‘শেয়ারবাজারেও ঋণের সুদ হার ১২ শতাংশের বেশি না’

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারেও ঋণের সুদ হার বেঁধে দিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আজ বুধবার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে শেয়ারবাজারের ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো গ্রাহকের কাছ থেকে ঋণের বিপরীতে ১২ শতাংশের বেশি সুদ নিতে পারবে না।

বিএসইসি জানিয়েছে, এখন থেকে শেয়ারবাজারের ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো গ্রাহকের কাছ থেকে ঋণের বিপরীতে ১২ শতাংশের বেশি সুদ নিতে পারবে না। শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে যে ঋণ নিয়ে থাকেন, সেটি মার্জিন ঋণ হিসেবে পরিচিত। সাধারণত ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা ধার এনে তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মার্জিন ঋণ হিসেবে বিতরণ করে থাকে। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যে সুদে টাকা ধার নেবে, তার সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ বাড়তি সুদ যোগ করতে পারবে মার্জিন ঋণের ক্ষেত্রে। তবে মার্জিন ঋণের এ সুদহার কোনোভাবেই ১২ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

গত এপ্রিলে ব্যাংক ঋণের সুদহার একক অঙ্কে নামিয়ে আনার পর থেকে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা মার্জিন ঋণের সুদহার কমানোর দাবি করে আসছিলেন।

গত এপ্রিলে ব্যাংক ঋণের সুদহার একক অঙ্কে নামিয়ে আনার পর থেকে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা মার্জিন ঋণের সুদহার কমানোর দাবি করে আসছিলেন। শেয়ারবাজারে বর্তমানে মার্জিন ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশের মধ্যে। ছুটির দিনে শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকলেও এ সুদ গণনা হয়। এখন বিএসইসি বলছে, মার্জিন ঋণের সুদহার কিছুতেই ১২ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

দুই ব্রোকার হাউজকে আর্থিক শাস্তি দিল বিএসইসি

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সদস্য দুই ব্রোকার হাউজকে আর্থিক শাস্তি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার কমিশনের ৭৫৭তম সভায় এই অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

আর্থিক শাস্তি বা জড়িমানা পাওয়া ব্রোকার হাউজগুলো হলো – সিএসই’র সদস্য স্কাই সিকিউরিটজ লিমিটেড ও ডিএসই’র সদস্য সাবভেলী সিকিউরিটিজ লিমিটেড। হাইজগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্রোকার হাউগুলো ২০১৭ সালে বাৎসরিক আর্থিক প্রতিবেদন জমা দেয়নি।

স্কাই সিকিউরিটজ লিমিটেড র্মাজিন ঋণ আইন অমান্য করায় ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর সাবভেলী সিকিউরিটিজ লিমিটেডকেও একই কারণে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া গ্রাহকের সাক্ষর ছাড়া শেয়ার ক্রয় বিক্রয় করার কারণ সাবভেলী সিকিউরিটিজের এক অথরাইজড ইকবাল হোসেনকে ১ লক্ষ টাকা জড়িমানা করেছে বিএসইসি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/বি/জেড

আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত আইডিএলসি ফাইন্যান্সকে ৫০০ কোটি টাকার নন কনভারটেবল জিরো কূপন বন্ড ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছে। বিএসইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বুধবার কমিশনের ৭৫৭তম সভায় এই অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এটি একটি নন কনভার্টেবল, তালিকাভুক্ত হবে না, সম্পূর্ণ অবসায়ন যোগ্য, ফ্লটিং রেটেড, সাবওর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ডটি ৪ বছর পরে সম্পূর্ণ অবসায়ন হবে।

স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, ফান্ড এবং যে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এই বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন। বন্ডটি প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ধরা হয়েছে ৫০ লক্ষ টাকা।

বন্ডের ট্রাস্টি এবং ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসাবে যথাক্রমে ই সিকিউরিটিজ এবং আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড কাজ করবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/

জ্বালানি তেলের দর ১১ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে

স্টকমার্কেবিডি ডেস্ক :

বিশ্বের প্রধান প্রধান অর্থনীতিতে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ায় ভোক্তাচাহিদা শক্তিশালী হওয়ার কারণে জ্বালানি তেলের দর আরও বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দর উত্থান অব্যাহত আছে। অতি-সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির ঘটনায় বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এ পণ্যটির মূল্য গত ১১ মাসের তুলনায় সর্বোচ্চ অবস্থান অর্জন করেছে।

