খেলাপি ঋণে বিশেষ ছাড়, কিস্তির অর্ধেক দিলেই নিয়মিত

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এখনো বিদ্যামান। যুদ্ধের প্রভাবে দেশে দেশে অর্থনীতি সংকটে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিও চাপে। চাপে ব্যবসা-বাণিজ্য। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে খেলাপি ঋণে আবার বিশেষ ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের কিস্তির অর্ধেক দিলেই ওই ঋণ নিয়মিত হবে। পূর্বের ঘোষণাতে ঋণের এই কিস্তি ৭৫ শতাংশ দেওয়ার নির্দেশনা ছিল।

রবিবার (১৮ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের সিইও ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বরাবর পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্কুলারে বলা হয়, ‘বহিঃবিশ্বে যুদ্ধ অবস্থা দীর্ঘায়িত হওয়ায় এর দীর্ঘ মেয়াদি নেতিবাচক প্রভাবে শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ঋণগ্রহীতাদের প্রকৃত আয় কমে গেছে। এ অবস্থায়, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল রাখা এবং ঋণগ্রহীতাদের ঋণের কিস্তি পরিশোধ সহজতর করার জন্য এই নির্দেশনা দেওয়া দেওয়া যাচ্ছে যে, মেয়াদি ঋণের বিপরীতে চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর সময়কাল পর্যন্ত কিস্তির ন্যূনতম ৭৫ শতাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ পরিশোধ করা হলে ওই ঋণসমূহ বিরূপমানে শ্রেণিকরণ (খেলাপি) করা যাবে না। ‘

‘সার্কুলারের মাধ্যমে সুবিধাপ্রাপ্ত মেয়াদি ঋণের চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তির অপরিশোধিত অংশ বিদ্যমান ঋণের পূর্বনির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী এক বছরের মধ্যে সমান কিস্তিতে প্রদেয় হবে। তবে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে অবশিষ্ট মেয়াদকালের সাথে বর্ধিত এক বছর সময়কে বিবেচনায় নিয়ে ঋণের কিস্তি পুনঃনির্ধারণ করে নতুন সূচি অনুযায়ী আদায় করা যাবে। ’

খেলাপি ঋণের কিস্তি সম্পর্কিত পূর্বের সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনা বহাল থাকবে। এ নির্দেশনা শিগগিরই কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে বলা হয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম////

ডরিন পাওয়ারের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানী ও শক্তি শিল্প খাতের কোম্পানি ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস এন্ড সিষ্টেমস লিমিটেড (ডিপিজিএসএল) এর ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) রবিবার সকাল ১১ টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় । উপস্থিত শেয়ার হোল্ডারগণ ২০২১-২০২২ হিসাব বছরের জন্য সুপারিশকৃত ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ সহ অন্যান্য আলোচ্য সূচি সমূহ অনুমোদন করেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাবা আনজাবীন আলম সিদ্দিকী। এজিএমে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব তাহজীব আলম সিদ্দিকী, পরিচালক জনাব আবুল হাসনাত, স্বতন্ত্র পরিচালক জনাব মোঃ তাওফিকুল ইসলাম খান এবং কোম্পানি সচিব জনাব মাসুদুর রহমান ভুঁইয়া ।

উক্ত, এজিএম এ ৩০ জুন ২০২২ সালে সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনসহ পরিচালকদের প্রতিবেদন অনুমোদিত হয় । এ সময় শেয়ার হোল্ডারগণ গত হিসাব বছরের জন্য সকল শেয়ার হোল্ডারদের ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ এবং পরিচালক বা উদ্যোক্তা ব্যাতীত শুধুমাত্র সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেন।

এর আগে ৩০ জুন ২০২১ সালে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য সকল শেয়ার হোল্ডারদের ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ এবং পরিচালক বা উদ্যোক্তা ব্যাতীত শুধুমাত্র সাধারণ শেয়ার হোল্ডারদের ১৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম////

ইসলামি কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন ১৩.৩০ টাকায়

স্টকমার্কেটবিডি ডেস্ক :

আইপিও পক্রিয়া শেষে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে ইসলামি কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন আজ সোমবার হতে শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই শেয়ারটি সর্বোচ্চ ১৩.৩০ টাকায় লেনদেন হতে দেখা গেছে।

এদিন সকাল ১০ টায় এই শেয়ারটি লেনদেন শুরু হয়। দিনশেষে ডিএসইতে এই শেয়ার সর্বোচ্চ ১৩.৩০ টাকায় লেনদেন হয়। দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শেয়ারটি একই দরে লেনদেন হয়। এসময় পর্যন্ত শেয়ারটির ১৩৬ বার লেনদেন হয়েছে।

এর আগেই বরাদ্দকৃত আইপিও শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসেবে পাঠিয়েছে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই শেয়ারের লেনদেন শুরু হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

স্টক ব্রোকারের অনুমোদন পেল রিলিফ এক্সচেঞ্জ

স্টকমার্কেটবিডি ডেস্ক :

রিলিফ এক্সচেঞ্জ লিমিটেডকে স্টক ব্রোকারের অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রিলিফ এক্সচেঞ্জ লিমিটেড ডিএসই সদস্য। এর সদস্য নম্বর-২৯২।

গত ১৯ জুলাই এই সিকিউরিটিজটিকে এই স্টক ব্রোকারের অনুমোদন প্রদান করেছে ডিএসই।

ডিএসইতে রিলিফ এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের থ্রি ডিজিটের আইডি নম্বর REL.

স্টকমার্কেটবিডি.কম/বি

লেনদেনের শীর্ষে ইন্ট্রাকো; ২য় মুন্নু সিরামিকস

স্টকমার্কেটবিডি ডেস্ক :

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার দিনশেষে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিং লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, এদিন কোম্পানিটির ২২ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা মুন্নু সিরামিকস লিমিটেড শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৯২ লাখ টাকার।

বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড ১৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে।

লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে-  এ্যপেক্স ফুডসের ১২ কোটি ৬ লাখ, জেনেক্স ইনফোসিসের ১০ কোটি ৪৮ লাখ, মুন্নু এগ্রোর ৯ কোটি ৯৬ লাখ, জেমিনী সী ফুডসের ৯ কোটি ৪১ লাখ, ওরিয়ন ফার্মার ৭ কোটি ৭৩ লাখ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ৭ কোটি ২৪ লাখ ও এ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেডের ৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এস

  1. ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিং
  2. মুন্নু সিরামিকস
  3. বসুন্ধরা পেপার মিলস
  4. এ্যপেক্স ফুডস
  5. জেনেক্স ইনফোসিস
  6. মুন্নু এগ্রো
  7. জেমিনী সী ফুডস
  8. ওরিয়ন ফার্মা
  9. বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন
  10. এ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেড।

দিনশেষে সূচকের সাথে অনেকটা কমেছে লেনদেন

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্স‌চে‌ঞ্জের (ডিএসই) দিনশেষে সূচকের পতন হয়েছে। এদিন সেখানে লেনদেনও আগের দিনের চেয়ে অনেকটা কমেছে। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ও লেনদেন কমেছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার দিনশেষে ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১১.২১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬২৪৫ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরীয়াহ সূচক ৪.০১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৩৬৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪.৩৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২২০৪ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৪০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। গত বৃহস্পতিবার সেখানে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪২৫ কোটি ২ লাখ টাকা।

ডিএসইতে দিনভর ৩০৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৩০টি শেয়ারের দর বেড়েছে, কমেছে ৫৫টির, আর দর অপরিবর্তিত আছে ২২১টির দর।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনে এগিয়ে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো – ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিং, মুন্নু সিরামিকস, বসুন্ধরা পেপার মিলস, এ্যপেক্স ফুডস, জেনেক্স ইনফোসিস, মুন্নু এগ্রো, জেমিনী সী ফুডস, ওরিয়ন ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ও এ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেড।

অন্যদিকে দেশের অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স ১.১৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৮ হাজার ৪৪৬ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ১২১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ৩৫টির ও দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৬টির।

এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ২৩ টাকা। গত বৃহস্পতিবার সেখানে লেনদেন হয়েছে ৪২ কোটি ৩৪ লাখ লাখ টাকা।

দিনশেষে সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ও রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম////

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের সাবস্ক্রিপশন শুরু ১৬ জানুয়ারি

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের লোগো

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের আইপিও সাবস্ক্রিপশন শুরু হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি। এই আবেদন গ্রহণ শেষ হবে ২২ জানুয়ারি। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সম্প্রতি কোম্পানিটির কাট-অব প্রাইস ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কাট-অব প্রাইস নির্ধারণের জন্য কোম্পানিটির বিডিং (নিলাম) শুরু হয় গত ১০ অক্টোবর বিকাল ৩ টায়। আর এই বিডিং ১৩ অক্টোবর বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলে।

এই বিডিংয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ারের দর প্রস্তাব করে। এসব প্রস্তাবিত দরের উপর ভিত্তি করে কাট-অব প্রাইস নির্ধারণ করা হয়।

এই বিডিংয়ে মোট ২২১টি প্রতিষ্ঠান তাদের সুবিধা মতাে দর প্রস্তাব করে। এই বিডিংয়ে কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বোচ্চ দর আসে ৫০ টাকা। আর একটি মাত্র প্রতিষ্ঠান ২০ টাকায় সর্বনিম্ন দর আহবান করে।

গত ৩১ আগষ্ট এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার ছেড়ে ৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বিএসইসির ৮৩৭তম কমিশন সভায় বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এই আইপিওটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদন স্বাপেক্ষে কোম্পানিটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিকট হতে দর প্রস্থাব আহবান করবে। এই বিডিংয়ের পরে কোম্পানিটির কাট অফ প্রাইস নির্ধারণ করা হয়।

কোম্পানিটির কাট অফ প্রাইস থেকে ৩০ শতাংশ ডিসকাউন্টে অথবা ২০ টাকা; দুটোর মধ্যে কম মূল্যে সাধারণ বিনিয়োগকারী এই আইপিও শেয়ার কিনতে পারবেন।

উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ভবন নিমার্ণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০২১ সময়ের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদের পরিমাণ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫৬.৬১ টাকা। আর বিগত ৫ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.২১ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে শাহজালাল ইক্যুইকিটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

আইপিওতে আসতে কোম্পানিটি ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর রবিবার সন্ধা ৭ টায় রেডিসন ব্লু হোটেলে ওয়াটার গার্ডেন বলরুমে একটি রোড শো’র আয়োজন করে। রোড শোতে শেয়ারবাজারের খ্যাতমান ইলিজিবল ইনভেষ্টরদের উপস্থিত হোন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/জেড

৬ মাসে বিবি থেকে সরকারের ঋণ ৫০ হাজার কোটি টাকা

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ার কারণে সরকারি খাতে আমদানি ব্যয়সহ অন্যান্য খাতে খরচ বেড়েছে। অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় বাড়তি খরচ মেটাতে চাহিদা অনুযায়ী আয় বাড়াতে পারছে না সরকার। ফলে সরকারের দৈনন্দিন আয়-ব্যয়ের হিসাবে বড় ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

এ ঘাটতি মেটাতে সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছে। অন্যান্য সময় বাণিজ্যিক ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ঋণ নিত। এখন তারল্য সংকটের কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছে। সঞ্চয়পত্র বিক্রিও কমে গেছে।

ফলে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে গত ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে নতুন কোনো ঋণ নেয়নি। বরং আগের ঋণ থেকে ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও ডলারের বিপরীতে টাকার রেকর্ড অবমূল্যায়নের কারণে বেসরকারি খাতের মতো সরকারি খাতেও আমদানি ব্যয় লাগামহীনভাবে বেড়েছে। এর প্রভাবে দেশের ভেতরেও প্রায় সব ধরনের পণ্য ও সেবার দাম বেড়েছে।

এতে সরকারকে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য নানা ধরনের খাদ্য সহায়তা দিতে হচ্ছে। এ কারণে আমদানিও বাড়াতে হয়েছে। এছাড়া জ্বালানি তেল, গ্যাস, সার, ওষুধসহ অন্যান্য সামগ্রীও আমদানি বাড়াতে হয়েছে। এতে সরকারের খরচ বেড়েছে। এদিকে মন্দার কারণে সরকারের আয় বাড়ছে না। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সরকারের আয় বেড়েছে ১৫ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে বেড়েছিল ১৮ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে আয় বৃদ্ধির হার কমেছে ৩ শতাংশ।

এদিকে জ্বালানি তেল আমদানি ব্যয় বেড়েছে ১১৫ শতাংশ, গ্যাস আমদানি ব্যয় ৭৭ শতাংশ, সার ১০৮ শতাংশ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের যন্ত্রপাতি আমদানি ব্যয় ১৭ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া অন্যান্য বড় প্রকল্পের আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে। চাহিদা মেটাতে সরকারকে চিনি, ভোজ্যতেল, চাল, গম আমদানি করতে হচ্ছে। এসব খাতেও বাড়তি খরচ হচ্ছে।

এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায়ও বাড়তি খরচ করছে। ব্যয় বাড়ার তুলনায় রাজস্ব আয় না বাড়ায় এসব অর্থের জোগান দিতে সরকারকে ঋণ দিতে হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকার নতুন কোনো ঋণ নেয়নি। বরং আগের নেওয়া ঋণের মধ্যে ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল।

গত অর্থবছরের একই সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকার ঋণ নিয়েছিল ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ওই ঋণের একটি অংশ দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আগের নেওয়া ঋণ পরিশোধ করেছিল। কিন্তু চলতি অর্থবছরে ঘটেছে উলটো ঘটনা। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট চলছে। বর্তমানে তা আরও প্রকট হয়েছে।

ব্যাংকে আমানত প্রবাহ হ্রাস, ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে মন্দা, ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে নেওয়া ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় নতুন সঞ্চয় কমার কারণে ব্যাংকে নগদ অর্থে টান পড়েছে। যে কারণে সরকার এখন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নতুন ঋণ নিচ্ছে না।

এক্ষেত্রে সরকার রাজস্ব আয় অর্থের ঋণ পরিশোধ না করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে তারল্যের জোগান বাড়াচ্ছে।

গত ১ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের মধ্যে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল। কিন্তু আগস্ট থেকে সরকারের ঋণ বাড়তে থাকে। গত ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ঋণ নিয়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া ৫০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করেছে।

সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে গত অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে ঋণ নিয়েছিল ৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এ খাত থেকে ঋণ নেওয়া কমেছে ৬৩৩ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অর্থ বলা হয়। এ অর্থ বাজারে গিয়ে টাকার প্রবাহ দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়ে দেয়। ফলে টাকার প্রবাহ বেড়ে যায়। এতে মূল্যস্ফীতির হার বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণ করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের মাত্রাতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ এ ধরনের মুদ্রানীতির পরিপন্থি।

কেননা সংকোচনমুখী মুদ্রানীতির মূল্য লক্ষ্য হচ্ছে টাকার প্রবাহ কমিয়ে মূল্যস্ফীতির হার কমানো। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিলে টাকার প্রবাহ বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির হারও বাড়ে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম////

খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১০ বছরে ৩ গুণ বেড়েছে: সিপিডি

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ গত ১০ বছরে ৩ গুণেরও বেশি বেড়েছে। ২০১২ সালে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৪২৭.২৫ বিলিয়ন টাকা।

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসে এই খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩৪৩.৯৬ বিলিয়ন টাকা।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ‘অর্থনৈতিক সংকট ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

তবে আদালতের স্থগিতাদেশ আছে এমন ঋণ এবং পুনঃ তফসিলকৃত ঋণ অন্তর্ভুক্ত করা হয় হলে প্রকৃত খেলাপি ঋণ আরও বেশি হবে।

খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণ হিসেবে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেছে সিপিডি। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো— রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংক পরিচালকদের নিয়োগ, রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ অনুমোদন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতার অভাব, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ঋণখেলাপিদের সুবিধা দেওয়া, স্বার্থান্বেষীদের পক্ষে ব্যাংকিং কোম্পানি আইনের সংশোধনী, আর্থিক ঋণ আদালত আইনের দুর্বলতা, দেউলিয়া বিষয়ে আইনে ফাঁকফোকর, তথ্যের মান নিয়ে সমস্যা, সঠিক তথ্যের অনুপস্থিতি, ঋণ পাওয়ার জন্য মিথ্যা তথ্য, জাল নথি ও ভুয়া কোম্পানির পরিচয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম////