স্পট মার্কেটে যাচ্ছে সাইফ পাওয়ারটেক

Spot-Market-230x155স্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আবাসন ও সেবা খাতের কোম্পানি সাইফ পাওয়ারটেকের শেয়ার রেকর্ড ডেটের আগে আগামী পাঁচ ফেব্রুয়ারি থেকে স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে। চলবে ছয় ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। রেকর্ড ডেটের দিন কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। এর অংশ হিসেবেই স্পট মার্কটে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হবে।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এ

শেয়ারহোল্ডারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন : ইফাদ অটোসের কারখানা উদ্বোধন

image1নিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারহোল্ডারদের নিকট হতে নেওয়া অর্থ দিয়ে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ী সংযোজন কারখানা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইফাদ অটোস। অপেক্ষার পালা শেষ করে উক্ত প্রকল্পটির বাণিজ্যিক উৎপাদান শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সাভার ধামরায়ে অবস্থিত নতুন প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন অশোক লেল্যান্ডের সিইও এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভিনোদ কে. দাসারী।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার মি. হর্ষা বর্ধন শ্রীংলা, ইফাদ গ্রুপের চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ টিপু, ইফাদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ, ইফাদ অটোস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসকিন আহমেদ, পরিচালক তাসফিন আহমেদ ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারী ব্যাংকের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এদিন সকাল ১০ টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌছান ভিনোদ কে. দাসারী। এরপর সফর সঙ্গীদের নিয়ে হেলিকপ্টার যোগে ধামরাইতে যাবেন অশোক লেল্যান্ডের কারিগরি সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত ইফাদ অটোস লিমিটেডের গাড়ী সংযোজন কারখানায় যান। একদল সাংবাদিক নিয়ে তিনি প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির ২২১তম বোর্ড সভায় সাভার ধামরায়ে অবস্থিত নতুন প্রকল্পটির উৎপানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সর্বসম্মতিতে কোম্পানিটি আজ ২ ফেব্রুয়ারি হতে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অর্থায়ন এ প্রকল্পটির উৎপাদন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, এই প্রকল্পটিতে চলতি বছরের বাকি সময়ে ১ হাজার গাড়ী তৈরি করা সম্ভব বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। যা পরবর্তী বছরগুলোতে ৩ হাজার গাড়ী উৎপাদন করবে ইফাদ অটোস।

নতুন প্রকল্পটিতে বর্তমানের চেয়ে বেড়ে মোট গাড়ী উৎপাদনের পরিমাণ ১০ হাজারে দাঁড়াবে। এতে কোম্পানির টার্ণওভার ও মুনাফা বাড়বে বলে আশা করছে কোম্পানিটি।

ইফাদ অটোস শেয়ারবাজারে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এআর/সি

গ্রীন ডেল্টার বোর্ড সভা ১১ ফেব্রুয়ারি

green deltaস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি গ্রীন ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বোর্ড সভা আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি আহবান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেজুলেশন ২০১৫ এর ১৯(১) ধারা অনুযায়ী, এই বোর্ড সভায় ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

বিমাটি এদিন বেলা দেড়টায় নিজস্ব প্রধান কার্যালয়ে এই বোর্ড সভাটি করবে।

বোর্ড সভায় পরিচালনা বাের্ডের সর্বসম্মতিতে কোম্পানিটি সর্বশেষ বছরের আর্থিক প্রতিবেদনটি শেয়ারহোল্ডারদের জানিয়ে দিবে। একই সাথে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এস

  1. লংকাবাংলা ফাইন্যান্স
  2. বেক্সিমকো লিমিটেড
  3. ইসলামী ব্যাংক
  4. ইফাদ অটোস
  5. আরএসআরএম স্টিলস
  6. সাইফ পাওয়ার
  7. এনবিএল
  8. এ্যাপোলো ইস্পাত
  9. এক্সিম ব্যাংক
  10. সিটি ব্যাংক।

ডিএসইতে ১০৮ ও সিএসইতে ৩৪৩ পয়েন্ট সূচকের পতন

DSE_CSE-smbdনিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনের শেষে প্রধান সূচক কমেছে ১০৮ পয়েন্ট। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক ৩৪৩ পয়েন্ট সূচকের পতন হয়েছে। আর অন্য দিনের মতো লেনদেনের পতন অব্যহত রয়েছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়

বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৭৪৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গতকাল বুধবার সেখানে ৮৮২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়। দিন শেষে দিনের লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কমেছে।

