ভারতে এবার বাতিল হচ্ছে চেকের ব্যবহার!

(JPEG Image, 145 × 119 pixels)স্টকমার্কেট ডেস্ক :

গত বছরের নভেম্বরে হঠাৎ করেই ৫শ’ ও হাজার রুপির নোট বাতিল করে বড় চমক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্দেশ্য ছিল ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো, কালো টাকা প্রতিরোধ করা ও জঙ্গি তহবিলের উৎস ঠেকানো। নোট বাতিলের সেই সিদ্ধান্তের ফলে ডিজিটাল লেনদেন বেশ খানিকটা তাৎক্ষণিক বাড়লেও পরে আবার কমেছে।

তবে সব মিলিয়ে সরকারের নিজস্ব লক্ষ্যমাত্রার ধারে কাছেও পৌঁছানো যায়নি। সূত্রের খবর, সেই কারণে মোদি সরকার চাইছে, এবার চেকের মাধ্যমে লেনদেনও বাতিল করে দিতে। কারণ সরকার মনে করছে চেক মারফত লেনদেন আটকাতে পারলে কিংবা চেকের ব্যবহার কমাতে পারলে ডিজিটাল লেনদেন আরও বাড়বে। পাশাপাশি চেক ছাপানোর খরচও কমবে।

সূত্রের খবর এবার ব্যাঙ্কগুলোর পক্ষ থেকে চেক ইস্যু বন্ধ করে দিতে পারে সরকার। অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স কনফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল প্রবীণ খান্ডেলওয়াল সম্প্রতি ডিজিটাল রথের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, ডিজিটাল লেনদেনকে আরও উৎসাহিত করতে চেক বইয়ের সুবিধা তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেছেন, এখন নোট প্রিন্ট করতে ২৫ হাজার কোটি রুপি খরচ হয় আর সেগুলির সুরক্ষার জন্য খরচ হয় আর ছয় হাজার কোটি রুপি। চেক বই ছাপানোর খরচও কম নয়। এই খরচের অনেকটাই বাঁচানো সম্ভব হবে যদি নগদ ও চেক লেনদেন বন্ধ বা কমানো যায়। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই চেক বই তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।

কিন্তু চেক তুলে দিলে কতটা ক্ষতি হবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনও চেকের মাধ্যমেই বেশিরভাগ ব্যবসায়িক লেনদেন হয়ে থাকে। সূত্রের খবর, ৯৫ শতাংশ লেনদেনই নগদ অথবা চেকের মাধ্যমে হয়। নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর নগদ লেনদেনের পরিমাণ যত কমেছে, চেকের মাধ্যমে লেনদেনের পরিমাণ ততই বেড়েছে। ফলে এখন হঠাৎ করে চেক তুলে দিলে সমস্যা বাড়বে।

সূত্রের খবর, নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের পর গত ডিসেম্বরে ডিজিটাল লেনদেন সর্বোচ্চ (প্রায় ১শ’ কোটি রুপি) পর্যায়ে পৌঁছেছিল। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৭ কোটি রুপিতে।

সামগ্রিকভাবে ডিজিটাল লেনদেন বেড়েছে ৩১ শতাংশ। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছনোর জন্য শেষে চেক বাতিলের পথেই হাঁটতে পারে মোদি সরকার। তাতে যাবতীয় ডিজিটাল লেনদেন যে বাড়বে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

এখন মোদি সরকার কবে থেকে চেকবই বাতিল করেন সেটাই দেখার।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ১,২৫,০০০ কোটি টাকা

bbস্টকমার্কেট প্রতিবেদক :

সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের দিন দিন বাড়ছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ, যা লাগামহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। বড় ঋণ আদায়ের হার খুবই সামান্য। আবার অনেকে আদালতের আদেশে খেলাপি থেকে নিজেকে বিরত রাখার সুযোগ পাচ্ছেন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ঋণখেলাপিরা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও ব্যাংকগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক।

ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম, ঋণ বিতরণে রাজনৈতিক প্রভাব, সুশাসনের অভাব, সরকারি ব্যাংকগুলোর ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ কম থাকার কারণেই মূলত ঋণখেলাপির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে পরিচালকরা নিজেদের মধ্যে ঋণ ভাগাভাগি করায় সেখানেও খেলাপির সংখ্যা বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৮ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ১১ হাজার ২৩৭ কোটি টাকা, দ্বিতীয় প্রান্তিকে (মার্চ-জুন) ৭৩৯ কোটি টাকা এবং তৃতীয় প্রান্তিকে (জুন-সেপ্টেম্বর) খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৬ হাজার ১৫৯ কোটি টাকা।

গত সেপ্টেম্বর শেষে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। এর সঙ্গে ঋণ অবলোপন করা ৪৫ হাজার কোটি টাকা যোগ করলে ব্যাংকিং খাতে প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। ঋণ অবলোপন হল পাঁচ বছরের পুরনো খেলাপি ঋণ, যা আদায় হচ্ছে না; তার বিপরীতে একটি মামলা ও শতভাগ নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রেখে মূল খাতা থেকে বাদ দেয়া।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পরিচালকদের ঋণ ভাগাভাগির পরিমাণ ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর শেষে দেশের ব্যাংক খাতের ঋণ বেড়ে হয়েছে ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। গত জুনে ঋণ বিতরণ ছিল ৭ লাখ ৩১ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে গত সেপ্টেম্বরে ঋণখেলাপি হয়ে পড়েছে ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ঋণের ১০ দশমিক ৬৭ শতাংশই খেলাপি। এর মধ্যে সরকারি খাতের ছয় ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৩৮ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। গড়ে সরকারি ব্যাংকগুলোর ২৯ দশমিক ২৫ শতাংশ ঋণই খেলাপি। জুনের তুলনায় এসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২ দশমিক ৪১ শতাংশ।

তথ্য অনুযায়ী বেসরকারি খাতের দেশীয় ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৩৩ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোর ৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ ঋণই খেলাপি। জুনের তুলনায় এসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

পরিবর্তন ছাড়াই ব্যাংক কোম্পানি আইন-২০১৭ বিলটি পাসের সুপারিশ

jatio sanadস্টকমার্কেট প্রতিবেদক :

পরিচালক হিসেবে এক পরিবার থেকে দুজনের পরিবর্তে চারজনের সুযোগ চেয়ে তৈরি ব্যাংক কোম্পানি (সংশোধন) আইন, ২০১৭ আগেই সংসদে উত্থাপন করা হয়। যদিও এর ফলে ব্যাংক খাতে পরিবারতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে, এমন আশঙ্কা থেকে এটি পুনর্বিবেচনার কথা বলেছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য। সেই কমিটিই গতকাল সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইনটি পরিবর্তন ছাড়াই বিলটি পাসের সুপারিশ করেছে।

সেপ্টেম্বরে বিলটি সংসদে ওঠার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য তা সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। গতকালের বৈঠকে এ বিষয়ে সুপারিশ চূড়ান্ত করে কমিটি।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ড. আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, বিলটি যেভাবে এসেছে, সেভাবেই পাসের সুপারিশ করেছে কমিটি। বিলটি পাসের সুপারিশসংবলিত প্রতিবেদন আজ সংসদে উত্থাপিত হবে।

আইনটি পাস হলে ব্যাংক মালিকদের চাহিদা অনুযায়ী এক পরিবার থেকে সর্বোচ্চ চারজন ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে থাকতে পারবেন। ছয় বছরের পরিবর্তে পরিচালকরা দায়িত্বও পালন করতে পারবেন টানা নয় বছর।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ পাস হওয়ার পর থেকে বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পরিচালকদের মেয়াদ সম্পর্কিত ধারাটি এর আগে পাঁচবার সংশোধন করা হয়েছে। এ ধারায় ব্যাংকের পর্ষদে একজন পরিচালক কত বছর পরিচালক থাকতে পারবেন, সে কথা বলা রয়েছে। সর্বশেষ ধারাটি সংশোধন করা হয় ২০১৩ সালে। এবার ষষ্ঠবারের মতো সংশোধন করা হচ্ছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