অপরিশোধিত জীবাশ্ম তেলের অন্যতম প্রধান বাজারসূচক ব্রেন্ট ক্রুড ১ শতাংশ বাড়ায় ব্যারেল প্রতি লেনদেন হয় ৫৭ ডলারের বেশি দরে। বিশ্বের প্রধান প্রধান অর্থনীতিতে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ায় ভোক্তাচাহিদা শক্তিশালী হওয়ার কারণে জ্বালানি তেলের দর আরও বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

এর পাশাপাশি সৌদি আরব সরবরাহ কমিয়ে উৎপাদন (উত্তোলন) নিয়ন্ত্রণের নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে বাজারের চাঙ্গাভাব নতুন গতি লাভ করে। অতি-সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশটি জানায়, আগামী ফেব্রুয়ারি ও মার্চে তারা আরও ১০ লাখ ব্যারেল উৎপাদন কমাবে।

ওপেক বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর সৌদি জ্বালানি মন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলআজিজ বিন সালমান ব্লুমবার্গকে জানান, “বাজারের ভালোমন্দ দেখাশোনার দায়িত্ব আমাদের রয়েছে, এজন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একথা আমি আগেও বলেছি এবং আবারও বলছি; আমাদের দৃঢ়প্রত্যয় পরীক্ষা করার সাহস দেখানো কারো উচিৎ হবে না। যারা আমাদের কথা শুনেছেন, তারা এখন তার ভালো ফল ভোগ করছেন। যারা শুনবে না; তাদের বিলাপ চলতেই থাকবে।”

এর প্রতিক্রিয়ায় বাজার বিশ্লেষক স্প্রেডএক্স- এর বিশেষজ্ঞ কনর ক্যাম্পবেল মন্তব্য করেন, “সৌদি আরবের উৎপাদন কমানোর কারণেই বাজার ১১ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে। ফলে পুঁজিবাজারে ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম এবং শেলের মূল্যায়ন যথাক্রমে ৪.৪ ও ২.৫ শতাংশ ঊর্ধ্বগতি অর্জন করে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতেও আরেকদফা জ্বালানি তেলের বাজারে উস্ফলন দেখা যায়। তার আগে মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাক্স চলতি গ্রীষ্মে ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ব্যারেল প্রতি ৬৫ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেয়। সূত্র: ইউকে ইনভেস্ট ম্যাগাজিন

স্টকমার্কেটবিডি.কম/বি

ম‌্যানচেস্টার, সৌদি, নেপাল ও কুয়েতের সব ফ্লাইট বন্ধ

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

করোনাভাইরাসের প্রভাবে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার, সৌদি আরবের মদিনা, নেপালের কাঠমান্ডু ও কুয়েতে বিমানের সব ধরনের ফ্লাইট ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ডিজিএম তাহেরা খন্দকার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তাহেরা খন্দকার বলেন, করোনার কারণে এসব রুটে বিমান চলাচল বন্ধ হওয়ার পর আর চালু হয়নি। এখন আবারও নতুন করে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফ্লাইট আবার চালু হবে। ফলে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব রুটে ফ্লাইট চালুর তারিখ পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের ২১ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য, চীন, হংকং, থাইল্যান্ড ছাড়া সবদেশের সঙ্গে এবং অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এরপর চীন ছাড়া সবদেশের সঙ্গে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এই নিষেধাজ্ঞা সরকারি সাধারণ ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে ১৪ এপ্রিল, ৩০ এপ্রিল, ৭ মে, ১৬ মে, ৩০ মে এবং ১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ১৬ জুন থেকে প্রথমবারের মতো ঢাকা থেকে লন্ডন এবং কাতার রুটে ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ

জনতা ব্যাংকের সেরা গ্রাহক বেক্সিমকো লিমিটেড

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

সদ্য বিদায়ী ২০২০ সালের জন্য রাষ্ট্রমালিকানাধীন জনতা ব্যাংকের সেরা গ্রাহক নির্বাচিত হয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপ। পাশাপাশি গত বছর ব্যাংকটির সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানও ছিল গ্রুপটি। এ জন্য জনতা ব্যাংকের পক্ষ থেকে বেক্সিমকোকে সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ও সেরা গ্রাহকের সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মাননা দেওয়া হবে।