এদিন ডিএসইতে ডিএসইএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৮.৭৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৩৬৫ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৭.৯৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১২৫৪ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ সূচক ৩৬.৭৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৯৫৬ পয়েন্টে।

এদিন দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৪৪টির, কমেছে ২৭৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে – লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, বেক্সিমকো লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক, ইফাদ অটোস, আরএসআরএম স্টিলস, সাইফ পাওয়ার, এনবিএল, এ্যাপোলো ইস্পাত, এক্সিম ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক।

এদিকে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৪৫ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গতকাল বুধবার সেখানে ৫০ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।

এদিন সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বিএসআরএম লিমিটেড ও বেক্সিমকো লিমিটেড।

এদিন সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৪৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৬০৬ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩২টির, কমেছে ২০৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টির।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

এসইএমএল-আইবিবিএল ফান্ডের শেয়ার বিওতে জমা

mutualস্টকমার্কেট ডেস্ক :

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ডের আইপিও লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসেবে পাঠিয়েছে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)। বৃহস্পতিবার সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রটি জানায়, আগামীকাল ১ ফেব্রুয়ারি এই শেয়ার জমা দেয় সিডিবিএল।

গত ১১ ডিসেম্বর হতে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মিউচুয়াল ফান্ডটি আবেদন জমা নেওয়া হয়। ২৫ কোটি টাকার এই এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ডের আবেদন জমা পড়েছে ২৫ কোটি ২৮ লাখ ১৫ হাজার টাকার।

এই ফান্ডের আবেদনের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাত্র ২৪ লাখ ৩০ হাজার, ক্ষতিগ্রস্থদের ৩ লাখ ৪০ হাজার, প্রতিষ্ঠান ও মিউচুয়াল ফান্ডের ২৫ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে।

সম্প্রতি এ ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

ফান্ডের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। ফান্ডটির উদ্যোক্তার অংশ ৫০ কোটি টাকা। প্রি আইপিও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ২৫ কোটি টাকা ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। বাকি ২৫ কোটি টাকা সব বিনিয়োগকারীর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে; যা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে উত্তোলন করা হবে।

ফান্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। এর উদ্যোক্তা ও সম্পদ ব্যবস্থাপক যথাক্রমে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এবং স্ট্র্যাটেজিক ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড (এসইএমএল)।

আর ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ

গ্রামীণফোনের ২০১৬ সালে কর-পরবর্তী মুনাফা ২,২৫০ কোটি টাকা

gramnনিজস্ব প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে টেলিকম খাতের কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেড গত বছর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ হাজার ২৫০ কোটি টাকা, আগের বছর যা ছিল ১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা। ২০১৪ সালে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ১ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ৯ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে ২০১৬ সালে ১১ হাজার ৪৯০ কোটি টাকার মোট রেভিনিউ দেখায় গ্রামীণফোন, যেখানে আগের বছর মোট রেভিনিউ ছিল ১০ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা। কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ হাজার ২৫০ কোটি টাকা, আগের বছর যা ছিল ১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা। ২০১৪ সালে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ১ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।

সমাপ্ত বছরে গ্রামীণফোনের মোট বিক্রি ও মুনাফায় মূল ভূমিকা রেখেছে এর ডাটা বিক্রি। এ সময়ে ডাটা বিক্রি ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশ, গ্রাহক ৫৬ দশমিক ১ ও ডাটা ব্যবহারের পরিমাণ ১৬৭ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। গত বছর কোম্পানিটি নিজস্ব নেটওয়ার্কে ৮৮ লাখ ডাটা গ্রাহক যোগ করার ফলে গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহকের ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করছেন।

কোম্পানিটি জানায়, উন্নত নেটওয়ার্ক সেবার কারণে ২০১৬ সালে গ্রামীণফোনের ডাটা ব্যবহার অনেক বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানির ডাটা বিক্রি ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন সংযোগও বেড়েছে ১২ শতাংশ। পাশাপাশি রেভিনিউ অনুপাতে পরিচালন ব্যয় কমাতে কোম্পানির কৌশলগত নীতিও নিট মুনাফা প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

এদিকে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের ৯০ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে গ্রামীণফোন। আগের ৮৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশসহ মোট লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭৫ শতাংশ। বছর শেষে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬ টাকা ৬৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৪ টাকা ৫৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৮৬ পয়সা। ২০১৫ হিসাব বছরে ১৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পান কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এমএ