ডিএসইতে পিই রেশিও ৬.৫ শতাংশ বেড়েছে

PE-300x197স্টকমার্কেটবিডি ডেস্ক :

বিদায়ী সপ্তাহে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৬.৫০ শতাংশ বেড়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১১.৬৯ পয়েন্টে। যা সপ্তাহ শেষে ১২.৪৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে পিই রেশিও ০.৭৬ পয়েন্ট বা ৬.৫০ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৬.৮১ পয়েন্টে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ১৫.৭৪ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ১৪.৬১ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৯.৩৫ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৪.৭৩ পয়েন্টে, বীমা খাতের ১৬.৯০ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ২২.৩১ পয়েন্টে, খাদ্য খাতের ১২.২৮ পয়েন্টে, চামড়া খাতের ১৬.৫৫ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ২৮.২৮ পয়েন্টে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১১.৪৮ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ২৬.৫৮ পয়েন্টে, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ৩১.৯২ পয়েন্টে, পেপার খাতের ৪৬.৪১ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতের ১১.৩৩ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ১২.৮৯ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২৪.১৬ পয়েন্টে এবং পাট খাতের পিই ৩৫.৬৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

শেয়ারবাজারে নতুন বিনিয়োগ ২১ হাজার কোটি টাকা

index upস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

সর্বশেষ সপ্তাহে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন (ডিএসই) ২১ হাজার ৪০২ কোটি টাকা বেড়েছে। এসময় অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ায় সূচকও বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত সপ্তাহের প্রথম দিন ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা আর সপ্তাহের শেষ দিনে এই মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৮৭ কোটি টাকা। এই হিসাবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে মূলধন বেড়েছে ২১,৪০২ কোটি টাকা বা ৬.৪২ শতাংশ।

জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহে মোট ৪ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট লেনদেন হয়েছে ৪,৫০৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকার। আগের সপ্তাহের ৪ দিনের লেনদেন হয়েছিল ২৯০৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন ৫৫.১৩ শতাংশ বেড়েছে।

ডিএসইতে সর্বশেষ সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছে ১১২৬ কোটি ২২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের সপ্তাহ থেকে ৬২.৫০ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৭২৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকার উপরে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৩৮.৫৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৭০৩ য়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ১১৮.৪৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৯৪ পয়েন্টে। তবে শরিয়াহ সূচক ৭৭.৩৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৮৮ পয়েন্টে।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে ৩৬১টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ২৮২টির, কমেছে ৫৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির শেয়ার ও ইউনিট দর। আর ২টি শেয়ারের কোনো লেনদেন হয়নি।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/জেড/এম

শেয়ার কারসাজির জন্য এমডিসহ সিন্ডিকেটকে জরিমানা

bbsস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিবিএস কেবলসের শেয়ার কারসাজির ঘটনায় কোম্পানির এমডি-চেয়ারম্যানসহ পুরো সিন্ডিকেটকে বড় অংকের আর্থিক জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বৃহস্পতিবার বিএসইসির ৭৩৫ তম কমিশন সভায় এ শাস্তি দেয়া হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

উক্ত কমিশন সভায় তালিকাভুক্ত বিবিএস কেবলসের শেয়ার কারসাজির ঘটনায় কোম্পানির চেয়ারম্যান ও তার স্ত্রী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও তার ভাই, নিকটাত্মীয়সহ সব পরিচালক এবং একটি কারসাজি চক্রকে মোট আট কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কারসাজি ঘটনায় সর্বাধিক তিন কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে বিবিএস কেবলসের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল হাসানের স্ত্রী খাদিজা তাহেরাকে। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নোমান হাওলাদারকে এক কোটি টাকা, তার ভাই আবু নাঈম হাওলাদারকে ১০ লাখ টাকা ও শ্যালক ফরহাদ হোসেনকে ৩০ লাখ টাকা এবং মনোনীত পরিচালক সৈয়দ ফেরদৌস রায়হানকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ ছাড়া এ কারসাজির ঘটনায় শেয়ার ব্যবসায়ী কবির আহম্মেদ ও তার সহযোগী শারমিন আহমেদ রানিয়া, ফেরদৌস আরা বেগম এবং আলেয়া বেগমকে সম্মিলিতভাবে ২৫ লাখ টাকা, সিএসইর ব্রোকারেজ হাউস প্রুডেনশিয়াল ক্যাপিটালকে ৫৫ লাখ টাকা, শেয়ার ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুমকে এক কোটি ৮০ লাখ টাকা, আরেক শেয়ার ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের সম্মিলিতভাবে ২৫ লাখ টাকা, সৈয়দ আনিসুজ্জামানকে ২৫ লাখ টাকা এবং হাসান জামিলকে ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর বাইরে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ না করায় বিবিএস কেবলসের চেয়ারম্যান, এমডিসহ পাঁচ পরিচালককে পৃথকভাবে ১০ লাখ টাকা করে মোট ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

প্রগতি লাইফের ২৩ কোটি টাকার রাইট অনুমোদন

progotiস্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজার তালিকাভুক্ত প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের রাইট শেয়ার ছেড়ে মূলধন সংগ্রহের আবেদন অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বৃহস্পতিবার বিএসইসির ৭৩৫ তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএসইসির সূত্র মতে, প্রগতি লাইফ ১ কোটি ৫৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৫১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১১আর অনুপাতে অর্থাৎ, ১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার নিতে পারবে বিনিয়োগকারীরা। ফেসভ্যালু ১০ টাকার সঙ্গে ৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি রাইট শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ টাকা।

রাইট শেয়ারের মাধ্যমে প্রগতি লাইফ ২৩ কোটি ২ লাখ ৭৩ হাজার ২৬৫ টাকা সংগ্রহ করবে।

এ কোম্পানির রাইট ইস্যুর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/আর

তালিকাভুক্ত কোম্পানি নগদ লভ্যাংশ না দিলে জেড ক্যাটাগারিতে নামবে

bsec-1-696x372স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি পরপর দুই বছর নগদ লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হলে সেটি জেড (জাঙ্ক) ক্যাটাগরিভুক্ত হবে। এ ছাড়া ছয় মাস বন্ধ, টানা দুই বছর লোকসান করলে কিংবা পুঞ্জীভূত লোকসান মূলধনকে ছাড়িয়ে গেলেও ওই কোম্পানি জেড ক্যাটাগরিতে যাবে। এদিকে এমন শেয়ার কেনাবেচার নিষ্পত্তির সময় বর্তমানের ৯ কার্যদিবসের (টি+৮) পরিবর্তে চার কার্যদিবসে (টি+৩) নামিয়ে আনাসহ জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির বিষয়ে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি।

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি গতকাল বৃহস্পতিবার নিয়মিত কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে তালিকাভুক্তির পর যেসব কোম্পানি বছরের পর বছর শুধু বোনাস লভ্যাংশ দিয়ে ভালো শেয়ারের তালিকায় স্থান করে নিচ্ছিল, তাদের সে সুযোগ বন্ধ হলো। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিশনের নেওয়া এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়। শিগগির এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করা হবে।

বর্তমানে শেয়ারবাজারে রুগ্‌ণ বা জেড ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানি ৫৩টি। এর মধ্যে প্রায় এক ডজন কোম্পানি ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নেই। বছরের পর বছর অনেক কোম্পানি ব্যবসায়িক কার্যক্রম না থাকায় লোকসান করছে। শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থতার জন্য জবাবদিহিও ছিল না বললে চলে। সুশাসন ফেরাতে বর্তমান কমিশন এ বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গতকাল।

কমিশন জানিয়েছে, কোনো কোম্পানি টানা দুই বছর শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হলে বা লোকসান করলে বা অপারেটিং ক্যাস-ফ্লো ঋণাত্মক হলে বা এজিএম করতে ব্যর্থ হলে সেটি জেড ক্যাটাগরিভুক্ত হবে। এ ছাড়া কোম্পানির ব্যবসায়িক বা উৎপাদন কার্যক্রম অন্তত ছয় মাস বন্ধ থাকলে বা পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ সংশ্নিষ্ট কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের বেশি হলেও তা এই ক্যাটাগরিতে চলে যাবে। এর বাইরে বিদ্যমান বিধান ভঙ্গ করলে কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে সেটিকে জেড ক্যাটাগরিতে পাঠাতে পারবে স্টক এক্সচেঞ্জ।