জনতা ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ৬৪৮তম সভায় বেক্সিমকো গ্রুপকে ব্যাংকটির সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক ও সেরা গ্রাহক মনোনীত করা হয়। সে জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে সম্মাননা জানানোরও সিদ্ধান্ত হয় ওই সভায়।
বিজ্ঞাপন

জনতা ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. শহীদুল হক এক চিঠির মাধ্যমে বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমানকে এ সম্মাননা ও ট্রফি প্রদানের সিন্ধান্তের বিষয়টি জানান।

২০২০ সালে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে বেক্সিমকো গ্রুপের মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪ হাজার ৭১৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বেক্সিমকো লিমিটেডের রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ২ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা।

জনতা ব্যাংক জানিয়েছে, গত বছর ব্যাংকটি বেক্সিমকো গ্রুপ থেকেই আয় করেছে প্রায় ৪৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে পুনর্গঠিত ও পুনঃ তফসিল করা ঋণের কিস্তি বাবদ আয় হয়েছে ৪২৭ কোটি টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ

উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই : শিল্প সচিব

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

কোভিড-১৯ (করোনা) ভাইরাস পরিস্থিতিতেও ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এনপিও) কার্যক্রম পরিচালনায় যে ক্ষতি হয়েছে তার গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে অনলাইন প্লাটফরমের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, আলোচনা সভাসহ সকল কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এছাড়া, এশিয়ান প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন কর্তৃক আয়োজিত সকল আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে নিয়মিত ভার্চূয়ালি অংশগ্রহণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্লান ২০২১-২০৩০ বাস্তবায়ন কমিটির অ্যাকশন প্ল্যানটি প্রস্তুত করার কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের ৮ম পঞ্চ বার্ষিক পরিকল্পনায় ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্লান ২০২১-২০৩০ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় উৎপাদনশীলতা কার্যনির্বাহী কমিটির ২১তম ভার্চূয়ালি সভায় আজ পূর্ববর্তী সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে এসব কথা জানানো হয়। শিল্প সচিব কে এম আলী আজম এতে সভাপতিত্ব করেন।

সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব লুৎফুন নাহার বেগম, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো: মোশতাক হাসান এনডিসি, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ রইছ উদ্দিন, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ আরিফুর রহমান অপু, এনপিও’র পরিচালক নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার, বিসিআইসি’র পরিচালক মোঃ শাহীন কামাল, নাসিব সভাপতি মির্জা নুরুল গণি শোভন এবং ডিসিসিআই, এফবিসিসিআই, এমসিসিআই, বিসিআই, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, বিকেএমইএ, বিটিএমসিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ট্রেডবডির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় পূর্ববর্তী সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে আরো জানানো হয়, এনপিও’র প্রশিক্ষণ পরবর্তী গবেষণা “Effectiveness of Productivity Improvement Training Program of NPO” এবং বাংলাদেশ লেদার সেক্টরে “Bangladesh Leather Sector-Condition Challenges and Strategies” শীর্ষক গবেষণা দু’টির কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

সভায় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় জানানো হয়, এনপিও’র তত্বাবধানে জেলা পর্যায়ে যে সকল আলোচনা সভা, সেমিনার, কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সচেতনতা কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে।

উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে শিল্প সচিব কে এম আলী আজম বলেন, ২০৪১ সালকে স্পর্শ করতে হলে, শিল্পে সেক্টরের প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে হবে। সে লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে যে কলাকৌশল গ্রহণ করেছে, আমাদেরকে সেই কলাকৌশল জানতে হবে এবং আমাদের দেশে আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় তা বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনায় যুক্ত করে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ

এপ্রিল-সেপ্টেম্বরে কোটিপতি বেড়েছে ৪ হাজার ৮৬৫ জন

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও দেশে কোটিপতির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। যা ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য বাড়ার পাশাপাশি ধনীদের দ্বারা সম্পদ বেশি আহরণের ইঙ্গিত দেয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে ১ কোটি টাকার বেশি জমা অ্যাকাউন্টধারীর সংখ্যা ৪ হাজার ৮৬৫টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ হাজার ৪৯০টিতে। যা এপ্রিল শেষে ছিল ৮২ হাজার ৬২৫টি। এ সময়েই দেশে করোনাভাইরাস মহামারির প্রকোপ সবচেয়ে বেশি ছিল।

এসব অ্যাকাউন্টে জমা অর্থের পরিমাণও সেপ্টেম্বর শেষে ৩৮ হাজার ২ কোটি টাকা বেড়ে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৮৮০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ৬ মাস আগেও এসব অ্যাকাউন্টে জমা ছিল ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা।

দেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বিবেচনা করলে ১১ কোটি ২৭ লাখ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মধ্যে কোটিপতি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা শূন্য দশমিক ০৭৭ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, এসব অ্যাকাউন্টধারীদের আমানতের পরিমাণ মোট আমানতের ৪২ শতাংশ বা ১৩ লাখ ১২ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা। অপরদিকে ১০ কোটি ৪ লাখ বা ৮৯ শতাংশ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৭৫ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা বা মোট আমানতের ৬ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, এটা স্পষ্টই প্রমাণ হয়েছে যে দেশে আয়ের বৈষম্য দীর্ঘকাল ধরেই বেড়েছে এবং ভাইরাসের প্রকোপ পরিস্থিতি আরও খারাপ করেছে। কোভিড-১৯ মন্দার কারণে দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধির সঙ্গে দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ আয়ে ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে।

একই সঙ্গে বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং আমানতের পরিমাণ বৃদ্ধি ইঙ্গিত দেয় যে ধনীরা আরও ধনী হয়ে উঠেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন মতে, জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসে ১ কোটি টাকার বেশি আমানত থাকা অ্যাকাউন্টের পরিমাণ ১ হাজার ৪৫৩টি বেড়েছে। এসব অ্যাকাউন্টে জমা অর্থ বেড়েছে ১২ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা। গত ১০ বছরে এসব অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার অর্থের পরিমাণ ৫ ধাপ অগ্রগতি হয়ে ৩ গুণ বেড়েছে। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে কোটি টাকার বেশি জমা অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৬৩৬টি এবং অ্যাকাউন্টগুলোতে আমানতের পরিমাণ ছিল ৭৯ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি এবং উচ্চতর জিডিপি বৃদ্ধিও অসমতার সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ১৯০৯ ডলার থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়ে ২০৬৪ ডলার হয়েছে। জিডিপির প্রবৃদ্ধি ২০১৯-২০ অর্থবছরের ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ ছাড়াও গত ১ দশকে ৬ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ

বস্ত্র ও পাটখাতে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ঘটাতে চায় তুরস্ক

স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

বস্ত্র ও পাটখাতে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ঘটাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তফা ওসমান তুরান জানিয়েছেন, তুরস্ক আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করে বাংলাদেশ তাদের বন্ধুপ্রতীম দেশ। সেজন্য তুরস্ক বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাটখাতে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন ঘটাতে আগ্রহী।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর সঙ্গে তার সচিবালয়স্থ কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মুস্তফা ওসমান তুরান । বৈঠকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছাড়াও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে জানান, বাংলাদেশও আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করে তুরস্ক বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতীম দেশ। তুরস্ক বস্ত্র ও পাটখাতে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণে আরো অধিক পরিমাণে বিনিয়োগ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘বাংলাদেশে বিশ্বের সেরা মানের পাট উৎপাদিত হয় এবং এ পাট থেকে এখন উচ্চমানের ও আকর্ষণীয় বহুমুখী পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি হয়। এসব পণ্য রফতানি দেশের তালিকায় অন্যতম অবস্থানে রয়েছে তুরস্ক। বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরো অধিক পরিমাণে বহুমুখী পাটজাত পণ্য তুরস্কে রফতানি করতে চায়।’

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ

  1. রবি আজিয়াটা
  2. বেক্সিমকো লিমিটেড
  3. লংকা বাংলা ফাইন্যান্স
  4. বেক্সিমকো ফার্মা
  5. লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ
  6. আইএফআইসি ব্যাংক
  7. সামিট পাওয়ার
  8. বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস
  9. স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
  10. বিএটিবিসি লিমিটেড।