আর্থিক খাতে বিপর্যয়ে পতন মার্কিন শেয়ারবাজারে

usaস্টকমার্কেট ডেস্ক :

চলতি মাসের শেষ কার্যদিবসে গতকাল শুক্রবার আর্থিক খাতের শেয়ারের লেনদেন কমায় ব্যাপক সূচক পতন হয়েছে আমেরিকার শেয়ারবাজারে। এদিন আর্থিক খাতের শেয়ারের দাম কমেছে ০.৯৫ শতাংশ। যার প্রভাবে সার্বিক সূচকও ছিল নিম্নগামী। সূত্র:ফাইনান্সিয়াল টাইমস

গতকাল দিনশেষে Dow Jones industrial average .DJI  ইন্ডেক্স ৮৭.১২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৭,৩২৯.৭৩ পয়েন্ট, TR-US INDEX ১.০৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৮১.৭৩ পয়েন্টে। এছাড়া S&P 500 ইন্ডেক্স ৭.৪৯ পয়েন্ট কমে ২,০১৩.৭৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। যদিও গত বৃহস্পতিবার বাজারে সূচক ছিল যথেষ্ট উর্দ্ধমূখী তবুও সপ্তাহের শেষ দিনে বড় ধরনের পতন দেখল হলো মার্কিন বিনিয়োগকারীদের।

তবে উদ্বেগের বিষয় হলো জ্বালানী এবং বেসিক ম্যাটেরিয়াল খাত ছাড়া শিল্প, স্বাস্থ, ইউটিলিটি, টেলিকম, ও টেকনোলজি সহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ন খাতের শেয়ারের দাম কমেছে।

একসাথে এতগুলো খাতের শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় এটাকে নেতিবাচক ভাবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। নিউয়ার্কের রোসেনবোল্ট সিকিউরিটিসের মহা-ব্যবস্থাপক জোসেপ বেনান্ট বলেন, বাজারে সূচক পতন অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে পতনের ধরণ আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলছে। একসাথে এতসব গুরুত্বপুর্ণ খাতের সূচক পতন সত্যিই আশংকাজনক এবং এটা কাটিয়ে উঠতে দরকার সময় ও উপযুক্ত পলিসি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/তরি/এলকে

জাহিন স্পিনিংয়ের আইপিও ড্র সোমবার

zahinস্টকমার্কেট ডেস্ক :

প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও) জাহিন স্পিনিং লিমিটেডে বিনিযোগকারীদের কাছ থেকে আবেদনের লটারি ড্র হবে সোমবার। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে এ ড্র অনুষ্ঠিত হবে।

সিএসই সূত্রে জানা যায়, ১২ কোটি টাকার বিপরীতে ৮৮৭ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে। সর্বশেষ হিসাবে যা উত্তোলনকৃত অর্থের চেয়ে প্রায় ৭৪ গুণ।

গত ১৩ জানুয়ারি সিএইসইর এক নোটিসে জানানো হয়, কোম্পানিটির আইপিওতে মোট ৫৬৩ কোটি ২২ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়ে। এরমধ্যে বিদেশীদের আবেদন ছিল ৫০ লাখ টাকার।

সিএসই সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানির আইপিও আবেদনে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৮৮৭ কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা উত্তোলনকৃত অর্থের চেয়ে ৭৩.৯৩ গুণ। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫৫৬ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার টাকার, ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে ৬৩ কোটি ৭১ লাখ ১৫ হাজার টাকার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ২৪৫ কোটি ৭৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এবং প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ/এলকে

কোল ইন্ডিয়ার আইপিও আবেদন প্রথম দিনেই

coal indiaস্টকমার্কেট ডেস্ক :

ভারত সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত কয়লা উতপাদন প্রতিষ্ঠান “কোল ইন্ডিয়ার” আইপিও বাজারে ছাড়ার পর গতকাল প্রথম দিনে আবেদন পড়েছে ৬৭.৫২ কোটি শেয়ারের। যা লক্ষমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি বলে দাবি করেছে হিন্দুস্থান টাইমস।