গ্রামে ৫১ ও শহরে ৮৪ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ-সুবিধা পায়

BD-investment1স্টকমার্কেট প্রতিবেদক :

বাংলাদেশের গ্রামের ৫১ শতাংশের বেশি লোক বিদ্যুৎ-সুবিধা পায়। আর শহরের ৮৪ শতাংশ মানুষ এই সুবিধা পায়। আর যারা বিদ্যুৎ সুবিধা পায় না, তাদের ৯০ শতাংশই গ্রামের বাসিন্দা। সার্বিকভাবে বাংলাদেশের ৬০ শতাংশ অঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে, যা এশিয়ার নয়টি স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মধ্যে সবচেয়ে কম।

ইউনাইটেড ন্যাশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আঙ্কটাড) ‘এলডিসি ২০১৭’-তে এই কথা বলা হয়েছে। আজ বুধবার একযোগে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। আঙ্কটাডের পক্ষে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এ উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এবারের প্রতিবেদনের বিষয় হলো রূপান্তরমুখী জ্বালানি প্রাপ্যতা। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ২০১৪ সালের বিদ্যুৎ-সুবিধার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। তবে সিপিডি বলছে, গত তিন বছরে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির অগ্রগতি হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ প্রাপ্যতার সুবিধা নিশ্চিত করতে এশিয়ার নেপাল ও ভুটান বেশ এগিয়ে আছে। তবে এলডিসিগুলোকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য বিদ্যুৎ-সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রতিবছর সাড়ে তিন গুণ হারে বেশি মানুষকে বিদ্যুৎ-সুবিধা দিতে হবে। তবে বাংলাদেশকে প্রতিবছর ২০ থেকে ৩০ শতাংশ হারে বিদ্যুৎ-সংযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।

বিদ্যুৎ প্রাপ্যতার এসডিজি লক্ষ্য অর্জনে এলডিসিগুলোর জন্য চারটি সুপারিশ করেছে আঙ্কটাড। এগুলো হলো শক্তিশালী বিদ্যুৎ-কাঠামো ব্যবস্থা গড়ে তোলা, সুশাসন ও অর্থায়ন নিশ্চিত করা, উন্নয়নের কৌশল হিসেবে জ্বালানি খাতকে প্রাধান্য দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা নেওয়া।

সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, ও সিপিডির গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান বক্তব্য রাখেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

  1. লংকাবাংলা ফাইন্যান্স
  2. এবি ব্যাংক
  3. স্কয়ার ফার্মা
  4. ইউনাইটেড পাওয়ার
  5. সিএমসি কামাল টেক্সটাইল
  6. ফাস ফাইন্যান্স
  7. ঢাকা ব্যাংক
  8. বিবিএস ক্যাবলস
  9. গ্রামীন ফোন
  10. কেয়া কসমেটিকস ।

দ্যা পেনিনসুলার উদ্দ্যোক্তা ২.৫০ লাখ শেয়ার কিনবে

the-peninsula-chittagongস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সেবা ও আবাসন খাতের কোম্পানি দ্যা পেনিনসুলা চিটাগাং লিমিটেডের একজন উদ্দ্যোক্তা পরিচালক ২.৫০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন নামে এই পরিচালক কোম্পানিটির ২.৫০ লাখ শেয়ার কিনবেন।

এই উদ্যোক্তা পরিচালক আগামী ৩০ দিনের মধ্যে চলমান বাজার দরে (পাবলিক মার্কেট/ব্লক মার্কেট) হতে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার কিনবেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

ডিএসইতে ৮৯৮ ও সিএসইতে ৪৪ কোটি টাকার লেনদেন

DSE_CSE-smbdস্টকমার্কেট প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনশেষে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৯৮ কোটি টাকা। এদিন ডিএসই ও সিএসইতে লেনদেন কমলেও মূল্য সূচক বেড়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

