ডিএসইতে সাপ্তাহিক লেনদেন কমেছে ২৫ শতাংশ

index smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ও লেনদেন দুটোই কমেছে। এই সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে কমেছে ২৫ দশমিক ০৪ শতাংশ।

গত সপ্তাহের ৯ হতে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৪ হাজার ৭৯৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার। এ সময় ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ২৫ দশমিক ০৪ শতাংশ।

অন্যদিকে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৯০ দশমিক ৫৪ শতাংশ বা ১ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএস৩০ সূচক কমেছে ৪৬ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২০ শতাংশ। অপরদিকে শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক কমেছে ১৭ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৩৬ ।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ৩৩৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১০০টির, কমেছে ২০১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টির। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার।

এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ২৪১ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার। তবে সার্বিক সূচক কমেছে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ২৮০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৮৩টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৬৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

আইপিও ও রাইট শেয়ারের টাকা খরচে কঠোর অবস্থানে বিএসইসি

bsecনিজস্ব প্রতিবেদক :

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও এবং রাইট শেয়ারের মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা খরচের ক্ষেত্রে কিছুটা কঠোর অবস্থানে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই সংশ্লিষ্ট আইনে নতুন একটি বিধান যুক্ত করেছে। বিএসইসির কমিশনের সর্বশেষ সভায় নতুন এ বিধান যুক্ত করা হয়।

বিএসইসির নতুন এ বিধান অনুযায়ী, এখন থেকে আইপিও এবং রাইট শেয়ারের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন করতে হলে ন্যূনতম ৫১ শতাংশ সাধারণ শেয়ারধারী এবং বিএসইসির পূর্বানুমোদন নিতে হবে।

আইনের এ বিধান সংযুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান জানান, যে উদ্দেশ্যে কোম্পানিগুলো আইপিও এবং রাইট শেয়ারের মাধ্যমে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে, সেই উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো খাতে ওই অর্থ খরচ গেলে শেয়ারধারী ও বিএসইসির অনুমোদনের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন এ বিধানে বলা হয়েছে, আইপিও এবং রাইট শেয়ারের টাকা এ উদ্দেশ্য থেকে অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হলে প্রথমে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত লাগবে। সেখানে অর্থ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত বদলের বিস্তারিত বিবরণ ও কারণ তুলে ধরতে হবে, যা মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে প্রকাশ করতে হবে। এরপর সাধারণ সভা ডেকে অর্থ ব্যবহারের ধরন বদলের বিষয়ে ন্যূনতম ৫১ শতাংশ সাধারণ শেয়ারধারীর অনুমোদন নিতে হবে।

ওই অনুমোদনের পর যথাযথ কাগজপত্রসহ বিএসইসিতে আবেদন ও অনুমোদন নিতে হবে। বিএসইসির অনুমোদন শেষে ওই সিদ্ধান্ত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে প্রকাশও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে কিছু কোম্পানি এক উদ্দেশ্যে আইপিওতে অর্থ সংগ্রহ করে পরে তা অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছিল। এতে বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশিত সুফল পাচ্ছিলেন না। এ কারণে আইপিওর অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরও কঠোর হওয়ার দাবি করে আসছিলেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এই প্রেক্ষাপটে নতুন এ বিধান সংযোজন করেছে বিএসইসি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