শেয়ারের দাম বাড়ানো কমানো বিএসইসির কাজ না : শিবলী রুবাইয়াত

Sibli Sir WEBস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

শেয়ারের দাম বাড়ানো কমানো বিএসইসির কাজ না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। তিনি বলেন, বাজারে ত্রুটি থাকলে বিএসইসি সেটা ধরে সংশোধনের কাজ করতে পারে।

মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর ‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ’ উপলক্ষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) আয়োজিত “ডিলিংস উইথ ইনভেস্টর” শীর্ষক এক ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান।  মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএফও আব্দুল মতিন। বক্তব্য রাখেন ডিএসই’র পরিচালক রকিবুর রহমান।

অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজারে বিভিন্ন সেক্টরের দাম বৃদ্ধি পাওয়া ও কমার বিষয় নিয়ে অনেকেই আমাদের ফোন করেন, ফেসবুকে লেখেন, ই-মেইল করেন, চিঠি লেখেন। জানতে চান, এই সেক্টর কেন বাড়ছে, ওই সেক্টর কেন কমছে। সত্যিকার অর্থে আমরা যদি কেনা-বেচার দিকে নজর দিতে যাই তাহলে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে শান্তি পাওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর মাত্র ৪ মাস গেছে। বর্তমানে বাজারে এক হাজার কোটি টাকার আশেপাশে লেনদেন হচ্ছে। এ বছরের মধ্যেই লেনদেন দেড় হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত উত্তীর্ণ করতে হবে। এ লক্ষ্যে কমিশন কাজ করছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে বাজারে মর্ডানের ছাঁয়া দেখতে পাবেন। তিন বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ একটি বাজার আমরা উপহার দেবো।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, শেয়ারবাজারে টিকে থাকে বিনিয়োগকারীদের জন্য। তারা এখানে বিনিয়োগ করেন বলেই বিভিন্ন কোম্পানি এখান থেকে অর্থ সংগ্রহের সুযোগ পায়। এবং সেই অর্থ দিয়ে শিল্পায়ন করে। এতে কোম্পানি যেমন লাভবান হচ্ছে তেমনি বিনিয়োগকারীরা লাভবান হচ্ছে। সর্বোপরি দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ দরকার।

তিনি বলেন, যারা আমাদের উপর আস্থা রেখে এখানে বিনিয়োগ করছেন তাদের সুরক্ষা দেয়া আমাদের দায়িত্ব। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।

শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, বাজারে যদি গুড গভর্নেন্স তৈরি হয়, কোম্পানিগুলো যদি নিয়ম মেনে ডিভিডেন্ট দেয়, ইপিএস প্রকাশ করে তাহলে বিনিয়োগকারীসহ দেশ উন্নতি হবে। সকল বিনিয়োগকারী বাজারের প্রাণ, তাদের নিয়েই আমাদের সংসার।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা ডিএসইর আইটি ঠিক করতে অনুরোধ করেছি।  আমরা বলেছিলাম এপিআই খুলে দিতে। কিন্তু তারা এখনো দেয় নাই। ওএমএস এবং এপিআই  সুবিধা দিতে হবে। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত রাখতে হবে। যেন বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে বিনিয়োগকারী বা অন্যকেউ তা দেখতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা বন্ড এবং এফডিআরকে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অলটারনেটিভ করার চেষ্টা করছি। মিউচ্যুয়াল ফান্ড নিয়ে যে সমস্যা রয়েছে তা সমাধানের জন্য আমরা আগামী সপ্তাহেই বসবো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ডিন বলেন, জেড ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর সাথে আমরা আলাদাভাবে কথা বলেছি। তাদের মধ্যে যাদের উদ্দেশ্য আসলেই ভালো ছিলো তারা অনেকেই জেড থেকে বের হতে চেয়েছে। এরমধ্যে ৫-৬টা কোম্পানির উদ্দেশ্য মূলতই ভালো ছিলো না। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওটিসি মার্কেট নিয়েও আমরা বসবো। বিনিয়োগকারীদের টাকা যেন আটকে না থাকে তা আমরা দেখবো।

তিনি বলেন, আমাদের লোকবল মাত্র ১০০ জন। এই লোকবল নিয়ে ইচ্ছা থাকা স্বত্ত্বেও আমরা অনেক বেশি কাজ করতে পারছি না।

আইসিবি সম্পর্কে তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটির মধ্যে কিছু সমস্যা রয়েছে। আমরা আগামী দুই মাসের মধ্যে এই সমস্যা যেন দূর করা যায় তা আমরা দেখবো।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

দেশকে উন্নত রাষ্ট্র করতে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে

UNUSURস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। উন্নত রাষ্ট্র হতে হলে শেয়ারবাজারে মূলধন বাড়াতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যেমন ১২ লাখ কোটি টাকা আছে। ঠিক তেমনই বিএসইসির কাছেও ১২ লাখ কোটি টাকা আনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্টক একচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) আয়োজিত “ডিলিংস উইথ ইনভেস্টর” শীর্ষক এক ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। তার জন্য শেয়ারবাজারে মূলধন বাড়াতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যেমন ১২ লাখ কোটি টাকা আছে। ঠিক তেমনই বিএসইসির কাছেও ১২ লাখ কোটি টাকা আনতে হবে। তাহলেই শেয়ারবাজারে উন্নত রাষ্ট্র গঠনে বড় ভূমিকা পালন করতে পারবে।

ইউনুসুর রহমান বলেন, বিনিয়োগকারী হচ্ছে আমাদের লক্ষী, বিনিয়োগকারীদের প্রতি আমাদের ভালো ব্যাবহার করতে হবে। কাস্টমারকে আগে শুনতে হবে। কোন অণ্যায় করা হলে তাদের কাছে এপোলজি চাইতে হবে।

তিনি টেকহোল্ডারদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আপনারা সংবেদনশীল হবেন।তাদেরকে সহযোগিতা করবেন। তাদেরকে হয়রানি করবেন না।

ডিএসই চেয়ারম্যান বাজারকে আরো এগিয়ে নেয়ার জন্য, বিএসইসি চেয়ারম্যানকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার জন্য অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, বাজারকে এগিয়ে নিতে হলে সবার সাথে সমন্বয় করতে হবে। তিনি সবার সাথে নিয়মিত বসার আহবান জানান।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

আমদানির পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজারে এলে দাম আরো কমবে

521219c027d95-onionস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি করা পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাতে শুরু করেছে। আমদানিকৃত পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজারে আসতে শুরু করলে দাম আরও কমে আসবে বলে মনে করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কিত হবার কারণ নেই। দেশীয় পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। উৎপাদনকারী কৃষকরা এ সব পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি করা বৃদ্ধি করেছেন। ফলে পেঁয়াজের আমদানি ও সরবরাহ বেড়েছে। দেশে পেঁয়াজের কোন ঘাটতি নেই। ক্রেতাদের সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ সরবরাহের উদ্দেশ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) দেশব্যাপী ট্রাক সেলের পাশাপাশি ই-কমার্সের মাধ্যমেও পেঁয়াজ বিক্রি করছে। এতে ক্রেতাদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে প্রতি কেজি ৩০ টাকা মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রির পরিধি আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, চাহিদা মোতাবেক বাজারে পেঁয়াজের মজুদ, সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে গত বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরসহ দেশব্যাপী স্থানীয় প্রশাসনের নেতৃত্বে বাজার অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

এছাড়া সরকার পেঁয়াজ আমদানির ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। আমদানিকারকদের চাহিদা মোতাবেক সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ, পরিবহনসহ সব ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সরকারের নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

করোনায় আয় কমল ৪০০০ টাকা

bbsস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

করোনায় আয় কমেছে ২০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) একটি জরিপের ফল প্রকাশ করেছে। সেখানে ওই চিত্র উঠে এসেছে।

গত ১৩ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর বিবিএস দেশের ৯৮৯টি পরিবারের ওপর টেলিফোনে ওই জরিপ চালিয়ে এই তথ্য পায়।

জরিপের ফল বলছে,

করোনার আগে গত মার্চ মাসে প্রতি পরিবারে মাসিক গড় আয় ছিল ১৯ হাজার ৪২৫ টাকা।

আগস্ট মাসে তা কমে দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৪৯২ টাকা।

সেই হিসাবে পাঁচ মাসের ব্যবধানে পরিবারের গড় আয় কমেছে ৩ হাজার ৯৩৩ টাকা।

আজ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের সামনে জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন।

জরিপের ফল অনুযায়ী, আয়ের পাশাপাশি ব্যয়ও কমেছে। গত মার্চ মাসে পরিবার প্রতি মাসিক খরচ ছিল ১৫ হাজার ৪০৩ টাকা। গত আগস্ট মাসে তা কমে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ১১৯ টাকা। অর্থাৎ পাঁচ মাসের ব্যবধানে পরিবার প্রতি খরচ কমেছে ১ হাজার ২৮৪ টাকা। এর মানে, আয় কমে যাওয়ায় ভোগের চাহিদাও কমেছে।

এ ছাড়া জরিপে অংশ নেওয়া পরিবারগুলোর মধ্যে করোনার প্রায় ৬৮ শতাংশ পরিবার কোনো না কোনোভাবে আর্থিক সমস্যায় পড়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

দেশের রপ্তানি আয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পাট

epbস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

রপ্তানি আয়ে দেশে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে পাট খাত। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৩০ দশমিক ৭৫ কোটি ডলার আয় করেছে। সোমবার প্রকাশিত রপ্তানির উন্নয়ন ব্যুরোর মাসিক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে মঙ্গলবার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাট ও পাটজাতপণ্যের এই রপ্তানি আয় গতবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১১ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, চলতি পাট মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, পাটচাষ নিশ্চিতে বীজ সরবরাহ সঠিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকার মানসম্মত পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি ও পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে পাট অধিদফতরের আওতায় ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মেয়াদে বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটি দেশের ৪৬টি জেলার ২৩০টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাটচাষের উন্নত কলাকৌশল সম্পর্কে চাষীরা প্রশিক্ষিত হচ্ছে। এছাড়া গুণগত ও মানসম্মত পাট এবং পাটবীজ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের ৩৯০ টন পাটবীজ বিনামূল্যে বিতরণসহ সব ধরনের সহায়তা অব্যহত রেখেছে সরকার।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে : নসরুল হামিদ

nasrulস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

নির্ধারিত সময়ের আগেই দ্রুততার সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) অনলাইনে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) আওতায় বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পের পর্যালোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের আগেই দ্রুততার সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রয়োজনে সমান্তরালভাবে অনেক কাজ একসঙ্গে করতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত পাইপ লাইনে জ্বালানি তেল সরবরাহ, ইআরএল ইউনিট-২-এর অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। প্রকল্প পরিচালকদের ব্যর্থতা বা অযোগ্যতার জন্য অনেক সময় প্রকল্প ব্যয় বেড়ে যায়। এর দায় মন্ত্রণালয় কেন নেবে?’

এ সময় প্রকল্পগুলো তদারকি করার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের ২০২০-২১ অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দ দুই হাজার ৯৬০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। বরাদ্দের বিপরীতে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৬৬৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরের বিপিসির আওতাধীন কোম্পানির এডিপি বরাদ্দ এক হাজার ৬৩৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সংখ্যা ১০টি।

ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আনিছুর রহমান ও বিপিসির চেয়ারম্যান মো. শামসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

একনেকে ১৬৫৯ কোটি টাকার ৪টি প্রকল্প অনুমোদন

ECNECস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এক হাজার ৬৫৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা খরচে চারটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার দেবে ৭৪০ কোটি ১৪ লাখ এবং বিদেশি অনুদান ৯১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এসব প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-সচিবরা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এনইসি সম্মেলন কক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একনেক সভায় অংশ নেন।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তার তথ্যমতে, আজকের একনেকে তিনটি সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্প। সংশোধনীতে প্রকল্পের খরচ বাড়ানো হয়েছে। সময় একই রয়েছে। সংশোধনীতে ৪৯১ কোটি ৩৪ লাখ থেকে খরচ বেড়ে ৮৪০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। ২০১৮ সালের জানয়ারি থেকে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘চট্টগ্রাম জেলা উপকূলীয় এলাকার পোল্ডার নং-৬২ (পতেঙ্গা), পোল্ডার নং-৬৩/১ বি (আনোয়ারা এবং পটিয়া) পুনর্বাসন’ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন আনা হয়েছে। এতে খরচ ও সময় বাড়ছে। ২৮০ কোটি ৩০ লাখ থেকে খরচ বেড়ে প্রথম সংশোধনীতে হয় ৩২০ কোটি ২৯ লাখ এবং আজ সংশোধনের পর আরও বেড়ে দাঁড়াল ৫৭৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের মে মাসে শুরু হওয়া প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২০ সালের জুন থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত।

স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘জরুরি ভিত্তিতে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মাল্টি-সেক্টর’ প্রকল্পটির প্রথম সংশোধনী আনা হয়েছে। এই প্রকল্পটিরও ব্যয় ও সময়ও বেড়েছে। এক হাজার ৫৭ কোটি ৮৪ লাখ থেকে ব্যয় বেড়ে এক হাজার ৯৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২১ সালের নভেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন হবে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের ‘হাতেকলমে কারিগরি প্রশিক্ষণে নারীদের গুরুত্ব দিয়ে বিটাকের কার্যক্রম সম্প্রসারণপূর্বক আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্যবিমোচন (ফেজ-২)’ নামে একটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে একনেক সভায়। এতে খরচ করা হবে ১২৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা। ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

একনেক সভায় আরও অংশ নেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম; শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি; শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন; স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন; ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

 

 

তৈরি পোশাক রফতানি ৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

garmentsস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

এ বছরের শুরুতে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির ধাক্কায় অচল হয়ে পড়ে বিশ্ব বাণিজ্য। এতে আশঙ্কাজনক হারে কমে যায় দেশের রফতানি আয়। সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে রফতানিখাত। প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি লক্ষ্যমাত্রাও অতিক্রম করছে রফতানি আয়।

২০২০-২১ অর্থবছরের সেপ্টেম্বর শেষে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রফতানি বেড়েছে ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এসময় দেশের রফতানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্পে রফতানি বেড়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। এছাড়া প্রবৃদ্ধি হয়েছে শূন্য দশমিক ৮৫ শতাংশ।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দেশে দেশে লকডাউন জারি হয়। এতে বছরের শুরুর দিকে পুরো বিশ্ব-অর্থনীতি অচল হয়ে পড়ে। স্থবির হয়ে যায় ব্যবসা-বাণিজ্য। ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে অর্থনীতি। সরাসরি বাণিজ্যিক আঘাত পড়ে দেশের রফতানিখাতেও। এখন পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য সচল হতে শুরু করেছে। লকডাউন উঠে যাওয়ায় ফিরতে শুরু করেছে রফতানি আদেশ। এতে মহামারির প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন রফতানিকারকরা।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, নতুন অর্থবছরের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রথম তিন মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৯৬৬ কোটি মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৯৮৯ কোটি ৬৮ লাখ বা (৯.৮৯ বিলিয়ন ডলার)। অর্থাৎ প্রথম তিন মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এ আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। আগের বছর একই সময় রফতানি আয় হয়েছিল ৯৬৫ কোটি ডলার।

একক মাস হিসাবে সর্বশেষ সেপ্টেম্বরে ৩০১ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ, যা গত বছরের সেপ্টেম্বরের চেয়ে ৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি। এ মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। চলতি সেপ্টেম্বরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮৫ কোটি ডলার। গত বছরের সেপ্টেম্বরে আয় হয়েছিল ২৯১ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

দেশের রফতানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকখাত থেকে। করোনার কারণে গত মার্চ থেকে এ খাতের রফতানি কমতে শুরু করে, এপ্রিলে পোশাক রফতানিতে নামে ভয়াবহ ধস। মে মাসেও তা অব্যাহত থাকে। জুন থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে পোশাকখাত। এর ধারাবাহিকতা জুলাই, আগস্টের মতো সেপ্টেম্বরেও দেখা যায়।

ইপিবির তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে তৈরি পোশাক রফতানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ৮১২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা (৮.১২ বিলিয়ন ডলার), যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৯ শতাংশ এবং আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে শূন্য দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ খাতের আয়ের অঙ্ক ছিল ৮০৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলার।

মহামারির মধ্যেও পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ। জুলাই-সেপ্টেম্বর তিন মাসে ৩০ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বেশি। এ শিল্পে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ ৮৮ কোটি ২৩ লাখ ডলার আয় করে, যা ছিল ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চেয়ে ৮ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।

ইপিবির তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কৃষিপণ্য রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২৫ কোটি ২১ লাখ ডলার; এর বিপরীতে আয় হয়েছে ২৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেশি। এছাড়া গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে এ খাতে রফতানি আয় হয়েছিল ২৬ কোটি ২৫ লাখ ডলার।

আলোচিত সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি করে আয় হয়েছে ২২ কোটি ৫১ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি। অবশ্য এখাতে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রফতানি আয় হয়েছিল ২৫ কোটি ৪৩ লাখ ডলার।

জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে প্লাস্টিকজাত পণ্য রফতানি কমেছে। অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্লাস্টিকজাত পণ্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল দুই কোটি ৮৯ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে দুই কোটি ৬১ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় কম হয়েছে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। এ খাতে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে প্রায় ১৭ শতাংশ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

অর্থনৈতিক জোনে বিনিয়োগের জন্য ওয়াশিংটনকে ঢাকার অনুরোধ

USAস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

ঢাকা-ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে পুনর্ব্যক্ত করেছে উভয়পক্ষ। এছাড়া ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে সবার সমৃদ্ধির লক্ষ্যে উম্মুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়তে মতবিনিময় করেছে উভয়পক্ষ।

ঢাকা-ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক সংলাপ শেষে যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বরাত দিয়ে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ঢাকা-ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক সংলাপের যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে।

বিবৃতি উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুই দেশের মধ্যে ভার্চ্যুয়ালি অর্থনৈতিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সেদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জ্বালানি ও পরিবেশ বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি কেইথ ক্রাচ।

যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক জোনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিনিয়োগের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। একইসঙ্গে কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়াতে কৌশল নির্ধারণ নিয়েও উভয়পক্ষ আলোচনা করেছে।

বাংলাদেশের বিমানখাতে আরও সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া সংলাপে জ্বালানি, প্রযুক্তিখাত, সমুদ্র অর্থনীতি ও কানেক্টিভিটিখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

করোনায় মারা গেলেন ছিদ্দিকুর রহমান মিয়ার স্ত্রী

dseস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়ার স্ত্রী মিসেস জাকিয়া খানম আজ ০৬ অক্টোবর ২০২০ তারিখে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন) মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া নিজেও করোনায় আক্রান্ত অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি তার স্ত্রী এবং নিজের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/