিটি সেদিন বেলা ৫টায় নিজস্ব প্রধান কার্যালয়ে এই বোর্ড সভাটি করবে।

এই বোর্ড সভায় পরিচালনা বাের্ডের সর্বসম্মতিতে কোম্পানিটি সর্বশেষ বছরের আর্থিক প্রতিবেদনটি শেয়ারহোল্ডারদের জানিয়ে দিবে। একই সাথে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এনএস

ডেল্টা ব্র্যাক ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ১২ এপ্রিল

dbhস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নন ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স লিমিটেডের বোর্ড সভা আগামী ১২ এপ্রিল আহবান করা হয়েছে। মঙ্গলবার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেজুলেশন ২০১৫ এর ১৯(১) ধারা অনুযায়ী, এই বোর্ড সভায় কোম্পানিটির ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

নন ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিটি সেদিন বেলা পৌনে ২টায় গুলশানস্থ নিজস্ব প্রধান কার্যালয়ে এই বোর্ড সভাটি করবে।

এই বোর্ড সভায় পরিচালনা বাের্ডের সর্বসম্মতিতে প্রতিষ্ঠানটি সর্বশেষ বছরের আর্থিক প্রতিবেদনটি শেয়ারহোল্ডারদের জানিয়ে দিবে। একই সাথে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এনএস

শেয়ারবাজারে বেড়েছে লেনদেন ও সূচক

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সব ধরণের মূল্য সূচক বেড়েছে। এদিন টাকার অংকে দিনের লেনদেনেও আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন ও সূচক বেড়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়, মঙ্গলবার ডিএসইতে ৯৮৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গতকাল সোমবার সেখানে ৯৩৮ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। আজ দিনশেষে দিনের লেনদেন আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে।

এদিন ডিএসইতে ডিএসইএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৭.৭৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৭৭৭ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪.০৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৩২৪ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ সূচক ২৭.৬৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২১৪৩ পয়েন্টে।

এদিন দিনভর লেনদেন হওয়া মোট ৩২৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৬১টির, কমেছে ১১৯টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে – সিটি ব্যাংক, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, বেক্স ফার্মা, ব্র্যাক ব্যাংক, একমি ল্যাব, গ্রামীনফোন, জিপিএইচ ইস্পাত, আইডিএলসি, স্কয়ার ফার্মা ও বেক্সিমকো লিমিটেড।

এদিকে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৮৬ কোটি ৩১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গতকাল সোমবার সেখানে ৬৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।

এদিন সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বিএটিবিসি ও সিটি ব্যাংক।

এদিন সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১০১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৮৯৫ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৫২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৯টির, কমেছে ৯৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

ভাইকে শেয়ার দিবে জাহিন টেক্সের স্পন্সর

zahinস্টকমার্কেট ডেস্ক:

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি জাহিন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের একজন স্পন্সর হাতে থাকা শেয়ার তার ভাইকে হস্তান্তর করা ঘোষণা করেছেন। মঙ্গলবার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানা গেছে।

মাসুমা খাতুন লিপি নামে কোম্পানিটির এই স্পন্সর পরিচালক হাতে থাকা ২৫ লাখ শেয়ার তার ভাইকে প্রদান করবেন। তার হাতে কোম্পানিটির মোট ১ কোটি ১৭ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭২টি শেয়ার রয়েছে।

এসব শেয়ার তিনি তার ভাই মোহাম্মদ জুবায়েরকে হস্তান্তর করবেন।

আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার বিক্রয় করা হবে বলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমআর

শামসুল আলামিন রিয়েল এস্টেটের রোড শো ১৯ এপ্রিল

logoনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে আসতে চায় সেবা ও আবাসন খাতের কোম্পানি শামসুল আলামিন রিয়েল এস্টেট লিমিটেড। প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানিটি শেয়ারবাজারের আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি আগামী ১৯ এপ্রিল বুধবার সন্ধা ৭ টায় রেডিসন ব্লু হোটেলে বলরুমে রোড শো’র আয়োজন করা হয়েছে। এদিন শেয়ারবাজারের ইলিজিবল ইনভেষ্টরদের উপস্থিত থেকে রোড শোতে অংশগ্রহন করার জন্য আহবান জানানো হয়েছে।

জানা যায়, রোড শো’তে যোগ্য বিনিয়োগকারী (ইলিজিবল ইনভেস্টর) হিসেবে মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজার ও তাদের পরিচালিত মিউচ্যুয়াল ফান্ড, স্টক ডিলার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি, অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও ফান্ডের ম্যানেজার, অনুমোদিত পেনশন ও প্রভিডেন্ট ফান্ড, ইতিমধ্যে বিনিয়োগ করা বৈদেশিক বিনিয়োগকারী এবং কমিশন অনুমোদিত বিনিয়োগকারীরা বুক বিল্ডিংয়ের জন্য আবেদন করতে পারবে।

কোম্পানিটিকে আইপিওতে আনতে ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব নিয়েছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড। রেজিস্ট্রার টু দ্য ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজম্যান্ট লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

ফারইষ্ট ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ১০ এপ্রিল

farestস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নন ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি ফারইষ্ট ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট লিমিটেডের বোর্ড সভা আগামী ১০ এপ্রিল আহবান করা হয়েছে। মঙ্গলবার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেজুলেশন ২০১৫ এর ১৯(১) ধারা অনুযায়ী, এই বোর্ড সভায় কোম্পানিটির ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

নন ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিটি সেদিন বেলা সাড়ে তিনটায় মতিঝিলস্থ নিজস্ব প্রধান কার্যালয়ে এই বোর্ড সভাটি করবে।

এই বোর্ড সভায় পরিচালনা বাের্ডের সর্বসম্মতিতে প্রতিষ্ঠানটি সর্বশেষ বছরের আর্থিক প্রতিবেদনটি শেয়ারহোল্ডারদের জানিয়ে দিবে। একই সাথে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এনএস