কমিশন বলছে, কোনো কোম্পানি জেড ক্যাটাগরিভুক্ত হওয়ামাত্র সেটির সব উদ্যোক্তা ও পরিচালকের শেয়ার বিক্রি, হস্তান্তর, বন্ধক প্রদানের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। বর্তমানে জেড ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানিগুলোকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে এজিএম করতে হবে। এতে ই-ভোটিং ব্যবস্থায় শেয়ারহোল্ডারদের মতামত দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। টানা দুই বছর জেডে রয়েছে এমন কোম্পানিগুলোকে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে পর্ষদ পুনর্গঠন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে ওই কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা তালিকাভুক্ত অন্য কোনো কোম্পানির পরিচালক বা শেয়ারবাজার সংশ্নিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচালক পদে থাকার যোগ্যতা হারাবেন। এসব কোম্পানির পর্ষদ পুনর্গঠন করতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেবে এবং বিশেষ অডিটের ব্যবস্থা করবে। পুনর্গঠিত পর্ষদ পরবর্তী চার বছরে কোম্পানিকে লাভজনক পর্যায়ে উন্নীত করতে না পারলে তালিকাচ্যুত করবে স্টক এক্সচেঞ্জ।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এম

মীর আক্তারকে বিডিংয়ের অনুমোদন দিল বিএসইসি

mir-akhter-150x150স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য আবেদনকৃত কোম্পানি মীর আক্তার হোসাইন লিমিটেডকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ইলেকট্রনিক বিডিং সম্পাদনের মাধ্যমে প্রান্তসীমা মূল্য (কাট অব প্রাইস) নির্ধারণের জন্য অনুমোদন প্রদান করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বৃহস্পতিবার বিএসইসির ৭৩৫ তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আলোচ্য কোম্পানিটি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ১২৫ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করবে।

কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সমন্বিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী যথাক্রমে শেয়ার প্রতি নিট সম্পত্তি মূল্য (পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ) ৩৪ টাকা ৭১ পয়সা।

কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/আর

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যূরেন্সের ১ম প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ

bgicস্টকমার্কেটবিডি ডেস্ক :

শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, এই প্রান্তিকে (জানু-মার্চ, ২০) বিমাটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪০ টাকাা। গত বছরের এ সময়ের বিমাটির শেয়ার প্রতি আয় ছিল ০.৭৩ টাকা।

এ সময়ে বিমাটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদের মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৮.৮৩ টাকা। যা ২০১৯ সালের ৩১ মার্চে ছিল ২০.৪০ টাকা।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/এস

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে কঠোর সতর্কবার্তা

rail-bd-20180222111425স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :

ট্রেনের টিকিট হস্তান্তর ও কালোবাজারি বন্ধে কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। কেউ নিজের টিকিট অন্যের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করলে তাকে তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা অর্থ দণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ট্রেনের টিকিট হস্তান্তর এবং কালোবাজারী সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে রেলওয়ে যাত্রীসাধারনের অবগতির জন্য জানানো হয় যে, ট্রেনে ভ্রমণের জন্য ক্রয়কৃত টিকিট, রিটার্ন টিকিট অথবা নির্দিষ্ট মেয়াদি টিকিট হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং এটি কেবলমাত্র যে ব্যক্তি বা যাত্রীর ভ্রমণের জন্য প্রদান করা হবে সেই ব্যক্তি এবং তাতে সুনির্দিষ্টভাবে যে সকল স্থানে বা মধ্যে ভ্রমণের অনুমতি প্রদান করা হবে সেই স্থানসমূহের মধ্যে প্রযোজ্য হবে।

যদি কোনো ব্যক্তি ট্রেনে ভ্রমণের নিজ টিকিট, রিটার্ন টিকিট অথবা নির্দিষ্ট মেয়াদী টিকিট কারো কাছে হস্তান্তর বা বিক্রয় করেন তাহলে ওই বিক্রেতা তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় প্রকারের দণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অনুরূপভাবে টিকিটের ক্রেতা অন্যের টিকিট ব্যবহার করলে অথবা ব্যবহার করার চেষ্টা করলে সে একবার একক ভ্রমণের সমান অতিরিক্ত ভাড়ার জন্য দণ্ডিত হবেন।

অতএব অন-লাইন/মোবাইল অ্যাপ থেকে নিজে টিকেট কেটে রেলভ্রমণ করতে বলা হয়েছে এবং অন্যের নামে ক্রয়কৃত টিকিটে রেলভ্রমণ হতে বিরত হতে বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।

স্টকমার্কেটবিডি.কম/আর