সরকার চেয়েছিল কোল ইন্ডিয়ার ১০ শতাংশ শেয়ার বেচতে৷ অর্থাৎ প্রায় ৬৩.১৬ কোটি শেয়ার বিক্রি করতে চেয়েছিল সরকার । এই সংস্থার শেয়ার নিলামের জন্য ৩৫৮ টাকা ন্যূনতম দাম ধার্য করা হয়েছে ৷ যার মাধ্যমে সরকারের কোষাগারে ২২,৬০০ কোটি টাকা ঢুকবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ এরফলে চলতি আর্থিক বছরে কেন্দ্রের বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪৩,৪২৫ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে সহায়তা করবে৷

কেন্দ্র সরাসরি ৫ শতাংশ বিক্রি করবে নিলামের মাধ্যমে। সেই সঙ্গেই আরও ৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির সুযোগ থাকছে। ফলে এই সংস্থার ১০ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ার বিক্রির মানে, বাজারে আসছে প্রায় ৬৩.১৭ কোটির শেয়ার।এই মহূর্তে কেন্দ্রের হাতে রেয়েছে কোল ইন্ডিয়ার প্রায় ৯০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা। এই ইস্যুতে ২০ শতাংশ শেয়ার সংরক্ষিত রাখা হচ্ছে খুচরো বিনিয়োগকারীদের জন্য৷ যদিও এই শেয়ার বিক্রির বিরোধিতা করে ইউনিয়ন  ভবিষ্যেতে ধর্মঘট করার হুমকি দিয়েছে৷

স্টকমার্কেটবিডি.কম/তরি/এলকে

সপ্তাহে ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে

dse1স্টকমার্কেট ডেস্ক :

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমে ১৭ দশমিক ১৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, আগের সপ্তাহের তুলনায় ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে ২ দশমিক ০২ শতাংশ বা দশমিক ৩৫ পয়েন্টে। আগের সপ্তাহে এই পিই রেশিও ছিল ১৭ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট।

বিশ্লেষকদের মতে, গত সপ্তাহে টানা দরপতনে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। এতে পিই রেশিও কমে গেছে। তবে পিই রেশিও  ১৫ ঘরে থাকলে বিনিয়োগ নিরাপদ বলে মনে করেন তারা।

সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক ট্রেইলিং পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯ দশমিক ৩ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ৩৪ দশমিক ৭ পয়েন্ট, সিরামিক খাতের ৩০ দশমিক ৭ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতে  ২০ দশমিক ৬ পয়েন্ট, খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের ৩৬ দশমিক ৫ পয়েন্ট।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে  ১৩ পয়েন্ট, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের ২৪ দশমিক ২ পয়েন্টে, পাট খাতের  ১৭৮ দশমিক ৭ পয়েন্ট, বিবিধ খাতের ৩৬ দশমিক  ১ পয়েন্ট, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ৭ দশমিক ৮ পয়ন্টে, এনবিএফআই খাতের পিইও রেশিও ১৯ দশমিক ৭ পয়েন্টে।

এছাড়া কাগজ খাতের পিইও ৭ দশমিক ৮ পয়েন্ট, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২৬ দশমিক ৩ পয়েন্ট, সেবা ও আবাসন খাতের  ৩৪ দশমিক ৬ পয়েন্ট, চামড়া খাতের  ২০ দশমিক ৩ পয়েন্ট, টেলিযোগাযোগ খাতে  ৩০ দশমিক ৬ পয়েন্ট, বস্ত্র খাতের  ১১ দশমিক ৯ পয়েন্ট এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ১৪ দশমিক ৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এলকে

হঠাৎ সেনসেক্সের বড় পতন ভারতের শেয়ারবাজারে

sensexস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শুক্রবার হঠাৎ করে সূচক পতন ঘটলো ভারতের শেয়ারবাজারে। দিনের শুরুতে উর্দ্ধমুখী সূচকে লেনদেন চললেও দিনশেষে বেশ বড় অঙ্কের পতন ঘটেছে। এর আগে  টানা আট দিন শেয়ারবাজার ওঠার পর অবশেষে  বুধবার সূচক কমেছিল৷ তবে বৃহস্পতিবার আবারো উঠেছিল সূচক।

গতকাল শুক্রবার বাজার বন্ধের সময় বিএসইতে সেনসেক্স সূচক দাঁড়ায় ২৯,১৮২.৯৫ পয়েন্টে৷যা আগের দিনের লেনদেনর  তুলনায় ৪৯৮.৮২ পয়েন্ট কম৷

সারাদিনই শেয়ার বাজারে ওঠানামা লক্ষ্য করা গিয়েছে৷ বাজার যে হারে বাড়ছিল তাতে এমন পতন অস্বাভাবিক নয়। এ নিয়ে দুই দিন আগেই আশংখা প্রকাশ করে “স্টুয়ার্ট সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান  কমল পারেখ বলেন, “বাজার ওঠা ভাল। কিন্তু যে গতিতে তা বেড়েছে, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। বহু ভাল সংস্থার দরই দ্রুত ওঠার তালিকায় নেই।”

তাঁর পরামর্শ, এখন সাধারণ লগ্নিকারীদের বাজার থেকে দূরেই থাকা উচিত।

একই মতের শরিক অ্যাসোসিয়েশন অব ন্যাশনাল এক্সচেঞ্জেস মেম্বার্স অব ইন্ডিয়ার পরিচালক এস কে রাস্তোগি।  তাঁর মতে, “এর পর বাজার ২০% পড়লেও অবাক হব না।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/তরি/এলকে

উভয় শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন কম

dseনিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেন। এ সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ১৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক ও লেনদেন উভয়ই কমেছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৮৫ কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার ৩১৬ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আগের সপ্তাহে যার পরিমাণ ছিল এক হাজার ২৮৮ কোটি ৭৫ লাখ ৮৪ হাজার ১৭১ টাকার শেয়ার। এ হিসাবে আলোচিত সপ্তাহে ঢাকার বাজারে লেনদেন কমেছে ২০৩ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৫৫ টাকা বা ১৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

এই সপ্তাহে ডিএসই প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ বা ৭৩ দশমিক ৯১ পয়েন্ট। ডিএস৩০ সূচক কমেছে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ বা ৩১ দশমিক ০৫ পয়েন্ট। অপরদিকে শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক কমেছে ১ দশমিক ৮২  শতাংশ বা ২০ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে।

লেনদেনের মধ্যে ৭৬ দশমিক ০১ শতাংশ ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির, ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির ছিল ৫ দশমিক ১২ শতাংশ, ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির ছিল ১৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ ও ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানির ছিল ৪ দশমিক ৪২ শতাংশ।

গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মোট ৩১৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬৪ টির, কমেছে ২৩৬ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৬টি কোম্পানির শেয়ারের দর। আর লেনদেন হয়নি ৩টি কোম্পানির শেয়ার।

অন্যদিকে সিএসইতে আলোচিত সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ২৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৫৪ টাকা। আলোচিত সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১০২ কোটি ৪২ লাখ ২৩ হাজার ৬০২ টাকার শেয়ার। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১২৯ কোটি ১৫ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকার শেয়ার।

এ সপ্তাহে সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৬৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫২ টির, কমেছে ১৯৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯ টির।

লেনদেনের সঙ্গে কমেছে সব ধরনের সূচক। সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২ দশমিক ০৫ শতাংশ। সিএসই৩০ সূচক কমেছে ১ দশমিক  ৬৪ শতাংশ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এএআর/এলকে

মুদ্রানীতি শেয়ারবাজারকে স্থিতিশীলতা রাখবে : ড. আতিউর

bb govনিজস্ব প্রতিবেদক :

আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতার পাশাপাশি শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বৃহষ্পতিবার ২০১৪-২০১৫ অর্থবছর দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।
ঘোষিত মুদ্রানীতিতে চলতি অর্থবছরে দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৬.১৫ শতাংশ ধরা হয়েছে। এছাড়া কৃষিখাতে সুদের হার ২ শতাংশ কমিয়ে ১১ শতাংশ করা হয়েছে। এর আগে এটি ছিল ১৩ শতাংশ। প্রণীত মুদ্রানীতি প্রোগ্রামে ব্যাপক মুদ্রা যোগানের প্রবৃদ্ধি সমগ্র সমগ্র অর্থবছরে ১৬.৫ শতাংশে পরিমিত রাখা হবে। বেসরকারি খাতে ঋণ যোগানের প্রবৃদ্ধির মাত্রা ধরা হয়েছে ১৫.৫ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেস রুমে গভর্নর ড. আতিউর রহমান নতুন এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।

এবারের মুদ্রানীতি সংহত এবং সংযত বলেও এসময় উল্লেখ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।

গভর্নর বলেন, শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তা অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধেও অব্যাহত থাকবে। শেয়ারবাজারে ব্যাংকের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আইনের অনুশাসন পরিপালনের নজরদারির সঙ্গেসঙ্গে বাজারের কার্যক্রমে মুদ্রানীতি প্রোগ্রামের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ মাত্রায় তারল্য যোগান বজায় রাখা হয়েছে। শেয়ারবাজারের সমর্থনে বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন কার্যক্রম কেন্দ্রীয় ব্যাংক অব্যাহত রেখেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেয়ারবাজারকে স্থিতিশীল রাখতে ৯শ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে শেয়ারবাজারের জন্য যে ধরনের সহায়তা দরকার বাংলাদেশ ব্যাংক তা অব্যাহত রাখবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংকের উপদেষ্টাসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম/

ওয়েস্টার্ন মেরিন এ ক্যাটাগরিতে

weastaernস্টকমার্কেট ডেস্ক :

সম্প্রতি শেয়ারবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড কোম্পানি ক্যাটাগরিতে আনা হয়েছে। কোম্পানিটি সমাপ্ত প্রথম অর্থবছরেই বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়ে ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্রে আরো জানা গেছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার থেকে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে শেয়ারবাজারে।

এই কোম্পানি ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থ বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ওয়েস্টার্ন মেরিন গত ১৮ জানুয়ারি বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশীয়ারি ওনার্স) হিসাবে বোনাস লভ্যাংশ পাঠিয়েছে। আর ২০ জানুয়ারি নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়েছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এএআর/

কোহিনুর কেমিক্যালসের ইপিএস ও মুনাফা বৃদ্ধি

kohiস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি কোহিনুর কেমিক্যালস শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ৫ টাকা ০৫ পয়সা। যা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে, বেড়েছে কোম্পানিটির মুনাফা। কোম্পানিটি অর্ধবার্ষিকী (জুলাই, ১৪ -ডিসেম্বর,১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ৩ কোটি ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৩ টাকা ১৬ পয়সা।

উল্লেখ্য, গত ৩ মাসে (অক্টোবর, ১৪ –ডিসেম্বর, ১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৪৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৪৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ১ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর ইপিএস ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ

বাংলাদেশ সাবমেরিনের ইপিএস ৩৮ পয়সা

bsclস্টকমার্কেট ডেস্ক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির (বিএসসিসিএল) শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ৩৮ পয়সা। যা আগের বছরের তুলনায় ৭৭ শতাংশ কমেছে। কোম্পানিটি অর্ধবার্ষিকী (জুলাই, ১৪ -ডিসেম্বর,১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৭২ লাখ ২০ হাজার টাকা, এসময় ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ২৪ কোটি ৬২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১ টাকা ৬৪ পয়সা।

উল্লেখ্য, গত ৩ মাসে (অক্টোবর, ১৪ –ডিসেম্বর, ১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ১০ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার টাকা। আর ইপিএস ছিল ৬৯ পয়সা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এইচ