বুধবার লেনদেন শেষে ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭.৪৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৬২৮৯ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৭.৮৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৩৮৯ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক ১.৯৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ২২৭০ পয়েন্টে।

এদিন লেনদেন হয়েছে ৮৯৮ কোটি টাকা। গতকাল মঙ্গলবার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১০৯১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

ডিএসইতে আজ ৩২৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৬৭টির শেয়ারের দর বেড়েছে, কমেছে ১২০টির। আর দর অপরিবর্তিত আছে ৪০টির।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনে এগিয়ে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো – লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, এবি ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মা, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, সিএমসি কামাল টেক্সটাইল, ফাস ফাইন্যান্স, ঢাকা ব্যাংক, বিবিএস ক্যাবলস, গ্রামীন ফোন ও কেয়া কসমেটিকস ।

এদিকে দিনশেষে দেশের অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স ১৬.৬০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১১ হাজার ৭৮২ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ২৪৫টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২১টির, কমেছে ৯২টির ও দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টির।

এ দিন টাকায় লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি ৫ লাখ টাকা। গতকাল মঙ্গলবার ছিল ৬১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এ হিসাবে লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কমেছে।

দিনশেষে সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে এবি ব্যাংক ও কেয়া কসমেটিকস ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

লংকাবাংলা আল-আরাফাহ্’র ৫০ কোটি টাকার ফান্ডের প্রসপেক্টাস

lankaস্টকমার্কেটবিডি.কম

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) লংকাবাংলা আল-আরাফাহ্ শরিয়াহ ইউনিট ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে। গতকাল ৬১৬তম কমিশন সভা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বেমেয়াদি এ ফান্ডের উদ্যোক্তা আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এমপ্লয়িজ গ্র্যাচুইটি ফান্ড ট্রাস্ট ও সম্পদ ব্যবস্থাপক লংকাবাংলা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। ফান্ডটির ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করবে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

মিউচুয়াল ফান্ডটির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তার অংশ ১০ কোটি টাকা আর প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে ১৬ কোটি টাকা। বাকি ২৪ কোটি টাকা ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে। ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

সিএমসি কামাল টেক্সটাইলের বোর্ড সভা ২৬ নভেম্বর

cmc--kamal.jpg&w=50&h=35স্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র শিল্প খাতের কোম্পানি সিএমসি কামাল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের বার্ষিক বোর্ড সভা আগামী ২৬ নভেম্বর আহবান করা হয়েছে। বুধবার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেজুলেশন ২০১৫ এর ১৯(১) ধারা অনুযায়ী, এই বোর্ড সভায় কোম্পানিটির ২০১৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

এদিন বেলা ৪ টায় রাজধানী গুলশান অবস্থিত নিজস্ব অফিসে অনুষ্ঠিত এ সভায় কোম্পানিটি ইপিএস ও ন্যাভসহ অন্যান্য আর্থিক তথ্য শেয়ারহোল্ডারদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

আসন্ন বোর্ড সভায় সভায় ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হতে পারে।

এছাড়া বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে।

গত বছর ২০১৬ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৩ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএইচ

শ্যামপুর সুগার মিলসের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই

Shyampur Sugar Mills Limited_company_logoস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি খাদ্য ও আনুসাঙ্গিক শিল্প খাতের শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেডের সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে। শেয়ারটির দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) এ কথা জানানো হয়েছে। সোমবার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, গত ১৩ নভেম্বর শেয়ার দর ছিল ২৫.৬০ টাকা। গতকাল ২১ নভেম্বর সর্বশেষ তা ৩৬ টাকায় সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে।

কোম্পানিটির শেয়ারের এ দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই। সম্প্রতি দর বাড়ার পেছনে মূল্য সংবেদনশীল কোন তথ্য কি তা জানতে চায় ডিএসই।

এ সময় শ্যামপুর সুগার মিলস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি শেয়ারটির দর বৃদ্ধির পেছনে মূল্য সংবেদনশীল অপ্রকাশিত কোন তথ্য তাদের কাছে নেই।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম