পোশাক শিল্প নিয়ে সহিংসতা হলে কঠোর ব্যবস্থা : বাণিজ্যমন্ত্রী

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পোশাক শিল্প নিয়ে যারা সহিংসতা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে মালিক ও শ্রমিক দু’পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা চলছে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর মজুরি কাঠামো যাচাই করা হচ্ছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে তা কার্যকর করা হবে। এখন যারা বিশৃঙ্খলা করছেন তারা উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে করছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এরপর যে কারখানা এমন অরাজকতা করবে তা বন্ধ করে দেয়া হবে।

বুধবার সকালে রংপুরের নব্দীগঞ্জে অপু মুনশি ক্যান্সার হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অনেক সরকার ক্ষমতায় বসলেও শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ সরকার পোশাক শ্রমিকদের নিয়ে ভেবেছেন। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সদইচ্ছা রয়েছে। ১৬শ’ টাকার বেতন নিয়ে গেছেন আট হাজারে। এবারও সম্মানজনক বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
যেসব দেশে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে সমস্যা হচ্ছে এরকম তিন দেশের বাণিজ্য বন্ধ করতে চাচ্ছে বাইডেন সরকার-এই তালিকায় বাংলাদেশ আছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো খবর জানা নেই। তবে তিনি আশা করেন এরকম সিদ্ধান্ত নেবে না আমেরিকা।

নিত্যপণ্যের বাজার প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ১৫ কোটি ডিম আমদানির বিষয়টি চূড়ান্ত হলেও কিছু টেকনিক্যাল কারণে সময় পিছিয়েছে। আশা করছি দু-এক দিনের মধ্যে ডিম আমদানি হবে।

পিয়াজ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ভারত পিয়াজ রফতানিতে দর বেধে দিয়েছে। এরপর আমাদের ট্যাক্স আছে। এ কারণে ভারতীয় পিয়াজ দেশে পৌঁছে ১১০-১১৫ টাকা হয়ে যায়। এছাড়া দেশি পিয়াজের মজুত প্রায় শেষের দিকে। নতুন পিয়াজ না ওঠা পর্যন্ত আরও একমাস একটু কষ্ট হবে।

আলু প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যারা আমদানির জন্য আসবেন তাদের সহায়তা করা হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/////

অক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ১৯৭ কোটি ডলার

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

দেশে গত অক্টোবর মাসে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের (১৯৭ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার) রেমিট্যান্স এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ৫০ পয়সা ধরে) প্রায় ২১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকার বেশি। আর প্রতিদিন এসেছে প্রায় ছয় কোটি ৩৯ লাখ ডলার বা ৭০৫ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, অক্টোবর মাসে দেশে ১৯৭ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে ১৫ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার এসেছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭৫ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬০ লাখ ৩০ হাজার ডলার এসেছে।

গত মাসে সাতটি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব, বেসরকারি কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, বিদেশি হাবিব ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

সেপ্টেম্বর মাসে ১৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার প্রবাসী আয় আসে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (এক টাকা সমান ১০৯.৫০ টাকা ধরে) ১৪ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। জুলাই মাসে ১৯৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের (১.৯৭ বিলিয়ন ডলার) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আগস্টে এসেছিল ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। গত জুন মাসে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার (২.১৯ বিলিয়ন ডলার) প্রবাসী আয় এসেছিল।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/////

ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন- ১৯ শুরু : পাবেন ২০০% ক্যাশ ভাউচার

‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৯’ এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে উপস্থিত ওয়ালটনের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

শীত আসছে। শীতের আগমনি বার্তা আর উৎসবের আমেজ নিয়ে দেশব্যাপী ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন- ১৯’ শুরু করলো ওয়ালটন। পূর্বের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনেও ওয়ালটন ফ্রিজের ক্রেতাদের জন্য রয়েছে বিশেষ চমক। সিজন-১৯ এর আওতায় দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম ও অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্ম ই-প্লাজা থেকে যেকোনো মডেলের ফ্রিজ কিনে ক্রেতারা পেতে পারেন ২০০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশ ভাউচার। এছাড়াও পাবেন কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত ক্যাশব্যাক।

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর, ২০২৩) বিকালে রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৯’ এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে এসব সুবিধা ঘোষণা দেয়া হয়। চলতি বছরের ১ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওয়ালটন ফ্রিজ ক্রয়ে এসব সুবিধা পাবেন ক্রেতারা।

অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৯ এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের চিফ বিজনেস অফিসার তোফায়েল আহমেদ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটনের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এমদাদুল হক সরকার, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার ও ইভা রিজওয়ানা নিলু, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরিফুল আম্বিয়া, দিদারুল আলম খান (চিফ মার্কেটিং অফিসার), ফিরোজ আলম ও আনিসুর রহমান মল্লিক, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আজিজুল হাকিম ও শহীদুজ্জামান রানা, সিনিয়র ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন প্রমুখ।
ডিক্লারেশন প্রোগ্রাম সঞ্চালনা করেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান।

অনুষ্ঠানে ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের সিবিও তোফায়েল আহমেদ জানান, দেশের ফ্রিজ বাজারে ওয়ালটনের মার্কেট শেয়ার প্রায় ৭৫ শতাংশ। ওয়ালটন গ্রাহকদের হাতে শুধু আন্তর্জাতিকমানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের ফ্রিজই তুলে দিচ্ছে না; সর্বোচ্চ বিক্রয়োত্তর সুবিধা প্রদানেও বদ্ধপরিকর। তাই অনলাইন অটোমেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আরো দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে কাস্টমার ডাটাবেজ গড়ে তুলছে ওয়ালটন। সেজন্য সারাদেশে চালানো হচ্ছে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন। এরই ধারাবাহিকতায় শীতকে সামনে রেখে ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-১৯’ শুরু করেছে ওয়ালটন। পূর্বের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনও গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদী।

কর্মকর্তারা জানান, সিজন-১৯ এর আওতায় ক্রেতারা দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ কেনার পর পণ্যটির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হবে। এরপর ওয়ালটনের কাছ থেকে ফিরতি এসএমএস-এর মাধ্যমে ক্রেতারা পেতে পারেন ২’শ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশ ভাউচার। এছাড়াও পাবেন কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত ক্যাশব্যাক। প্রাপ্ত ক্যাশ ভাউচার দিয়ে ক্রেতারা তাদের পছন্দমতো ওয়ালটনের যেকোনো পণ্য কিনতে পারবেন।

ক্যাম্পেইন চলাকালীন ফ্রিজ কেনার পর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর এবং পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে গেলেও দেশের যেকোনো ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ক্যাম্পেইনের প্রতিটি সিজনেই গ্রাহকদের বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন।

ওয়ালটন ফ্রিজের প্রকৌশলীরা জানান, ওয়ালটনের প্রতিটি ফ্রিজ আন্তর্জাতিক মান যাচাইকারি সংস্থা নাসদাত ইউনিভার্সাল টেস্টিং ল্যাব থেকে মান নিশ্চিত হয়ে বাজারে ছাড়া হচ্ছে। ওয়ালটন ফ্রিজের রয়েছে বিএসটিআইয়ের ফাইভ স্টার এনার্জি এফিশিয়েন্সি রেটিং। ফ্রিজ উৎপাদন ও রপ্তানিতে ওয়ালটন অর্জন করেছে আইএসও, ওএইচএসএএস, ইএমসি, সিবি, আরওএইচএস, এসএএসও, ইএসএমএ, ইসিএইচএ, জি-মার্ক, ই-মার্ক ইত্যাদি সার্টিফিকেট। ফলে দেশের সিংহভাগ চাহিদা মিটিয়ে ওয়ালটন ফ্রিজ রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশে।
বর্তমানে বাজারে রয়েছে ওয়ালটনের দুই শতাধিক মডেল ও ডিজাইনের রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার ও বেভারেজ কুলার। এসব ফ্রিজের দাম ১৪ হাজার ৯৯০ টাকা থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৯০ টাকার মধ্যে। ওয়ালটন ফ্রিজের গ্রাহকরা ১ বছরের রিপ্লেসমেন্টসহ কম্প্রেসরে ১২ বছর পর্যন্ত গ্যারান্টি ও ৫ বছরের ফ্রি বিক্রয়োত্তর সুবিধা পাচ্ছেন। আইএসও সনদপ্রাপ্ত ওয়ালটন সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় দেশব্যাপী বিস্তৃত ৮২টি সার্ভিস সেন্টার থেকে গ্রাহকেরা দ্রুত সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা পাচ্ছেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/////

চিনির আমদানি শুল্ক অর্ধেক কমালো সরকার

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

চিনির আমাদনি শুল্ক কমে অর্ধেক হয়েছে। আমদানি করা অপরিশোধিত চিনির ক্ষেত্রে প্রতি টনে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং পরিশোধিত চিনির ক্ষেত্রে প্রতি টনে ৩ হাজার টাকা শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে সই করেছেন এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অপরিশোধিত চিনি আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি টন চিনিতে শুল্ক কমানো হয়েছে ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর পরিশোধিত চিনির ক্ষেত্রে টন প্রতি আমদানি শুল্ক ৩ হাজার টাকা কমানো হয়েছে।

আগে অপরিশোধিত চিনি আমদানির ক্ষেত্রে টন প্রতি টনে শুল্ক দিতে হতো ৩ হাজার টাকা। আর পরিশোধিত চিনির ক্ষেত্রে টন প্রতি টনে শুল্ক ছিল ৬ হাজার টাকা। উভয় ধরনের চিনির আমদানি শুল্ক কমিয়ে অর্ধেক করা হলো।

শুল্ক কমানোর এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত চিনির আমদানি শুল্ক ছাড়ের এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

আমদানি শুল্কের পাশাপাশি চিনিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক রয়েছে ৩০ শতাংশ। এছাড়া আমদানিকারকদের ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। সেই সঙ্গে অগ্রিম আয়কর দিতে হয় ২ শতাংশ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/////

দেশে সহিংস কোনো কর্মসূচি চায় না এফবিসিসিআই

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

বর্তমান রাজনৈতিক সহিংসতায় ব্যবসা, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষায় এবং জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে হরতাল, অবরোধসহ অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর যে কোনো অসহিষ্ণু রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিহারের আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের এ শীর্ষ সংগঠন।

বুধবার (১ নভেম্বর) গণমাধ্যমে এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগীরের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়েছে। বিশ্বব্যাপী সাপ্লাই চেইন (সরবরাহ ব্যবস্থা) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ডলার সংকট, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমদানি কমে যাওয়ায় ইতোমধ্যে উৎপাদন হ্রাস এবং বৈদেশিক রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এরইমধ্যে নতুন করে যোগ হয়েছে গাজা-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতি- যা দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও নাজুক করে তুলছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই দেশে হরতাল, অবরোধসহ রাজনৈতিক অস্থিরতা জাতীয় অর্থনীতিকে আরও শঙ্কার দিকে ঠেলে দিচ্ছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ডাকা হরতাল/অবরোধ কর্মসূচি সাপ্লাই চেইনকে ভীষণভাবে বিঘ্নিত করছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যে পণ্যের বাজার মূল্যের ওপর এবং রপ্তানির ওপরও পড়ছে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ করতে না পারলে ক্রয়াদেশ বাতিলের ঝুঁকিতে পড়বেন উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ সব পণ্যসামগ্রীর উর্ধ্বমূল্যের প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর।

এফবিসিসিআই বলছে, হরতাল, অবরোধ কর্মসূচির কারণে বিদেশে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা যাবে। এর ফলে বিদেশিরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ হারাবে। অন্যদিকে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাবে এবং কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়বে, যা কখনোই কাম্য নয়। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক অস্থিরতা চলতে থাকলে ঋণ খেলাপির পরিমাণ বেড়ে যাবে। নতুন কর্মসংস্থানের পথ রুদ্ধ হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তারা হরতাল, অবরোধ ও সহিংস কোনো কর্মসূচি চান না। তারা চান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, কারণ এটা ছাড়া দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধরে রাখা সম্ভব হবে না। সাধারণ মানুষ এবং অর্থনীতির বৃহৎ স্বার্থের কথা বিবেচনা করে হরতাল বা অবরোধের মতো অসহিষ্ণু কর্মসূচি থেকে রাজনৈতিক দলগুলো ফিরে আসবে বলে এফবিসিসিআই বিশ্বাস করে।

এফবিসিসিআিইয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও দেশের অর্থনীতিকে একটি শক্তিশালী কাঠামোর ওপর দাঁড় করানোর লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু চলমান হরতাল/অবরোধ কর্মসূচি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ব্যাহত করবে। রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রলম্বিত হলে এলডিসি গ্রাজুয়েশন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা, এসডিজি অর্জনসহ জাতীয় লক্ষ্যসমূহ অর্জন ব্যাহত হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/////

শিল্প প্রতিমন্ত্রীকে ঘিরে শ্রমিকদের স্লোগান

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

মিরপুরে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে শুরু করে। বুধবার (১ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর ১০ নম্বরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে মিরপুরে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে যান শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। একপর্যায়ে উত্তেজিত শ্রমিকরা তার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। এ অবস্থায় প্রতিমন্ত্রী দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এর আগে সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পোশাক শ্রমিকরা মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নেন। এসময় ওই এলাকায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরে সকাল ৯টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে ১৪ নম্বরের দিকে চলে যান তারা।

এরপর লাঠি হাতে শ্রমিকরা মিরপুর ১ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নেন। এসময় টেকনিক্যাল থেকে আসা সব ধরনের যানবাহন ঘুরিয়ে দেন তারা। ওই সময় আতঙ্কিত হয়ে ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান বন্ধ করে ফেলেন। পরে কয়েকটি গার্মেন্টসের ফটক ভাঙচুর করতে দেখা যায় শ্রমিকদের।

দুপুর ১২টা নাগাদ শ্রমিকরা সড়ক ছেড়ে চলে যান। এরপরই শুরু হয় যান চলাচল, খোলা হয় দোকানপাট।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/////

লেনদেনের শীর্ষে সী পার্ল বিচ রিসোর্ট; ২য় মনোস্ফুল পেপার

স্টকমার্কেটবিডি ডেস্ক :

সপ্তাহের চতূর্থ কর্মদিবস বুধবার দিনশেষে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ওসী পার্ল বিচ রিসোর্ট এন্ড স্পা লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, এদিন কোম্পানিটির ২৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ মনোস্ফুল পেপার লিমিটেড শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

ওরিয়ন ইনফিউশনর ১৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে।

লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ফু-ওয়াং ফুডসের ১৯ কোটি ৯৭ লাখ, এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের ১৪ কোটি ৫৮ লাখ, বিচ হ্যাচারির ১৩ কোটি ৮৬ লাখ, জেমিনী সী ফুডের ১২ কোটি ৫৯ লাখ, সমরিতা হসপিটালের ১০ কোটি ৫৩ লাখ, সোনালী আঁশের ১০ কোটি ১২ লাখ ও লিব্রা ইনফিউশন লিমিটেডের ৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এসবি

  1. সী পার্ল বিচ রিসোর্ট
  2. বাংলাদেশ মনোস্ফুল পেপার
  3. ওরিয়ন ইনফিউশন
  4. ফু-ওয়াং ফুডস
  5. এমারেল্ড অয়েল
  6. বিচ হ্যাচারি
  7. জেমিনী সী ফুড
  8. সমরিতা হসপিটাল
  9. সোনালী আঁশ
  10. লিব্রা ইনফিউশন লিমিটেড।

ডিএসইতে লেনদেন কমলেও বেড়েছে সিএসইতে

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পতন হয়েছে। এদিন সেখানে লেনদেনও আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সপ্তাহের চতূর্থ কর্মদিবস বুধবার ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪.৯৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬২৭৩ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরীয়াহ সূচক ২.৩১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৩৬০ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ০.১০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২১৩৩ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৭২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। গতকাল মঙ্গলবার সেখানে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫২২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

ডিএসইতে দিনভর ৩০৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৫০টি শেয়ারের দর বেড়েছে, কমেছে ৯২টির আর দর অপরিবর্তিত আছে ১৬৭টির দর।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনে এগিয়ে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো – সী পার্ল বিচ রিসোর্ট এন্ড স্পা, বাংলাদেশ মনোস্ফুল পেপার, ওরিয়ন ইনফিউশন, ফু-ওয়াং ফুডস, এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, বিচ হ্যাচারি, জেমিনী সী ফুড, সমরিতা হসপিটাল, সোনালী আঁশ ও লিব্রা ইনফিউশন লিমিটেড।

অন্যদিকে দেশের অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স ৬.৯৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৮ হাজার ৫৯৬ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ১৩৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৪৭টির, কমেছে ৩৩টির ও দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৬টির।

এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। গতকাল মঙ্গলবার সেখানে লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

দিনশেষে সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে সী পার্ল বিচ রিসোর্ট এন্ড স্পা ও এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এসবি

নগদ লেনদেনবিহীন সমাজ সহজ করবে উন্নয়ন: প্রধানমন্ত্রী

স্টকমার্কেটবিডি ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশে নগদ লেনদেনবিহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা উন্নয়নকে ত্বরান্বিত এবং রাজস্ব সংগ্রহ সহজ করবে।’

আজ বুধবার বাংলাদেশের নিজস্ব কান্ট্রি কার্ড স্কিম ‘টাকা পে’ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসসের।

প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘যখন আমরা একটি নগদ লেনদেনবিহীন সমাজ গড়ে তুলতে পারব, তখন এটি দুর্নীতি হ্রাস, দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত এবং রাজস্ব আদায় সহজ করবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর লক্ষ্যে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকেও স্বাধীন ও সার্বভৌম হতে হবে।’

প্রতিটি কার্ডধারীর তথ্য-নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি এই নেটওয়ার্কের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভালোভাবে সুরক্ষিত থাকবে। বিশেষ করে ফায়ারওয়াল ফুলপ্রুফ তৈরিতে আমাদের বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘এই ‘টাকা পে’ কার্ডটি বাংলাদেশে নগদ লেনদেনবিহীন সমাজ গঠনের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে। আমরা অন্য কারো ওপর নির্ভরশীল হব না। আমরা আমাদের অর্থ আমাদের দেশেই ব্যবহার করব। আমরা এই সিস্টেমটিকে অন্য দেশের সাথে সংযুক্ত করার চেষ্টা করব। আমাদের অবশ্যই একটি হার্ড কারেন্সির ওপরও নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়।’’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি), সোনালী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংক ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়।

টাকা পে কার্ডটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহযোগিতায় বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংকের পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক ইস্যু করছে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিবি গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার।

বিবি’র নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক ‘টাকা পে’ জাতীয় কার্ড প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজাল করিম, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন এবং সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুর আরেফিন তাদের অফিসে টাকা পে কার্ডের ব্যবহার এবং এটিএম থেকে অনলাইন পেমেন্ট ও টাকা উত্তোলন প্রদর্শন করেন যেখানে ব্যবহারকারীরা সেবা গ্রহণ করেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/////