পুরাতন চেহারায় ফিরছে নতুন দুই মিউচুয়াল ফান্ড

low profit-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের শনির দশা একটু একটু করে কাটতে শুরু করেছে। সাম্প্রতিক কয়েক বছরে আইপিওতে অভিহিত মূল্য ১০ টাকা দরে বিক্রির পর মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে প্রথম দিন থেকেই দর হারিয়েছিল। তবে চলতি বছরের শুরুতেই তালিকাভুক্ত দুটি মেয়াদি ফান্ডের উভয়টির বাজারদর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়ে কেনাবেচা হতে দেখা যায়। মাত্র কয়েকদিন পর থেকেই পুরাতন মিউচুয়াল ফান্ডের মতো ফেসভ্যালুর কাছাকাছি অবস্থান করছে নতুন তালিকাভুক্ত দুই মিউচুয়াল ফান্ড।

গত বৃহস্পতিবার ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ডটির সর্বশেষ লেনদেন হয় ১০.২০ টাকা। আর এসইএমএল লেকচার ইক্যুয়িটি ম্যানেজমেন্ট নামে অপর এক ফান্ডটি লেনদেন হয়েছে ১১.৬০ টাকায়।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত রবিবার তালিকাভুক্ত ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ডটির সর্বোচ্চ দর উঠেছে ১৮ টাকা। এর সর্বশেষ লেনদেন মূল্য ছিল ১৩ টাকা। আইপিওতে ফান্ডটি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তালিকাভুক্ত হওয়া এসইএমএল লেকচার ইক্যুয়িটি ম্যানেজমেন্ট নামে অপর এক ফান্ড লেনদেনের প্রথম দিনে ১৪.৯০ টাকা লেনদেন হয়েছিল।

২০১১ সালের পর তালিকাভুক্ত হওয়া প্রায় সব মিউচুয়াল ফান্ড অভিহিত মূল্য ১০ টাকার নিচে লেনদেন হচ্ছে। এমনকি লেনদেন শুরুর প্রথম তিন দিনের মধ্যে ১০ টাকা মূল্যের ফান্ড ৭ টাকাতেও কেনাবেচা হতেও দেখা যায়।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সর্বশেষ পাঁচ বছরে তালিকাভুক্ত ১৩টি মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের গতকালের সর্বশেষ লেনদেন মূল্য ছিল গড়ে ৬ টাকা ৭১ পয়সা।
সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর পর ফান্ডের বাজারদর প্রকৃত দরের অর্ধেকে নেমে আসার শঙ্কায় আইপিওতেও অনেক বিনিয়োগকারী মিউচুয়াল ফান্ড কিনতে চান না। এ অবস্থায় ২০১৫ সালে মাত্র ১টি ফান্ড বাজারে এসেছে। ২০১৪ সালে কোনো ফান্ডই তালিকাভুক্ত হয়নি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ/এলকে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *